📅 ১৪ অক্টোবর ২০২৬, ১০:২০ অপরাহ্ণ এআই প্রযুক্তিতে যাচাই করা সর্বশেষ সঠিক বাংলা সংবাদ।
⚡ শেষ মুহূর্ত

২০২৭ শিক্ষাবর্ষে সরকারি-বেসরকারি স্কুলে ভর্তিতে ১৪% কোটা ও ঢাকায় ৪০% ক্যাচমেন্ট আসন: শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের নতুন নীতিমালা

২০২৭ শিক্ষাবর্ষে সরকারি-বেসরকারি স্কুলে ভর্তিতে ১৪% কোটা ও ঢাকায় ৪০% ক্যাচমেন্ট আসন: শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের নতুন নীতিমালা

📷 ছবি: যুগান্তর

📡 নিউজ সোর্সগুলি:
🔗 Jugantor ↗ ⚠ একক সোর্স
ℹ️ এই প্রতিবেদনটি কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা (AI) দ্বারা একাধিক সংবাদমাধ্যমের তথ্যের ভিত্তিতে পুনর্লিখিত। মূল নিউজ সোর্সগুলি নিচে উল্লেখ করা হয়েছে।

📌 শিক্ষা মন্ত্রণালয় ২০২৭ শিক্ষাবর্ষের জন্য সরকারি ও বেসরকারি মাধ্যমিক বিদ্যালয়ে ভর্তির নতুন নীতিমালা প্রকাশ করেছে। প্রথম শ্রেণিতে লটারি, অন্যান্য শ্রেণিতে পরীক্ষার মাধ্যমে ভর্তি হবে। সরকারি স্কুলে ১৪% কোটা এবং ঢাকার সরকারি স্কুলে ক্যাচমেন্ট এলাকার শিক্ষার্থীদের জন্য ৪০% আসন সংরক্ষিত রাখা হয়েছে

২০২৭ শিক্ষাবর্ষে বাংলাদেশের শিক্ষা ব্যবস্থায় একটি উল্লেখযোগ্য পরিবর্তন আনা হয়েছে। শিক্ষা মন্ত্রণালয় সরকারি ও বেসরকারি মাধ্যমিক বিদ্যালয়ে শিক্ষার্থী ভর্তির নতুন নীতিমালা প্রকাশ করেছে। এই নীতিমালা অনুযায়ী, প্রথম শ্রেণিতে লটারির মাধ্যমে এবং দ্বিতীয় থেকে নবম শ্রেণিতে ভর্তি পরীক্ষার মাধ্যমে শিক্ষার্থীদের ভর্তি করা হবে। বিশেষভাবে উল্লেখযোগ্য, সরকারি মাধ্যমিক বিদ্যালয়ে মোট ১৪ শতাংশ কোটা সংরক্ষণ করা হয়েছে। এছাড়াও ঢাকা মহানগরের সরকারি বিদ্যালয়ে ক্যাচমেন্ট এলাকার শিক্ষার্থীদের জন্য ৪০ শতাংশ আসন সংরক্ষিত রাখা হয়েছে।

🔴 মূল পয়েন্ট

  • 📌 ২০২৭ শিক্ষাবর্ষের ভর্তি নীতিমালা প্রকাশ করেছে শিক্ষা মন্ত্রণালয়, যা ১ জানুয়ারি থেকে ৩১ ডিসেম্বর পর্যন্ত কার্যকর হবে।
  • 📌 সরকারি মাধ্যমিক বিদ্যালয়ে ১৪ শতাংশ কোটা সংরক্ষিত রাখা হয়েছে, যেখানে বীর মুক্তিযোদ্ধা ও শহীদ মুক্তিযোদ্ধাদের সন্তানদের জন্য ৫ শতাংশ, বিশেষ চাহিদাসম্পন্ন শিক্ষার্থীদের জন্য ২ শতাংশ, শিক্ষা মন্ত্রণালয় কর্মকর্তা-কর্মচারীদের সন্তানদের জন্য ২ শতাংশ, সহোদরদের জন্য ৩ শতাংশ এবং যমজদের জন্য ২ শতাংশ আসন সংরক্ষিত থাকবে।
  • 📌 ঢাকা মহানগরের সরকারি বিদ্যালয়ে ৪০ শতাংশ আসন ক্যাচমেন্ট এলাকার শিক্ষার্থীদের জন্য সংরক্ষিত। বাকি ৬০ শতাংশ আসনে সবার আবেদন করার সুযোগ থাকবে।
  • 📌 ষষ্ঠ শ্রেণিতে ভর্তির জন্য স্বতন্ত্র সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় থেকে উত্তীর্ণ শিক্ষার্থীদের জন্য ১০ শতাংশ আসন সংরক্ষিত থাকবে।
  • 📌 প্রতিটি শাখায় সর্বোচ্চ ৫৫ জন শিক্ষার্থী ভর্তি করা যাবে।
  • 📌 ভর্তির জন্য শিক্ষার্থীদের বয়সসীমা নির্ধারণ করা হয়েছে: প্রথম শ্রেণিতে ৫ থেকে ৭ বছর, দ্বিতীয় শ্রেণিতে ৬ থেকে ৮ বছর, তৃতীয় শ্রেণিতে ৭ থেকে ৯ বছর, চতুর্থ শ্রেণিতে ৮ থেকে ১০ বছর, পঞ্চম শ্রেণিতে ৯ থেকে ১১ বছর, ষষ্ঠ শ্রেণিতে ১০ থেকে ১২ বছর, সপ্তম শ্রেণিতে ১১ থেকে ১৩ বছর, অষ্টম শ্রেণিতে ১২ থেকে ১৪ বছর এবং নবম শ্রেণিতে ১৩ থেকে ১৫ বছর।
  • 📌 বয়স প্রমাণের জন্য জন্মনিবন্ধন সনদ জমা দিতে হবে। বিশেষ চাহিদাসম্পন্ন শিক্ষার্থীদের জন্য বয়সসীমায় সর্বোচ্চ ৫ বছরের অতিরিক্ত সুবিধা দেওয়া যাবে।
  • 📌 ভর্তি কার্যক্রম তদারকির জন্য ঢাকা মহানগর, জেলা ও উপজেলা পর্যায়ে পৃথক ভর্তি কমিটি গঠন করা হবে।

📰 বিস্তারিত

মঙ্গলবার (১৩ অক্টোবর) সন্ধ্যায় শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের মাধ্যমিক ও উচ্চশিক্ষা বিভাগের মাধ্যমে এই নীতিমালা প্রকাশ করা হয়। নীতিমালায় সই করেছেন সরকারি মাধ্যমিক-১ শাখার উপসচিব তানিয়া ফেরদৌস। নীতিমালার দ্বিতীয় ধারায় উল্লেখ করা হয়েছে, জাতীয় শিক্ষানীতি-২০১০ অনুযায়ী প্রথম শ্রেণিতে ভর্তির ক্ষেত্রে শিক্ষার্থীর বয়স ছয় বছর বা তার বেশি ধরে ভর্তি নিশ্চিত করতে হবে। তবে ২০২৭ শিক্ষাবর্ষের জন্য শিক্ষার্থীর সর্বনিম্ন বয়স পাঁচ বছর এবং সর্বোচ্চ সাত বছর নির্ধারণ করা হয়েছে। অন্যান্য শ্রেণিতে ভর্তির ক্ষেত্রেও নির্ধারিত বয়সসীমা অনুসরণ করতে হবে।

নীতিমালা অনুযায়ী, সরকারি স্কুলে ভর্তির ক্ষেত্রে বিভিন্ন শ্রেণির জন্য মোট ১৪ শতাংশ আসন কোটা হিসেবে সংরক্ষণের নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে। এছাড়াও, সরকারি কর্মকর্তা-কর্মচারীদের বদলিজনিত কারণে তাদের সন্তানদের ভর্তির জন্য প্রতিটি বিদ্যালয়ের প্রতি শাখায় পাঁচ শতাংশ অতিরিক্ত আসন রাখা হবে।

২০২৭ শিক্ষাবর্ষের ভর্তি কার্যক্রমের জন্য শিক্ষার্থীদের আবেদন ফরমের সঙ্গে অনলাইন জন্মনিবন্ধন সনদের সত্যায়িত অনুলিপি জমা দিতে হবে। বিশেষ চাহিদাসম্পন্ন শিক্ষার্থীদের ক্ষেত্রে বয়সসীমায় সর্বোচ্চ পাঁচ বছরের অতিরিক্ত সুবিধা দেওয়া যাবে।

"জাতীয় শিক্ষানীতি-২০১০ অনুযায়ী প্রথম শ্রেণিতে ভর্তির ক্ষেত্রে শিক্ষার্থীর বয়স ছয় বছর বা তার বেশি ধরে ভর্তি নিশ্চিত করতে হবে। তবে ২০২৭ শিক্ষাবর্ষের জন্য শিক্ষার্থীর সর্বনিম্ন বয়স পাঁচ বছর এবং সর্বোচ্চ সাত বছর নির্ধারণ করা হয়েছে।"

📊 তথ্যের সারসংক্ষেপ

  • 📍 স্থান: ঢাকা মহানগর, জেলা ও উপজেলা পর্যায়ে
  • 👥 খবরের মুখ্য ব্যক্তি: উপসচিব তানিয়া ফেরদৌস
  • 🔢 গুরুত্বপূর্ণ সংখ্যা: ১৪ শতাংশ (কোটা), ৪০ শতাংশ (ক্যাচমেন্ট আসন), ৫৫ জন (প্রতি শাখায় সর্বোচ্চ শিক্ষার্থী)

📡 মূল নিউজ সোর্সসমূহ

এই প্রতিবেদনটি নিচের সংবাদমাধ্যমগুলোর তথ্যের ভিত্তিতে প্রস্তুত করা হয়েছে। মূল সংবাদ পড়তে নিচের লিংকে ক্লিক করুন:

📤 শেয়ার করুন: 📘 Facebook 💬 WhatsApp 𝕏 Twitter 💼 LinkedIn ✈️ Telegram

💬 মন্তব্য (0)

এখনো কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্য করুন!

মন্তব্য অনুমোদনের পর প্রকাশ করা হবে। ইমেইল প্রকাশিত হবে না।
🤖