📌 সাতক্ষীরার আশাশুনি হাফেজিয়া মাদ্রাসার প্রধান শিক্ষককে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। ১৪ বছর বয়সী এক ছাত্রের বিরুদ্ধে যৌন নিপীড়নের অভিযোগে, শিক্ষক তাকে কক্ষে ডেকে হাত-পা টেপাতেন এবং নানাভাবে হয়রানি করতেন। বাবা মামলা দায়েরের পর পুলিশ তাকে গ্রেপ্তার করে
সাতক্ষীরা সদর উপজেলার আশাশুনি হাফেজিয়া মাদ্রাসার প্রধান শিক্ষককে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। ১৪ বছর বয়সী এক ছাত্রের বিরুদ্ধে যৌন নিপীড়নের অভিযোগে, শিক্ষক তাকে কক্ষে ডেকে হাত-পা টেপাতেন এবং নানাভাবে হয়রানি করতেন। ঘটনাটি ঘটে গত ২১ অক্টোবর সকালে। বাবা মামলা দায়েরের পর পুলিশ আধুনিক তথ্যপ্রযুক্তির সহায়তায় শিক্ষককে গ্রেপ্তার করে।
🔴 মূল পয়েন্ট
- 📌 ১৪ বছর বয়সী ছাত্রের বিরুদ্ধে যৌন নিপীড়নের অভিযোগে সাতক্ষীরার আশাশুনি হাফেজিয়া মাদ্রাসা ও এতিমখানার প্রধান শিক্ষক মো. মোখলেছুর রহমান (৪০) গ্রেপ্তার করা হয়েছে।
- 📌 ২১ অক্টোবর সকালে বোর্ডিংয়ের চাল-ডাল রান্নাঘরে পৌঁছে দেওয়ার পথে শিক্ষক শিক্ষার্থীকে নিজের কক্ষে ডেকে নিয়ে যৌন নিপীড়ন করেন এবং হাত-পা টেপাতেন।
- 📌 ভুক্তভোগী শিক্ষার্থী চিৎকার করতে গেলে শিক্ষক তার মুখ চেপে ধরে এবং প্রাণনাশের হুমকি দেন। পরে বাড়িতে ফিরে ঘটনাটি বাবা-মায়ের কাছে প্রকাশ করেন।
- 📌 ২৪ অক্টোবর রোববার সকাল ০৭:২৮ মিনিটে আশাশুনি থানায় মামলা দায়েরের পর পুলিশ তথ্যপ্রযুক্তির সহায়তায় মাত্র তিন ঘণ্টার অভিযানে শিক্ষককে গ্রেপ্তার করে।
- 📌 আশাশুনি থানার ওসি শাহিদুর রহমান জানান, অভিযুক্ত শিক্ষককে আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণ করে আদালতের মাধ্যমে কারাগারে পাঠানোর প্রক্রিয়া চলছে।
📰 বিস্তারিত
মো. মোখলেছুর রহমান (৪০) সাতক্ষীরা সদর উপজেলার ফিংড়ী ইউনিয়নের কাশিমপুর গ্রামের বাসিন্দা। তিনি আশাশুনি হাফেজিয়া মাদ্রাসা ও এতিমখানার প্রধান শিক্ষক হিসেবে দায়িত্ব পালন করতেন। অভিযোগ অনুযায়ী, ১৪ বছর বয়সী শিক্ষার্থী মাদ্রাসার হিফজ বিভাগের আবাসিক ছাত্র ছিলেন। শিক্ষক বিভিন্ন সময়ে তাকে অনৈতিক প্রস্তাব দিতেন এবং রাজি না হলে মারধর ও হয়রানি করতেন।
গত ২১ অক্টোবর সকালে, শিক্ষার্থী বোর্ডিংয়ের চাল-ডাল রান্নাঘরে পৌঁছে দেওয়ার পথে প্রধান শিক্ষক তাকে নিজের কক্ষে ডেকে নিয়ে যৌন নিপীড়ন করেন। শিক্ষার্থী চিৎকার করতে গেলে শিক্ষক তার মুখ চেপে ধরে এবং ঘটনাটি কাউকে জানালে প্রাণনাশের হুমকি দেন। পরে বাড়িতে ফিরে শিক্ষার্থী তার বাবা-মায়ের কাছে পুরো ঘটনাটি প্রকাশ করেন। অসুস্থ বোধ করায় পরিবার তাকে আশাশুনি উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নিয়ে প্রাথমিক চিকিৎসা দেওয়া হয়।
২৪ অক্টোবর রোববার সকাল ০৭:২৮ মিনিটে, ভুক্তভোগী শিক্ষার্থীর বাবা মামলা দায়ের করেন। মামলার এজাহারে উল্লেখ করা হয়েছে যে, শিক্ষক শিক্ষার্থীকে কক্ষে ডেকে নিয়ে হাত-পা টেপাতেন এবং নানাভাবে হয়রানি করতেন। মামলা দায়েরের পর পুলিশ আধুনিক তথ্যপ্রযুক্তির সহায়তায় মাত্র তিন ঘণ্টার অভিযানে শিক্ষককে গ্রেপ্তার করে। আশাশুনি থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) শাহিদুর রহমান জানান, আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণ করে তাকে আদালতের মাধ্যমে কারাগারে পাঠানোর প্রক্রিয়া চলছে।
"মাদ্রাসার হিফজ বিভাগের আবাসিক ছাত্র হিসেবে বোর্ডিংয়ে থাকতেন। অভিযুক্ত প্রধান শিক্ষক বিভিন্ন সময়ে তাকে অনৈতিক প্রস্তাব দিয়ে আসতেন এবং রাজি না হলে মারধর ও নানাভাবে হয়রানি করতেন। এমনকি কয়েক দিন ধরে গভীর রাতে শিক্ষক নিজের কক্ষে ডেকে নিয়ে ওই শিক্ষার্থীকে দিয়ে হাত-পা টেপাতেন।"
📊 তথ্যের সারসংক্ষেপ
- 📍 স্থান: আশাশুনি, সাতক্ষীরা সদর উপজেলা, ফিংড়ী ইউনিয়ন, কাশিমপুর গ্রাম
- 👥 খবরের মুখ্য ব্যক্তি: মো. মোখলেছুর রহমান (৪০), শাহিদুর রহমান (ওসি), ১৪ বছর বয়সী শিক্ষার্থী
- 🔢 গুরুত্বপূর্ণ সংখ্যা: ১৪ বছর, ৪০ বছর, ২১ অক্টোবর, ২৪ অক্টোবর, ০৭:২৮ মিনিট
💬 মন্তব্য (0)
এখনো কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্য করুন!