📌 রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়ের অনার্স চতুর্থ বর্ষের শিক্ষার্থী মাসুদ রানা বিজ্ঞানচিন্তা পত্রিকার প্রতি তার অটুট ভালোবাসার কথা ভাগ করেছেন। তিনি বলেছেন, স্কুল-কলেজের সময় পড়া এই পত্রিকাটি বিজ্ঞানের প্রতি তার আগ্রহকে বহুগুণ বৃদ্ধি করেছিল।
রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়ের কম্পিউটার বিজ্ঞান ও প্রকৌশল বিভাগের শিক্ষার্থী মাসুদ রানা বিজ্ঞানচিন্তা পত্রিকার প্রতি তার অটুট ভালোবাসার কথা ভাগ করেছেন। তিনি বলেছেন, ক্লাস নাইন থেকে দশ পর্যন্ত পড়ার সময় তিনি এই পত্রিকাটি প্রতি মাসে অপেক্ষা করে পড়তেন। প্রতিটি সংখ্যা এতই আকর্ষণীয়ভাবে বিজ্ঞানের বিভিন্ন বিষয় উপস্থাপন করেছিল যে, সেই শিক্ষার আনন্দ তিনি স্কুল-কলেজের কোনো পাঠ্যবইয়ে খুঁজে পাননি। বিজ্ঞানচিন্তা পড়ার পর তার বিজ্ঞানের প্রতি আগ্রহ আরও বৃদ্ধি পেয়েছিল, যা পরবর্তীকালে তার পড়াশোনার পথ নির্ধারণে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করেছিল।
🔴 মূল পয়েন্ট
- 📌 মাসুদ রানা বলেছেন, ক্লাস নাইন-টেনে বিজ্ঞানচিন্তা পড়ার অভ্যাস শুরু করেছিলেন এবং প্রতি মাসে নতুন সংখ্যার জন্য উদগ্রীব থাকতেন
- 📌 বিজ্ঞানচিন্তার বিষয়বস্তু এত সুন্দরভাবে উপস্থাপিত ছিল যে, শিক্ষার আনন্দ তিনি স্কুল-কলেজের কোনো পাঠ্যবইয়ে পাননি
- 📌 ইন্টারমিডিয়েট থেকে কলেজে পড়ার সময় বিজ্ঞানচিন্তা পড়ার সুযোগ হারিয়ে ফেললেও, বর্তমানে অনার্স চতুর্থ বর্ষে পড়ছেন
- 📌 বাজারে গিয়ে পুরোনো সংখ্যা কিনে পড়ার মাধ্যমে আবারও বিজ্ঞানচিন্তার সাথে যুক্ত হন
- 📌 তিনি মনে করেন, স্কুল-কলেজের শিক্ষার্থীদের বিজ্ঞানচিন্তা পড়া উচিত, কারণ তা বিজ্ঞানের সত্যিকারের উপলব্ধি ও অনুভূতি দেয়
📰 বিস্তারিত
মাসুদ রানা জানান, তিনি প্রায় দুই-তিন বছর ধরে বিজ্ঞানচিন্তা পড়তেন। প্রতিটি সংখ্যা এতই আকর্ষণীয় ছিল যে, বিজ্ঞানের প্রতি তার আগ্রহ বহুগুণ বৃদ্ধি পেয়েছিল। ইন্টারমিডিয়েটে উঠার পর পড়াশোনার চাপে বিজ্ঞানচিন্তা পড়ার সুযোগ হারিয়ে ফেললেও, বর্তমানে অনার্স চতুর্থ বর্ষে পড়ছেন। তিনি বলেন, “বেশ কয়েক দিন ধরে বিজ্ঞানচিন্তার কথা মনে পড়ছিল। অবশেষে বাজারে গিয়ে পুরোনো সংখ্যা কিনে পড়ার মাধ্যমে আবারও সেই আনন্দ অনুভব করছি। পুরোনো হলেও সমস্যা নেই, কারণ বিজ্ঞানচিন্তার বিষয়বস্তু এতই ভালো যে, অনেক দিন পরও পড়ার আনন্দ একই রকম থাকে।”
মাসুদ রানা দোকানের লাইব্রেরিয়ান ভাইকে বলেছিলেন, “পুরোনো হলেও চলবে, শুধু বিষয় দেখে যেগুলো ভালো লাগবে সেগুলো নেব। আপনার কাছে যা যা আছে, সব দিন।” তিনি বলেন, বিজ্ঞানচিন্তাকে তিনি সব সময় মিস করতেন, কিন্তু এখন আরো বেশি মিস করছেন। তার মতে, বিজ্ঞানচিন্তা পড়ার মাধ্যমে শিক্ষার্থীরা বিজ্ঞানের প্রতি সত্যিকারের আগ্রহ ও অনুভূতি বিকাশ করতে পারে।
মাসুদ রানা বলেন, “আমার মনে হয়, স্কুল-কলেজের সব শিক্ষার্থীর বিজ্ঞানচিন্তা পড়া উচিত। তাহলে তারা বিজ্ঞানকে সত্যিকারভাবে উপলব্ধি করতে পারবে, অনুভব করতে পারবে এবং বিজ্ঞানের চিন্তা করতে পারবে।”
"বিজ্ঞানচিন্তার নতুন-পুরোনো বলে কিছু নেই। এখানে প্রতিটি বিষয় এত সুন্দর ও ভালোভাবে উপস্থাপন করা হয় যে অনেক দিন পর সেই বইগুলো পড়ে মনে হচ্ছে, অবশেষে আমি নিজের পছন্দের কিছু একটা পড়ছি।"
📊 তথ্যের সারসংক্ষেপ
- 📍 স্থান: রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়, রাজশাহী
- 👥 খবরের মুখ্য ব্যক্তি: মাসুদ রানা (কম্পিউটার বিজ্ঞান ও প্রকৌশল বিভাগের শিক্ষার্থী)
- 🔢 গুরুত্বপূর্ণ সংখ্যা: ২-৩ বছর (বিজ্ঞানচিন্তা পড়ার সময়কাল), অনার্স চতুর্থ বর্ষ
💬 মন্তব্য (0)
এখনো কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্য করুন!