📅 ৪ অক্টোবর ২০২৬, ১০:০৩ পূর্বাহ্ণ এআই প্রযুক্তিতে যাচাই করা সর্বশেষ সঠিক বাংলা সংবাদ।
⚡ শেষ মুহূর্ত

শেরপুরের শতবর্ষী গণগ্রন্থাগার: বইয়ের আবেদন অমলি, প্রতিদিন ৫০-৬০ জন পাঠকের ঠিকানা এখানে

শেরপুরের শতবর্ষী গণগ্রন্থাগার: বইয়ের আবেদন অমলি, প্রতিদিন ৫০-৬০ জন পাঠকের ঠিকানা এখানে

📷 ছবি: প্রথম আলো

📡 নিউজ সোর্সগুলি:
🔗 প্রথম আলো ↗ ⚠ একক সোর্স
ℹ️ এই প্রতিবেদনটি কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা (AI) দ্বারা একাধিক সংবাদমাধ্যমের তথ্যের ভিত্তিতে পুনর্লিখিত। মূল নিউজ সোর্সগুলি নিচে উল্লেখ করা হয়েছে।

📌 শেরপুরের খান বাহাদুর ফজলুর রহমান জেলা সরকারি গণগ্রন্থাগার ১৯২৬ সাল থেকে বইয়ের প্রতি পাঠকদের আবেদন ধরে রেখেছে। বর্তমানে প্রতিদিন ৫০-৬০ জন পাঠক এখানে আসেন এবং ৪৮ হাজার বইসহ বিভিন্ন সুবিধা পান

শেরপুরের খান বাহাদুর ফজলুর রহমান জেলা সরকারি গণগ্রন্থাগার ১০০ বছরেরও বেশি সময় ধরে পাঠকদের জন্য একটি অনন্য ঠিকানা হিসেবে দাঁড়িয়ে আছে। প্রতিদিন এই গ্রন্থাগারে ৫০ থেকে ৬০ জন পাঠক আসেন, যারা বই পড়ার পাশাপাশি চাকরির প্রস্তুতি নেন, গবেষণা করেন বা সাধারণ জ্ঞান অর্জন করেন। প্রতিষ্ঠানটি ১৯২৬ সালে বেসরকারিভাবে ‘রিডিং ক্লাব’ হিসেবে শুরু হয়েছিল এবং পরবর্তীতে সরকারি কাঠামোতে আসে।

🔴 মূল পয়েন্ট

  • 📌 **১০০ বছরের ইতিহাস**: ১৯২৬ সালে শুরু হওয়া এই গ্রন্থাগার বর্তমানে শেরপুরের মাধবপুরে অবস্থিত এবং সরকারি প্রতিষ্ঠান হিসেবে পরিচালিত হয়।
  • 📌 **প্রতিদিন ৫০-৬০ জন পাঠক**: প্রতিদিন গড়ে ৫০ থেকে ৬০ জন পাঠক এখানে আসেন, যাদের মধ্যে রয়েছে শিক্ষার্থী, চাকরিপ্রার্থী, শিক্ষক ও গবেষক।
  • 📌 **৪৮ হাজার বই ও ১৪টি দৈনিক পত্রিকা**: গ্রন্থাগারে ৪৮ হাজার বই এবং প্রথম আলো, যুগান্তর, সমকালসহ ১৪টি জাতীয় দৈনিক পত্রিকা পড়ার সুযোগ রয়েছে।
  • 📌 **প্রযুক্তি ও ইন্টারনেট সুবিধা**: পাঁচটি কম্পিউটার এবং ওয়াই-ফাই সহজে ব্যবহারযোগ্য, যা পাঠকদের অনলাইন তথ্য অনুসন্ধানের সুযোগ দেয়।
  • 📌 **শিশু ও কিশোরদের জন্য কার্যক্রম**: শিশু কর্নারসহ বিভিন্ন জাতীয় দিবস উপলক্ষে রচনা, বইপাঠ ও প্রতিযোগিতার আয়োজন করা হয়।
  • 📌 **ভ্রাম্যমাণ লাইব্রেরি**: জেলার চারটি উপজেলায় ৪৮টি স্কুল ও কলেজে ভ্রাম্যমাণ লাইব্রেরি পরিচালিত হয়।
  • 📌 **জায়গার সংকট**: বর্তমানে আটজন কর্মকর্তা-কর্মচারী পাঠকসেবা প্রদান করছেন, তবে জায়গার অভাবে আরও উন্নয়নের প্রয়োজন রয়েছে।

📰 বিস্তারিত

শেরপুরের খান বাহাদুর ফজলুর রহমান জেলা সরকারি গণগ্রন্থাগার ১৯২৬ সালে বেসরকারিভাবে ‘রিডিং ক্লাব’ হিসেবে শুরু হয়েছিল। তখন সদস্যরা মাসিক চাঁদা দিয়ে দৈনিক, সাপ্তাহিক ও মাসিক পত্রিকা পড়ার সুযোগ পেতেন এবং বই বাড়িতে নিয়ে পড়ার ব্যবস্থাও ছিল। তবে বই নিয়ে যেতে হলে নির্দিষ্ট পরিমাণ জামানত দিতে হতো। ১৯৮৪ সালে দানবীর খান বাহাদুর ফজলুর রহমানের স্বজনরা গ্রন্থাগারের জন্য জমি দান করেন এবং পরবর্তীতে এটি সরকারি কাঠামোতে আসে। ১৯৯১ সালের জুলাই থেকে এটি পূর্ণাঙ্গ সরকারি প্রতিষ্ঠান হিসেবে কার্যক্রম শুরু করে এবং বর্তমানে এর নাম ‘খান বাহাদুর ফজলুর রহমান জেলা সরকারি গণগ্রন্থাগার’।

গ্রন্থাগারটি মাধবপুরে ৩৩ শতক জমির ওপর একতলা ভবনে অবস্থিত এবং এখানে দুটি পাঠকক্ষ রয়েছে। বর্তমানে ৪৮ হাজার বই রয়েছে, যা সাহিত্য, ইতিহাস, বিজ্ঞান, মুক্তিযুদ্ধ, সংস্কৃতি, জীবনী ও সাধারণ জ্ঞানসহ বিভিন্ন বিষয়ের উপর। পাঠকরা নিজেদের প্রয়োজন অনুযায়ী এসব বই পড়ছেন। এছাড়া পুরোনো সংবাদপত্র ও সাময়িকীর সংগ্রহও রয়েছে।

প্রযুক্তির যুগেও বইয়ের আবেদন অমলি। গ্রন্থাগারে পাঁচটি কম্পিউটার এবং ওয়াই-ফাই সুবিধা রয়েছে, যা পাঠকদের অনলাইন তথ্য অনুসন্ধানের সুযোগ দেয়। পাঠক রফিকুল ইসলাম বলেছেন, ‘ইন্টারনেটের যুগেও এই গণগ্রন্থাগারে পাঠকরা নিয়মিত বই ও পত্রিকা পড়েন। শিক্ষার্থী ও চাকরিপ্রার্থীদের নিয়মিত উপস্থিতি আমাদের মুগ্ধ করে।’

গ্রন্থাগারের সহকারী পরিচালক ও গ্রন্থাগারিক সিরাজাম মনিরা বলেছেন, ‘পাঠকদের জন্য একটি সুন্দর ও শান্ত পরিবেশ নিশ্চিত করাই আমাদের মূল লক্ষ্য। নতুন প্রজন্মকে বই পড়ার অভ্যাসে ফিরিয়ে আনতে আমরা নিয়মিত বিভিন্ন কার্যক্রম পরিচালনা করছি। তবে জায়গার অভাবে অনেক কর্মসূচি ছোট পরিসরে করতে হয়। ভবনটি দোতলা করা হলে আরও সুন্দর পরিবেশ তৈরি হবে।’

"মাস্টার্স শেষ করেছি। এখন চাকরির প্রস্তুতি নিচ্ছি। এইচএসসি থেকে এ গ্রন্থাগারে নিয়মিত আসি। আমার সঙ্গে আরও ২০ থেকে ২৫ জন নিয়মিত আসেন। গল্পের বই পড়ি, চাকরির জন্য তথ্য খুঁজি। এখানে চমৎকার পরিবেশ।"

— পাঠক রিফাতুল জান্নাত

📊 তথ্যের সারসংক্ষেপ

  • 📍 স্থান: শেরপুর, মাধবপুর, খান বাহাদুর ফজলুর রহমান জেলা সরকারি গণগ্রন্থাগার
  • 👥 খবরের মুখ্য ব্যক্তি: ফজলুর রহমান, সিরাজাম মনিরা, রিফাতুল জান্নাত, রফিকুল ইসলাম
  • 🔢 গুরুত্বপূর্ণ সংখ্যা: ১০০ বছর (বয়স), ৫০-৬০ জন (দৈনিক পাঠক), ৪৮ হাজার (বই), ১৪টি (দৈনিক পত্রিকা), ১ হাজার ১২ জন (নিবন্ধিত সদস্য), ৪৮টি (ভ্রাম্যমাণ লাইব্রেরি)

📡 মূল নিউজ সোর্সসমূহ

এই প্রতিবেদনটি নিচের সংবাদমাধ্যমগুলোর তথ্যের ভিত্তিতে প্রস্তুত করা হয়েছে। মূল সংবাদ পড়তে নিচের লিংকে ক্লিক করুন:

📤 শেয়ার করুন: 📘 Facebook 💬 WhatsApp 𝕏 Twitter 💼 LinkedIn ✈️ Telegram

💬 মন্তব্য (0)

এখনো কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্য করুন!

মন্তব্য অনুমোদনের পর প্রকাশ করা হবে। ইমেইল প্রকাশিত হবে না।
🤖