📅 ২৭ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ৭:২৮ অপরাহ্ণ এআই প্রযুক্তিতে যাচাই করা সর্বশেষ সঠিক বাংলা সংবাদ।
⚡ শেষ মুহূর্ত

সৈয়দ শামসুল হক: কবিতা ও জীবন মৃত্যুর চ্যালেঞ্জে রূপায়িত হয় অস্তিত্বের অনুভব

সৈয়দ শামসুল হক: কবিতা ও জীবন মৃত্যুর চ্যালেঞ্জে রূপায়িত হয় অস্তিত্বের অনুভব

📷 ছবি: প্রথম আলো

📡 নিউজ সোর্সগুলি:
🔗 প্রথম আলো ↗ ⚠ একক সোর্স
ℹ️ এই প্রতিবেদনটি কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা (AI) দ্বারা একাধিক সংবাদমাধ্যমের তথ্যের ভিত্তিতে পুনর্লিখিত। মূল নিউজ সোর্সগুলি নিচে উল্লেখ করা হয়েছে।

📌 সৈয়দ শামসুল হক বলেছেন, জীবনের প্রতিটি কাজ মৃত্যুর বিরুদ্ধে লড়াইয়ের অংশ। তিনি বলেছেন, অস্তিত্বের অনুভব হলো জীবনের অর্থ খুঁজে বের করা এবং নিজের অস্তিত্বকে অমর করার চেষ্টা। কবিতায় মৃত্যুর মুখোমুখি হওয়া নয়, বরং মৃত্যুর বিরুদ্ধে জয়লাভের প্রচেষ্টা

সৈয়দ শামসুল হক বলেছেন, মানুষের অস্তিত্বের অনুভব হলো জীবনের অর্থ খুঁজে বের করা এবং নিজের অস্তিত্বকে অমর করার চেষ্টা। তিনি বলেছেন, ‘অস্তিত্বের স্পন্দন’ শব্দটি বোঝাতে চাইনি বরং ‘অস্তিত্বের অনুভব’। মানুষকে তার অস্তিত্ব সম্পর্কে বুঝতে হয়। অধিকাংশ মানুষ অস্তিত্বকে অনুভব করতে পারে না। কিন্তু জীবনের আসা-যাওয়ার মধ্যে অর্থ খুঁজে বের করা হলো অস্তিত্বের অনুভব।

🔴 মূল পয়েন্ট

  • 📌 সৈয়দ শামসুল হক বলেছেন, ‘অস্তিত্বের অনুভব’ হলো জীবনের অর্থ খুঁজে বের করা এবং নিজের অস্তিত্বকে অমর করার চেষ্টা।
  • 📌 তিনি বলেছেন, ‘আমাদের সব কাজ মৃত্যুকে জয় করার জন্য’ — জীবনের প্রতিটি কাজ মৃত্যুর বিরুদ্ধে লড়াইয়ের অংশ।
  • 📌 ‘ক্ষুধা’ হলো একটা প্রবল তাড়না, যা রাজনীতি, সমাজনীতি, অর্থনীতি সব ক্ষেত্রেই প্রভাব ফেলে।
  • 📌 ‘পশুশিকার থেকে মানুষ ক্রমে কৃষিকাজ শিখেছে ক্ষুধাকে জয় করার জন্য’ — মৃত্যুর বিরুদ্ধে লড়াইয়ের অংশ হিসেবে মানুষের প্রজনন ও সৃষ্টিকর্ম।
  • 📌 ‘বৈশাখে রচিত পংক্তিমালা’ এবং ‘সমাধিকালের প্রসাধন’ বই দুটিতে অস্তিত্ব নিয়ে প্রশ্নের বৈচিত্র্যময়তা রয়েছে।

📰 বিস্তারিত

সৈয়দ শামসুল হক ‘সমাধিকালের প্রসাধন’ কাব্যগ্রন্থের সাক্ষাৎকারে বলেছেন, মানুষের অস্তিত্বের অনুভব হলো জীবনের অর্থ খুঁজে বের করা। তিনি বলেছেন, ‘আমরা এই পৃথিবীতে এসেছি এবং চলে যাব — এই দুটি আমরা সর্বাংশে মেনে নিয়ে একটা জীবন কাটিয়ে দিতে পারি। কিন্তু এই আসা-যাওয়ার ভেতরে যখন দেখি কেন আমি এলাম জানি না, তখন এই আসাটাকে আমি অর্থমণ্ডিত করতে চাই। কোনো অর্থ দিয়ে আসাটাকে কারণের ওপর প্রতিষ্ঠা করাটাই হলো অস্তিত্বের অনুভব।’

কবি বলেছেন, ‘জীবন এবং মৃত্যু নিয়ে অনেক কবিতা আছে। কবিতাগুলোতে একটা স্পষ্ট ধরা পড়বে — এই অস্তিত্বের কারণ সন্ধান এবং জীবনের শেষে নিজের মুখোমুখি দাঁড়ানো। একটা আকাঙ্ক্ষা আছে — আমি যে ছিলাম, আমি যেন একেবারে হারিয়ে না যাই।’ তিনি বলেছেন, ‘একটা গাছে হাওয়া এসে পড়ল, পাতারা নড়ে উঠল। হাওয়া এসে চলে যাওয়ার পরও পাতায় সেই কম্পন থেকে যায়। এই কম্পনটুকুই বোধ হয় মানুষের আকাঙ্ক্ষা — মানুষ নিজেকে ছাড়িয়ে বেঁচে থাকতে চায়।’

কবি বলেছেন, ‘আমি যা কিছুই লিখি তা প্রবল একটা চাপের মুখে — সেটা হলো আমার অস্তিত্বকে অনুভব করা। মৃত্যুর মুখোমুখি দাঁড় করানো নয়, আমাদের সব কাজই মৃত্যুকে জয় করার জন্য।’ তিনি বলেছেন, ‘মানুষের ক্ষুধা পেলে মানুষ খায় — এটা গুরুত্বপূর্ণ। অনাহার দীর্ঘতর হলে সে থাকবে না। কাজেই ক্ষুধা একটা প্রবল তাড়না; রাজনীতি, সমাজনীতি, অর্থনীতি সব ক্ষেত্রে এর প্রভাব আছে।’

"পশুশিকার থেকে মানুষ ক্রমে কৃষিকাজ শিখেছে ক্ষুধাকে জয় করার জন্য। নারী-পুরুষের যৌন সংসর্গও মৃত্যুর বিরুদ্ধে লড়াইয়ের অংশ — কারণ আমি প্রজনন করছি, আমার পরে থেকে যাবে আমার সন্তান। কাজেই মানুষের যা কিছু ধ্বংসপ্রাপ্ত নয় তার সবটাই মৃত্যুর মুখোমুখি দাঁড় করানো।"

📊 তথ্যের সারসংক্ষেপ

  • 📍 স্থান: সাক্ষাৎকার (অনলাইন)
  • 👥 খবরের মুখ্য ব্যক্তি: সৈয়দ শামসুল হক
  • 🔢 গুরুত্বপূর্ণ সংখ্যা: ০ (কোনো সংখ্যা উল্লেখ নেই)

📡 মূল নিউজ সোর্সসমূহ

এই প্রতিবেদনটি নিচের সংবাদমাধ্যমগুলোর তথ্যের ভিত্তিতে প্রস্তুত করা হয়েছে। মূল সংবাদ পড়তে নিচের লিংকে ক্লিক করুন:

📤 শেয়ার করুন: 📘 Facebook 💬 WhatsApp 𝕏 Twitter 💼 LinkedIn ✈️ Telegram

💬 মন্তব্য (0)

এখনো কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্য করুন!

মন্তব্য অনুমোদনের পর প্রকাশ করা হবে। ইমেইল প্রকাশিত হবে না।
🤖