📌 চট্টগ্রাম বন্ধুসভায় অনুষ্ঠিত হিরন্ময় কথকতা সিরিজের ৩৫তম পাঠচক্রে সৈয়দ শামসুল হকের স্মৃতিকথা ‘হে বৃদ্ধ সময়’ নিয়ে আলোচনা হয়। আলোচক নুরুজ্জামান খান বলেন, বইটিতে লেখকের শৈশব, কুড়িগ্রামের জীবন ও ধরলা নদীর গভীর সংযোগ তুলে ধরা হয়েছে
চট্টগ্রাম বন্ধুসভায় সৈয়দ শামসুল হকের স্মৃতিকথা ‘হে বৃদ্ধ সময়’ নিয়ে গভীর আলোচনা অনুষ্ঠিত হয়। ২ অক্টোবর অনুষ্ঠিত হিরন্ময় কথকতা সিরিজের ৩৫তম পাঠচক্রে বইটির গুরুত্বপূর্ণ দিকগুলো তুলে ধরা হয়। আলোচক হিসেবে বন্ধুসভার সহসভাপতি নুরুজ্জামান খান উপস্থিত ছিলেন।
🔴 মূল পয়েন্ট
- 📌 ২ অক্টোবর চট্টগ্রাম বন্ধুসভায় অনুষ্ঠিত হয় হিরন্ময় কথকতা সিরিজের ৩৫তম পাঠচক্র। আলোচিত বই: ‘হে বৃদ্ধ সময়’ (সৈয়দ শামসুল হক)
- 📌 বইটিতে ১৯৪৩ সালের মন্বন্তর থেকে শুরু করে দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধ ও ভারতবর্ষের স্বাধীনতার পূর্বকালের স্মৃতি তুলে ধরা হয়েছে
- 📌 কুড়িগ্রাম ও ধরলা নদী লেখকের শৈশবের স্মৃতির সাথে গভীরভাবে জড়িত — বইটিতে মানুষ, পরিবার, নদীর জীবন বর্ণিত হয়েছে
- 📌 লেখক ‘বাদশা’ ডাকনামে পরিচিত ছিলেন। বইটির অসমাপ্তি ২০১৬ সালে তাঁর মৃত্যুর কারণে ঘটে
- 📌 মারুফ উল হক বলেন, বইটি পড়তে গিয়ে শৈশবের স্মৃতি ফিরে আসে, যা হারিয়ে যাওয়া সময়কে পুনরুজ্জীবিত করে
📰 বিস্তারিত
চট্টগ্রাম বন্ধুসভায় অনুষ্ঠিত পাঠচক্রে সৈয়দ শামসুল হকের স্মৃতিকথা ‘হে বৃদ্ধ সময়’ নিয়ে আলোচনা হয়। আলোচক হিসেবে বন্ধুসভার সহসভাপতি নুরুজ্জামান খান উপস্থিত ছিলেন। তিনি বলেন, বইটি মূলত লেখকের শৈশব ও কৈশোরের স্মৃতি তুলে ধরে। ১৯৪৩ সালের মন্বন্তর থেকে শুরু করে দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধের শেষ পর্ব এবং ভারতবর্ষের স্বাধীনতার আগের সময়ের স্মৃতি এখানে তুলে ধরা হয়েছে।
নুরুজ্জামান খান বলেন, বইটির সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ দিক হলো কুড়িগ্রাম। সেখানকার মানুষ, মফস্সল জীবন, পারিবারিক পরিবেশ ও ধরলা নদী লেখকের শৈশবের স্মৃতির সাথে গভীরভাবে জড়িয়ে আছে। তিনি উল্লেখ করেন, বইটিতে ইতিহাস বড় কোনো ঘটনার তালিকা হিসেবে উপস্থাপিত হয়নি। বরং মন্বন্তর, যুদ্ধ ও সামাজিক বাস্তবতা লেখকের ব্যক্তিগত অভিজ্ঞতার মধ্য দিয়ে তুলে ধরা হয়েছে।
আলোচক বলেন, ধরলা নদী শুধু একটি ভৌগোলিক বিষয় নয়। একজন শিশুর কাছে নদী মানে তার চারপাশের প্রকৃতি, মানুষের চলাচল, ঋতুর পরিবর্তন এবং অজানার প্রতি টান। তিনি উল্লেখ করেন, বইটির অসমাপ্তি গুরুত্বপূর্ণ, কারণ লেখক যেন আরও কিছু লিখতে চেয়েছিলেন, কিন্তু ২০১৬ সালে তাঁর মৃত্যুর কারণে সেই স্মৃতিচারণা সম্পূর্ণ হয়ে ওঠেনি।
কার্যনির্বাহী সদস্য মারুফ উল হক বলেন, ‘হে বৃদ্ধ সময়’ পড়তে গিয়ে সবচেয়ে ভালো লেগেছে এর স্মৃতিময় আবহ। তিনি বলেন, লেখক কুড়িগ্রাম ও ধরলা নদীকে যেভাবে মনে করেছেন, তা পড়তে গিয়ে মনে হয় আমরাও যেন তাঁর সঙ্গে সেই সময়টায় ফিরে যাচ্ছি। তিনি উল্লেখ করেন, বইটি পড়ার পর নিজের শৈশবের কথাও মনে পড়ে। তিনি বলেন, বইটি শুধু একজন লেখকের স্মৃতিকথা নয়, হারিয়ে যাওয়া সময়কে আরেকবার অনুভব করার সুযোগ।
"‘হে বৃদ্ধ সময়’ পড়তে গিয়ে সবচেয়ে ভালো লেগেছে এর স্মৃতিময় আবহ। সৈয়দ শামসুল হক তাঁর শৈশব, কুড়িগ্রাম আর ধরলা নদীকে যেভাবে মনে করেছেন, তা পড়তে গিয়ে মনে হয় আমরাও যেন তাঁর সঙ্গে সেই সময়টায় ফিরে যাচ্ছি। বইটি পড়ার পর নিজের শৈশবের কথাও মনে পড়ে। আমার কাছে বইটি শুধু একজন লেখকের স্মৃতিকথা নয়, হারিয়ে যাওয়া সময়কে আরেকবার অনুভব করার একটি সুযোগ।"
📊 তথ্যের সারসংক্ষেপ
- 📍 স্থান: চট্টগ্রাম বন্ধুসভাকক্ষ, চট্টগ্রাম
- 👥 খবরের মুখ্য ব্যক্তি: নুরুজ্জামান খান (সহসভাপতি), মারুফ উল হক (কার্যনির্বাহী সদস্য), সৈয়দ শামসুল হক (লেখক)
- 📖 আলোচিত বই: ‘হে বৃদ্ধ সময়’ (সৈয়দ শামসুল হক)
- 📅 অনুষ্ঠানের তারিখ: ২ অক্টোবর ২০২৬
- 📌 গুরুত্বপূর্ণ সংখ্যা: ৩৫ (পাঠচক্রের সিরিজ নং)
💬 মন্তব্য (0)
এখনো কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্য করুন!