📅 ১৮ অক্টোবর ২০২৬, ১:০০ অপরাহ্ণ এআই প্রযুক্তিতে যাচাই করা সর্বশেষ সঠিক বাংলা সংবাদ।
⚡ শেষ মুহূর্ত

বিজেএস জয়ী সাদলী-ফারিহা যুগল: প্রণয় থেকে পেশা পর্যন্ত একই রেলপথে

বিজেএস জয়ী সাদলী-ফারিহা যুগল: প্রণয় থেকে পেশা পর্যন্ত একই রেলপথে

📷 ছবি: Ajker Patrika

📡 নিউজ সোর্সগুলি:
🔗 আজকের পত্রিকা ↗ ⚠ একক সোর্স
ℹ️ এই প্রতিবেদনটি কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা (AI) দ্বারা একাধিক সংবাদমাধ্যমের তথ্যের ভিত্তিতে পুনর্লিখিত। মূল নিউজ সোর্সগুলি নিচে উল্লেখ করা হয়েছে।

📌 ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের আইন বিভাগের স্নাতক সাদলী আল জাদিদ ও ফারিহা মেহনাজ ১৭তম ও ১৮তম বিজেএসে যথাক্রমে তৃতীয় হয়ে সিভিল জজ ও সুপারিশপ্রাপ্ত হন। তাদের প্রণয় ও পেশাজীবনের গল্প তুলে ধরেছেন শাহ বিলিয়া জুলফিকার

ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের আইন বিভাগের ৪৬তম ব্যাচের সহপাঠী সাদলী আল জাদিদ ও ফারিহা মেহনাজের জীবন একটি অনন্য প্রণয় ও পেশাজীবনের গল্প। ১৭তম বিজেএসে তৃতীয় হয়ে সিভিল জজ পদে নিয়োগ পাওয়ার পর সাদলী লালমনিরহাটে পোস্টিং পান, যেখানে তিনি ফারিহার সঙ্গে সংসার গড়েন। অন্যদিকে, ১৮তম বিজেএসে তৃতীয় হয়ে ফারিহা সুপারিশপ্রাপ্ত হন সিভিল জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট পদে।

🔴 মূল পয়েন্ট

  • 📌 ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের আইন বিভাগের ৪৬তম ব্যাচের সাদলী (১১তম) ও ফারিহা (২০তম) ভর্তি পরীক্ষায় সফল হন
  • 📌 সাদলী ১৭তম বিজেএসে তৃতীয় হয়ে সিভিল জজ পদে নিয়োগ পান, ফারিহা ১৮তম বিজেএসে তৃতীয় হয়ে সুপারিশপ্রাপ্ত হন
  • 📌 ফারিহা সাদলীর মানসিক চাপ কাটিয়ে তোলেন, বিজেএস প্রস্তুতিতে তাঁর পাশে ছিলেন
  • 📌 ফারিহা বিদেশে পড়ার স্বপ্ন ছেড়ে দেন সাদলীর সঙ্গে জীবন কাটানোর সিদ্ধান্ত নেন
  • 📌 দুজনের জীবন ব্রুস লি-র ‘বি ওয়াটার মাই ফ্রেন্ড’ দর্শনের মতো ধীরলয়ে চলছে

📰 বিস্তারিত

সাদলী ও ফারিহার পরিচয় হয় ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের আইন বিভাগে ভর্তির পর। প্রথম বর্ষের শেষ দিকে তাদের সম্পর্ক প্রণয়ে রূপ নেয়। সাদলী তখন মানসিকভাবে বিপর্যস্ত ছিলেন—নতুন পরিবেশ, একাকিত্ব ও পড়ার চাপে তিনি ইয়ার ড্রপ করার কথাও ভেবেছিলেন। কিন্তু ফারিহা তাঁকে পড়ার জগতে ফিরিয়ে আনেন। করোনা মহামারীতে বিশ্ববিদ্যালয়ের স্বাভাবিক পরিবেশ ভেঙে পড়লে সাদলী গ্রামে ফিরে যান। ইন্টারনেটের দুর্বলতা সত্ত্বেও ফারিহা তাঁকে পড়ার পথে পরিচালনা করেন।

বিজেএস প্রস্তুতিতে সাদলী লালবাগে থাকতেন, ফারিহা পান্থপথ থেকে এসে তাঁর পাশে বসতেন। ফারিহা গুরুত্বপূর্ণ টপিকের নোট তৈরি করতেন, যা সাদলী অন্যদেরও শেয়ার করতেন। ফারিহার দীর্ঘদিনের স্বপ্ন ছিল বিদেশে পড়া, কিন্তু সাদলীর সঙ্গে জীবন কাটানোর সিদ্ধান্ত নেওয়ার পর তিনি সেই স্বপ্ন ছেড়ে দেন। সাদলী এই সিদ্ধান্তকে তাঁর জীবনের অন্যতম বড় ত্যাগ হিসেবে দেখেন।

বিজেএসের পর সাদলী লালমনিরহাটে পোস্টিং পান, যেখানে তিনি ফারিহার সঙ্গে সংসার গড়েন। ফারিহা নতুন শহরে মানিয়ে নেওয়ার চ্যালেঞ্জ সত্ত্বেও ধীরে ধীরে অভ্যস্ত হন। এখন ফারিহা নিজের স্বপ্নপূরণের লড়াইয়ে নেমেছেন—১৮তম বিজেএসে তৃতীয় হয়ে সুপারিশপ্রাপ্ত হন। দুজনের জীবন ব্রুস লি-র দর্শনের মতো ধীরলয়ে চলছে—ছুটির দিনে শহরের অলিগলিতে ঘোরা, নতুন খাবার পরীক্ষা করা, আর মনোরম জায়গায় সময় কাটানো।

"তিনি যা বুঝতেন না, ফারিহা নিজে পড়ে বুঝে আবার তাঁকে বোঝাতেন। শুধু কি তাই? গুরুত্বপূর্ণ টপিকের নোটও খাতায় তুলে দিতেন ফারিহা।"

📊 তথ্যের সারসংক্ষেপ

  • 📍 স্থান: ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়, লালমনিরহাট
  • 👥 খবরের মুখ্য ব্যক্তি: শেখ সাদলী আল জাদিদ, মালিক ফারিহা মেহনাজ
  • 🔢 গুরুত্বপূর্ণ সংখ্যা: ৪৬তম ব্যাচ, ১১তম স্থান, ২০তম স্থান, ১৭তম বিজেএস, ১৮তম বিজেএস

📡 মূল নিউজ সোর্সসমূহ

এই প্রতিবেদনটি নিচের সংবাদমাধ্যমগুলোর তথ্যের ভিত্তিতে প্রস্তুত করা হয়েছে। মূল সংবাদ পড়তে নিচের লিংকে ক্লিক করুন:

📤 শেয়ার করুন: 📘 Facebook 💬 WhatsApp 𝕏 Twitter 💼 LinkedIn ✈️ Telegram

💬 মন্তব্য (0)

এখনো কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্য করুন!

মন্তব্য অনুমোদনের পর প্রকাশ করা হবে। ইমেইল প্রকাশিত হবে না।
🤖