📅 ২৪ অক্টোবর ২০২৬, ১১:২৮ অপরাহ্ণ এআই প্রযুক্তিতে যাচাই করা সর্বশেষ সঠিক বাংলা সংবাদ।
⚡ শেষ মুহূর্ত

শাবিপ্রবির টিলা চূড়ায় নির্মিত নান্দনিক শহীদ মিনার: ১০১ ধাপের স্মৃতিস্তম্ভের গল্প

শাবিপ্রবির টিলা চূড়ায় নির্মিত নান্দনিক শহীদ মিনার: ১০১ ধাপের স্মৃতিস্তম্ভের গল্প

📷 ছবি: বিডিনিউজ২৪

📡 নিউজ সোর্সগুলি:
🔗 BDNews24 ↗ ⚠ একক সোর্স
ℹ️ এই প্রতিবেদনটি কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা (AI) দ্বারা একাধিক সংবাদমাধ্যমের তথ্যের ভিত্তিতে পুনর্লিখিত। মূল নিউজ সোর্সগুলি নিচে উল্লেখ করা হয়েছে।

📌 শাহজালাল বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের (শাবিপ্রবি) টিলার চূড়ায় অবস্থিত শহীদ মিনারটি ১৯৫২ সালের ভাষা আন্দোলনের শহীদদের স্মরণে নির্মিত। ২০০১ সালে স্পিকার হুমায়ুন রশীদ চৌধুরী এর ভিত্তিপ্রস্তর স্থাপন করেন। ৬ হাজার ৮৮৬ বর্গফুট এলাকাজুড়ে নির্মিত এই মিনারে ১০১ ধাপের সিঁড়ি রয়েছে

শাহজালাল বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের (শাবিপ্রবি) কেন্দ্রীয় শহীদ মিনারটি সিলেটের একটি উঁচু টিলার চূড়ায় অবস্থিত। এই নান্দনিক স্মৃতিস্তম্ভটি ১৯৫২ সালের ভাষা আন্দোলনের শহীদদের স্মরণে নির্মিত। স্মৃতিস্তম্ভের নকশা করেছেন স্থপতি মহিউদ্দিন খান।

🔴 মূল পয়েন্ট

  • 📌 ১৯৫২ সালের ২১ ফেব্রুয়ারি ভাষা আন্দোলনে শহীদ হন সালাম, বরকত, রফিক ও জব্বারসহ অনেকে
  • 📌 ২০০১ সালের ১২ ফেব্রুয়ারি স্পিকার হুমায়ুন রশীদ চৌধুরী শহীদ মিনারের ভিত্তিপ্রস্তর স্থাপন করেন
  • 📌 ৬ হাজার ৮৮৬ বর্গফুট এলাকাজুড়ে নির্মিত মিনারে ১০১ ধাপের দীর্ঘ সিঁড়ি রয়েছে
  • 📌 টিলার চূড়ায় উঠলে চোখে পড়ে সবুজে ঘেরা বিশ্ববিদ্যালয় ক্যাম্পাস ও পাহাড়ি পরিবেশ
  • 📌 প্রতিবছর একুশে ফেব্রুয়ারিতে শিক্ষক-শিক্ষার্থীরা এখানে ফুল দিয়ে শহীদদের শ্রদ্ধা জানান

📰 বিস্তারিত

শাবিপ্রবির শহীদ মিনারটি ১৯৫২ সালের ভাষা আন্দোলনের শহীদদের স্মরণে নির্মিত। সেই আন্দোলনে পুলিশের গুলিতে শহীদ হন সালাম, বরকত, রফিক ও জব্বারসহ অনেকে। এই শহীদদের আত্মত্যাগের স্মৃতি ধরে রাখতে দেশের বিভিন্ন স্থানে শহীদ মিনার নির্মিত হয়েছে। শাবিপ্রবির শহীদ মিনারটি ২০০১ সালের ১২ ফেব্রুয়ারি তৎকালীন স্পিকার হুমায়ুন রশীদ চৌধুরী এর ভিত্তিপ্রস্তর স্থাপন করেন। স্থপতি মহিউদ্দিন খানের নকশায় নির্মিত এই স্মৃতিস্তম্ভটি প্রায় ৬ হাজার ৮৮৬ বর্গফুট এলাকাজুড়ে অবস্থিত।

শহীদ মিনারটির অন্যতম আকর্ষণ হলো ১০১ ধাপের দীর্ঘ সিঁড়ি। এই সিঁড়ি বেয়ে টিলার চূড়ায় অবস্থিত মূল বেদিতে পৌঁছাতে হয়। বেদিতে ওঠার আগে চোখে পড়ে একটি বৃত্তাকার দেয়াল। এরপর আরও সাতটি ছোট ধাপ পেরিয়ে পৌঁছানো যায় মূল বেদিতে। সিঁড়ি, বৃত্তাকার দেয়াল ও মূল বেদির সমন্বয়ে স্থাপনাটিতে ফুটে উঠেছে স্বতন্ত্র স্থাপত্যশৈলী। টিলার চূড়ায় উঠলে চোখে পড়ে সবুজে ঘেরা বিশ্ববিদ্যালয় ক্যাম্পাস ও পাহাড়ি প্রাকৃতিক পরিবেশ। দীর্ঘ সিঁড়ি বেয়ে ওপরে ওঠার অভিজ্ঞতা আর প্রকৃতির সঙ্গে স্থাপত্যের মেলবন্ধন শহীদ মিনারটিকে দিয়েছে আলাদা বৈশিষ্ট্য।

প্রতিবছর ২১ ফেব্রুয়ারি বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষক-শিক্ষার্থীরা এখানে ফুল দিয়ে ভাষা শহীদদের শ্রদ্ধা জানান। প্রতিবেদকের বয়স ১৭ বছর এবং তিনি সিলেট জেলার বাসিন্দা।

"১৯৫২ সালের ভাষা আন্দোলনে শহীদদের আত্মত্যাগের স্মৃতি ধরে রাখতে এই শহীদ মিনার নির্মিত হয়েছে"

📊 তথ্যের সারসংক্ষেপ

  • 📍 স্থান: শাহজালাল বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয় (শাবিপ্রবি), সিলেট
  • 👥 মুখ্য ব্যক্তি: স্পিকার হুমায়ুন রশীদ চৌধুরী, স্থপতি মহিউদ্দিন খান, শহীদ সালাম, বরকত, রফিক, জব্বার
  • 🔢 গুরুত্বপূর্ণ সংখ্যা: ১০১ ধাপের সিঁড়ি, ৬ হাজার ৮৮৬ বর্গফুট এলাকা, ২০০১ সালের ১২ ফেব্রুয়ারি ভিত্তিপ্রস্তর স্থাপন

📡 মূল নিউজ সোর্সসমূহ

এই প্রতিবেদনটি নিচের সংবাদমাধ্যমগুলোর তথ্যের ভিত্তিতে প্রস্তুত করা হয়েছে। মূল সংবাদ পড়তে নিচের লিংকে ক্লিক করুন:

📤 শেয়ার করুন: 📘 Facebook 💬 WhatsApp 𝕏 Twitter 💼 LinkedIn ✈️ Telegram

💬 মন্তব্য (0)

এখনো কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্য করুন!

মন্তব্য অনুমোদনের পর প্রকাশ করা হবে। ইমেইল প্রকাশিত হবে না।
🤖