📌 সপ্তম শ্রেণির এক ছাত্রী তার চশমা পরার গল্প শেয়ার করেছেন। তিনি বলেছেন, ছোটবেলায় চশমা পরতে ইচ্ছা করতেন কিন্তু সবাই বলে ‘চোখ নষ্ট হবে’। চোখের পাওয়ার কমে যাওয়ার পর ডাক্তারের পরামর্শে চশমা পরতে শুরু করলেও নিজের ভয় ও সামাজিক চাপের কথা উল্লেখ করেছেন
সপ্তম শ্রেণির এক ছাত্রী তার চশমা পরার গল্পে সামাজিক চাপ ও নিজের ভয় সম্পর্কে কথা বলেছেন। তিনি জানিয়েছেন, ছোটবেলায় চশমা পরতে ইচ্ছা করতেন কিন্তু পরিবারের সদস্য ও বন্ধুদের মন্তব্যের কারণে তা লুকিয়ে রাখতেন।
🔴 মূল পয়েন্ট
- 📌 সপ্তম শ্রেণির ছাত্রী বলেছেন, স্কুলের শিক্ষক ও বিজ্ঞানীদের চশমা পরতে দেখে মনে হতো সব বুদ্ধিমান মানুষই চশমা পরেন।
- 📌 ছোটবেলায় চশমা পরতে ইচ্ছা করলেও সবার সামনে পরলে ‘চোখ নষ্ট হবে’ বলে বকা খেতে হতো।
- 📌 পঞ্চম শ্রেণিতে পড়ালেখার চাপে চোখের পাওয়ার -০.৭৫ থেকে কমে -১.০০ হয়ে গেল।
- 📌 ডাক্তারের পরামর্শ অনুযায়ী চশমা পরতে শুরু করলেও নিজের ভয় ও সামাজিক মন্তব্যের কথা উল্লেখ করেছেন।
- 📌 আম্মু মনে করতেন, তিনি চশমা কিনতে চাইছেন ফ্যাশন করার জন্য।
📰 বিস্তারিত
ভিকারুননিসা নূন স্কুল অ্যান্ড কলেজের সপ্তম শ্রেণির ছাত্রী বলেছেন, তার চোখের পাওয়ার -১.৭৫। তিনি লুকিয়ে লুকিয়ে চশমা পরতেন কারণ সবার সামনে পরলে ‘চোখ নষ্ট হবে’ বলে মন্তব্য হতো। তিনি বলেছেন, ‘আমার আপু নিজের পোশাকের সঙ্গে মিলিয়ে বড় ফ্রেমের চশমা কিনেছিলেন। সেই চশমা আমি বারবার পরে দেখতাম, তবে সবার সামনে নয়।’
পঞ্চম শ্রেণিতে উঠার পর পিইসি পরীক্ষার চাপে পড়াশোনা করতে গিয়ে চোখের সমস্যা বাড়তে থাকে। তিনি বলেছেন, ‘রাত জেগে পড়াশোনা করতাম। স্কুলের বোর্ডে স্যার-ম্যাডামরা ছোট ছোট অঙ্ক লেখতেন, সেগুলো দেখতে খুব কষ্ট হতো।’ এক বছর পর চোখের পাওয়ার -০.৭৫ থেকে -১.০০ হয়ে গেল। অবশেষে হাসপাতালে যাওয়ার পর ডাক্তার বললেন, চশমা পরতে হবে।
তিনি বলেছেন, ‘চশমা কিনে বাসায় ফেরার সময় একটু খুশি লাগছিল। কিন্তু তার চেয়ে অনেক বেশি খারাপ লাগছিল। আমার বিশ্বাসই হচ্ছিল না যে আমি আর খালি চোখে আগের মতো দেখতে পারব না। সব সময় চশমা পরে থাকতে হবে।’
"আমি: আপু! ঘুমাচ্ছ? আমি কোচিংয়ে যাব। কিন্তু আমার চশমাটা কোথায় রেখেছি, খুঁজে পাচ্ছি না। তোমার চশমাটা নিয়ে যাই? আপু: দুই ঘণ্টার মধ্যে যদি ফিরে আসতে পারিস, তাহলে নিয়ে যা।"
📊 তথ্যের সারসংক্ষেপ
- 📍 স্থান: ভিকারুননিসা নূন স্কুল অ্যান্ড কলেজ, সপ্তম শ্রেণি
- 👥 খবরের মুখ্য ব্যক্তি: সপ্তম শ্রেণির ছাত্রী (লেখক)
- 🔢 গুরুত্বপূর্ণ সংখ্যা: চশমার পাওয়ার -১.৭৫ (প্রারম্ভিক), -০.৭৫ থেকে -১.০০ (পরবর্তী)
💬 মন্তব্য (0)
এখনো কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্য করুন!