📅 ১১ অক্টোবর ২০২৬, ১১:০৩ অপরাহ্ণ এআই প্রযুক্তিতে যাচাই করা সর্বশেষ সঠিক বাংলা সংবাদ।
⚡ শেষ মুহূর্ত

হাজিরা খাতায় স্বাক্ষর থাকলেও অনুপস্থিত শিক্ষকদের চিত্রে হতভম্ব ইউএনও: কিশোরগঞ্জের স্কুলে পাঠদানের প্রশ্ন উঠেছে

হাজিরা খাতায় স্বাক্ষর থাকলেও অনুপস্থিত শিক্ষকদের চিত্রে হতভম্ব ইউএনও: কিশোরগঞ্জের স্কুলে পাঠদানের প্রশ্ন উঠেছে

📷 ছবি: দৈনিক বাংলাদেশ

📡 নিউজ সোর্সগুলি:
🔗 Daily Bangladesh ↗ ⚠ একক সোর্স
ℹ️ এই প্রতিবেদনটি কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা (AI) দ্বারা একাধিক সংবাদমাধ্যমের তথ্যের ভিত্তিতে পুনর্লিখিত। মূল নিউজ সোর্সগুলি নিচে উল্লেখ করা হয়েছে।

📌 কিশোরগঞ্জের একটি সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে হাজিরা খাতায় ছয় শিক্ষকের স্বাক্ষর থাকলেও মাত্র তিনজন উপস্থিত পেয়েছেন ইউএনও। অনুপস্থিত শিক্ষকদের মধ্যে একজন পারিবারিক মামলায় আসামি। কর্তৃপক্ষ তদন্তের নির্দেশ দিয়েছে

কিশোরগঞ্জের ইটনা উপজেলার একটি সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে হাজিরা খাতায় অনুপস্থিত শিক্ষকদের স্বাক্ষর দেখে হতভম্ব হয়ে পড়েছেন উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও)। পরিদর্শনে দেখা গেছে, প্রধান শিক্ষকসহ ছয় শিক্ষকের স্বাক্ষর থাকলেও মাত্র তিনজনই স্কুলে উপস্থিত ছিলেন। এছাড়াও তিনটি শ্রেণিকক্ষে শিক্ষার্থীরা উপস্থিত থাকলেও পাঠদানের দায়িত্ব পালনের প্রশ্ন উঠেছে।

🔴 মূল পয়েন্ট

  • 📌 ইটনা উপজেলার সহিলা সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে পরিদর্শনে ইউএনও মাখন চন্দ্র সূত্রধর পেয়েছেন প্রধান শিক্ষকসহ ছয় শিক্ষকের হাজিরা স্বাক্ষর, কিন্তু মাত্র তিনজন উপস্থিত ছিলেন
  • 📌 অনুপস্থিত শিক্ষকদের মধ্যে একজন সুপ্রভাত পারিবারিক মামলায় আসামি হিসেবে অনুপস্থিত আছেন
  • 📌 প্রধান শিক্ষক মোঃ ফজলুল হক দাবি করেছেন, তিনি সকালে স্কুলে উপস্থিত হয়ে চলে আসছেন, কিন্তু ফোনে যোগাযোগে ফোন বন্ধ পাওয়া যায়
  • 📌 উপজেলা শিক্ষা অফিসার আবুল কালাম মোঃ এহছানুল হক বলেছেন, তাদের বিরুদ্ধে তদন্ত কমিটি গঠন করে ব্যবস্থা নেওয়া হবে
  • 📌 ইউএনও জানিয়েছেন, শিক্ষকদের নিয়মিত উপস্থিতি নিশ্চিত করা এবং মানসম্মত পাঠদান অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ

📰 বিস্তারিত

রোববার (১১ অক্টোবর) দুপুর সাড়ে ১২টায় ইটনা উপজেলার ধনপুর ইউনিয়নের সহিলা সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় পরিদর্শনকালে ইউএনও মাখন চন্দ্র সূত্রধর একটি চিত্রের মুখোমুখি হন। হাজিরা রেজিস্টারে প্রধান শিক্ষকসহ ছয়জন শিক্ষকের স্বাক্ষর থাকলেও সরেজমিনে মাত্র তিনজন শিক্ষক উপস্থিত ছিলেন। পরিদর্শন বহিতে উল্লেখ করা হয়েছে, বিনা অনুমতিতে ছুটির আবেদন ছাড়াই অন্য শিক্ষকরা অনুপস্থিত ছিলেন।

পরিদর্শন বহিতে অনুপস্থিত শিক্ষকদের তালিকায় প্রধান শিক্ষক মোঃ ফজলুল হক, সহকারী শিক্ষক আনোয়ারা পারভীন ও সহকারী শিক্ষক সজল উল্লেখিত ছিলেন। অন্যদিকে, একজন সহকারী শিক্ষক সুপ্রভাত পারিবারিক মামলার আসামি হিসেবে অনুপস্থিত আছেন।

প্রধান শিক্ষক মোঃ ফজলুল হককে ফোনে যোগাযোগ করলে তিনি জানান, তিনি বর্তমানে কিশোরগঞ্জে অবস্থান করছেন। তিনি দাবি করেন, তিনি সকালে স্কুলে উপস্থিত হয়ে চলে আসছেন। তবে অন্য সহকারী শিক্ষকদের অনুপস্থিত বিষয়ে যোগাযোগ করলে ফোন বন্ধ পাওয়া যায়।

উপজেলা শিক্ষা অফিসার আবুল কালাম মোঃ এহছানুল হক বলেন, তাদের বিরুদ্ধে অনুপস্থিত থেকে হাজিরা খাতায় উপস্থিত এমন অভিযোগ পাওয়া গেছে। তদন্ত কমিটি গঠন করে ব্যবস্থা নেওয়া হবে। ইউএনও মাখন চন্দ্র সূত্রধর গণমাধ্যমকে জানান, সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে শিক্ষকদের নিয়মিত উপস্থিতি নিশ্চিত করা এবং মানসম্মত পাঠদান বজায় রাখা অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। পরিদর্শনে উঠে আসা এ চিত্র শিক্ষকদের দায়িত্ব পালনে অবহেলার বিষয়টি নতুন করে সামনে এনেছে।

"অনুপস্থিতির কারণ এবং এ বিষয়ে আগে থেকে অবহিত না করার ব্যাখ্যা নির্ধারিত সময়ের মধ্যে লিখিতভাবে জানাতে বলা হয়েছে। তাদের ৭ দিনের মধ্যে লিখিত আকারে জবাব দেওয়ার জন্য জানানো হয়েছে।"

📊 তথ্যের সারসংক্ষেপ

  • 📍 স্থান: সহিলা সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়, ধনপুর ইউনিয়ন, ইটনা উপজেলা, কিশোরগঞ্জ
  • 👥 খবরের মুখ্য ব্যক্তি: ইউএনও মাখন চন্দ্র সূত্রধর, প্রধান শিক্ষক মোঃ ফজলুল হক, উপজেলা শিক্ষা অফিসার আবুল কালাম মোঃ এহছানুল হক
  • 🔢 গুরুত্বপূর্ণ সংখ্যা: ৬ জন শিক্ষকের স্বাক্ষর (মাত্র ৩ জন উপস্থিত), ৭ দিনের মধ্যে জবাব দিতে হবে

📡 মূল নিউজ সোর্সসমূহ

এই প্রতিবেদনটি নিচের সংবাদমাধ্যমগুলোর তথ্যের ভিত্তিতে প্রস্তুত করা হয়েছে। মূল সংবাদ পড়তে নিচের লিংকে ক্লিক করুন:

📤 শেয়ার করুন: 📘 Facebook 💬 WhatsApp 𝕏 Twitter 💼 LinkedIn ✈️ Telegram

💬 মন্তব্য (0)

এখনো কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্য করুন!

মন্তব্য অনুমোদনের পর প্রকাশ করা হবে। ইমেইল প্রকাশিত হবে না।
🤖