📌 হাইকোর্টে রিট দায়ের করা হয়েছে সরকারের স্কুলে ভর্তি পরীক্ষা চালুর সিদ্ধান্তের বিরুদ্ধে। শিক্ষা সচিব ও অন্যান্য কর্মকর্তাদের বিরুদ্ধে রিট দায়ের করেছে 'মুভমেন্ট ফর হিউম্যান রাইটস অ্যান্ড গুড গভর্নেন্স ফাউন্ডেশন'। শিক্ষাবিদ ও আইনজীবীরা দাবি করেছেন, এই সিদ্ধান্ত শিশুদের মানসিক চাপ বাড়াবে এবং বৈষম্য সৃষ্টি করবে
হাইকোর্টে রিট দায়ের করা হয়েছে সরকারের ২০২৭ শিক্ষাবর্ষে স্কুলে ভর্তি পরীক্ষা চালুর সিদ্ধান্তের বিরুদ্ধে। বুধবার (৭ অক্টোবর) ‘মুভমেন্ট ফর হিউম্যান রাইটস অ্যান্ড গুড গভর্নেন্স ফাউন্ডেশন’-এর পক্ষে রিট দায়ের করা হয়। সংগঠনের নির্বাহী পরিচালক মিনহাজ উদ্দিন আহমেদ এই রিটের প্রধান দায়েরকারী।
🔴 মূল পয়েন্ট
- 📌 ৭ অক্টোবর হাইকোর্টে রিট দায়ের করা হয় সরকারের স্কুলে ভর্তি পরীক্ষা চালুর সিদ্ধান্তের বিরুদ্ধে।
- 📌 রিটে শিক্ষা সচিব, প্রাথমিক ও গণশিক্ষা সচিব, মাধ্যমিক ও উচ্চশিক্ষা অধিদপ্তরের মহাপরিচালক এবং মাউশির উপ-সচিবকে বিবাদী করা হয়েছে।
- 📌 ২০২১ শিক্ষাবর্ষ থেকে লটারি পদ্ধতি চালু হলেও, ১৬ মার্চ সরকার ভর্তি পরীক্ষা চালুর সিদ্ধান্ত ঘোষণা করে।
- 📌 শিক্ষামন্ত্রী ডা. এহছানুল হক মিলন ১৬ মার্চ সংবাদ সম্মেলনে এই সিদ্ধান্তের কথা জানান।
- 📌 জাহিদ তালুকদার বলেন, কোনো গবেষণা ছাড়াই একতরফাভাবে সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে।
- 📌 বিচারপতি এস. এম মনিরুজ্জামান ও এস. এম ইফতেখার উদ্দিন মাহমুদর বেঞ্চে আগামী সপ্তাহে শুনানি হতে পারে।
📰 বিস্তারিত
২০২৭ শিক্ষাবর্ষে স্কুলে ভর্তি পরীক্ষা চালুর সিদ্ধান্তের বিরুদ্ধে হাইকোর্টে রিট দায়ের করা হয়েছে। ‘মুভমেন্ট ফর হিউম্যান রাইটস অ্যান্ড গুড গভর্নেন্স ফাউন্ডেশন’-এর পক্ষে রিট দায়েরকারী মিনহাজ উদ্দিন আহমেদ জানান, সরকারি স্কুলে প্রথম থেকে নবম শ্রেণি পর্যন্ত লটারি পদ্ধতি বাতিল করে ভর্তি পরীক্ষা চালুর সিদ্ধান্তের বিরুদ্ধে এই রিট।
২০২১ শিক্ষাবর্ষ থেকে সরকারি বিদ্যালয়ে লটারি পদ্ধতি চালু হয়েছিল। কিন্তু ১৬ মার্চ শিক্ষামন্ত্রী ডা. এহছানুল হক মিলন সংবাদ সম্মেলনে ঘোষণা করেন, প্রথম শ্রেণিতে লটারি বহাল থাকলেও দ্বিতীয় থেকে নবম শ্রেণি পর্যন্ত ভর্তি পরীক্ষা নেওয়া হবে। এই সিদ্ধান্তের বিরুদ্ধে রিটকারীর আইনজীবী জাহিদ তালুকদার বলেন, কোনো গবেষণা বা অংশীজনদের সঙ্গে আলোচনা ছাড়াই এই সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে।
আইনজীবী আরও দাবি করেছেন, স্কুল পর্যায়ে ভর্তি পরীক্ষা চালু হলে কোমলমতি শিশুদের মানসিক চাপ বাড়বে। পাশাপাশি কোচিং বাণিজ্য ও দুর্নীতি বাড়ার সম্ভাবনা রয়েছে। দরিদ্র পরিবারের শিশুরা আর্থিক অসচ্ছলতার কারণে পিছিয়ে পড়ার শঙ্কাও রয়েছে। এই কারণে রিটকারীরা ভর্তি পরীক্ষা বাতিলের দাবি করেছেন।
"কোনো ধরনের পর্যাপ্ত গবেষণা, তথ্য-উপাত্ত বা অংশীজনদের সঙ্গে আলোচনা ছাড়াই একতরফাভাবে এই সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। স্কুল পর্যায়ে ভর্তি পরীক্ষা পুনরায় চালু হলে কোমলমতি শিশুদের ওপর বাড়তি মানসিক চাপ তৈরি হবে।"
📊 তথ্যের সারসংক্ষেপ
- 📍 স্থান: ঢাকা, হাইকোর্ট
- 👥 খবরের মুখ্য ব্যক্তি: মিনহাজ উদ্দিন আহমেদ, জাহিদ তালুকদার, শিক্ষামন্ত্রী ডা. এহছানুল হক মিলন
- 🔢 গুরুত্বপূর্ণ সংখ্যা: ৭ অক্টোবর, ১৬ মার্চ
💬 মন্তব্য (0)
এখনো কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্য করুন!