📌 মাদারীপুরের সাবরিন সুলতানা মিথি এসএসসি পরীক্ষায় ডেঙ্গু জ্বর নিয়ে অংশ নেন এবং জিপিএ-৫ পান। সংবর্ধনা অনুষ্ঠানে তিনি বলেন, 'বাবার সাহস আমাকে পরীক্ষায় যেতে সাহস দিয়েছিল'। প্রথম আলো ও শিখো প্ল্যাটফর্মের আয়োজনে ৬৪ জেলায় জিপিএ-৫ প্রাপ্ত শিক্ষার্থীদের সম্মানিত করা হচ্ছে
মাদারীপুরের সাবরিন সুলতানা মিথি এসএসসি পরীক্ষায় ডেঙ্গু জ্বর নিয়ে অংশ নেন এবং জিপিএ-৫ পান। মেয়েটি আজ শুক্রবার সংবর্ধনা অনুষ্ঠানে অংশ নেন এবং বলেন, 'এই ফল পাওয়ার পেছনে সবচেয়ে বড় প্রেরণা ছিল আমার বাবা। ডেঙ্গু জ্বর নিয়ে পরীক্ষায় যেতে পারব কি না, তা নিয়ে চিন্তা ছিল। কিন্তু মা-বাবা দুজনেই আমাকে সাহস দিয়েছেন।'
🔴 মূল পয়েন্ট
- 📌 মাদারীপুরের সাবরিন সুলতানা মিথি ডেঙ্গু জ্বর নিয়ে এসএসসি পরীক্ষায় অংশ নেন এবং জিপিএ-৫ পান
- 📌 মেয়েটি সংবর্ধনা অনুষ্ঠানে বলেন, 'বাবার সাহস আমাকে পরীক্ষায় যেতে সাহস দিয়েছিল'
- 📌 প্রথম আলো ও শিখো প্ল্যাটফর্মের আয়োজনে ৬৪ জেলায় জিপিএ-৫ প্রাপ্ত শিক্ষার্থীদের সম্মানিত করা হচ্ছে
- 📌 মাদারীপুরে অনুষ্ঠিত সংবর্ধনায় ৪০ কিলোমিটার দূর থেকে রেজাউল করিমের মতো অভিভাবকরা মেয়েদের নিয়ে এসেছেন
- 📌 অনুষ্ঠানে শিক্ষক ও বক্তারা শিক্ষার্থীদের সৎতা ও গুণগত শিক্ষার উপর জোর দেন
📰 বিস্তারিত
মাদারীপুরের সাবরিন সুলতানা মিথি এসএসসি পরীক্ষার দুই দিন আগে ডেঙ্গুতে আক্রান্ত হন। পরীক্ষায় অংশ নিতে পারবেন কি না, তা নিয়ে মা-বাবা দুশ্চিন্তায় পড়েছিলেন। কিন্তু শেষ পর্যন্ত জ্বর নিয়ে পরীক্ষা দেন এবং জিপিএ-৫ পান। আজ শুক্রবার মাদারীপুরে অনুষ্ঠিত 'শিখো-প্রথম আলো জিপিএ-৫ কৃতী শিক্ষার্থী সংবর্ধনা' অনুষ্ঠানে সাবরিন তার অভিজ্ঞতা শেয়ার করেন।
সাবরিনের বাবা গোলাম রসুল মেয়েকে সংবর্ধনা অনুষ্ঠানে নিয়ে এসেছিলেন। তিনি বলেন, 'মেয়েটি ডেঙ্গু জ্বর নিয়ে পরীক্ষায় অংশ নেওয়ার সিদ্ধান্ত নেয়ার সময় আমি তার পাশে ছিলাম। তার সাহস আমারই ছিল।'
প্রথম আলোর আয়োজনে ও শিক্ষার ডিজিটাল প্ল্যাটফর্ম 'শিখো'র পৃষ্ঠপোষকতায় আয়োজিত হচ্ছে জিপিএ-৫ প্রাপ্ত কৃতী শিক্ষার্থীদের ৬৪ জেলায় সংবর্ধনা। এই অনুষ্ঠানের মাদারীপুর পর্বে ৪০ কিলোমিটার দূর থেকে রেজাউল করিমের মতো অভিভাবকরা মেয়েদের নিয়ে এসেছেন। রেজাউল বলেন, 'প্রথম আলোর এই সংবর্ধনার কথা আগেই জানতাম। ইচ্ছে ছিল মেয়েকে নিয়ে এমন একটি অনুষ্ঠানে আসতে পারি। সেই ইচ্ছে আজ পূরণ হয়েছে।'
অনুষ্ঠানে শিক্ষার্থীদের উদ্দেশে কালকিনি সৈয়দ আবুল হোসেন কলেজের সহযোগী অধ্যাপক মজিবুর রহমান বলেন, 'এটা তোমাদের জীবনের প্রথম বড় সাফল্য। তবে এই সাফল্য ধরে রাখতে হলে তোমাদের আরও বেশি পরিশ্রম করতে হবে।'
সাবরিনের বন্ধু উম্মে হানি ও মিমি রহমান বলেন, 'আমরা ক্লাস ফোর থেকে একসঙ্গে পড়াশোনা করছি। এখনো কলেজে একসঙ্গেই। আবার একই সঙ্গে সংবর্ধনা নিতে পারছি। বিষয়টা খুব আনন্দের।'
"এই ফলের পেছনে সবচেয়ে বড় প্রেরণা আমার বাবা। ডেঙ্গু জ্বর নিয়ে পরীক্ষা দিতে পারব কি না, তা নিয়ে চিন্তা ছিল। মা-বাবা দুজনই আমাকে সাহস দিয়েছেন।"
📊 তথ্যের সারসংক্ষেপ
- 📍 স্থান: মাদারীপুর সদর উপজেলা পরিষদ মিলনায়তন প্রাঙ্গণ, মাদারীপুর
- 👥 খবরের মুখ্য ব্যক্তি: সাবরিন সুলতানা মিথি, গোলাম রসুল, মিমি রহমান, উম্মে হানি, রেজাউল করিম
- 🔢 গুরুত্বপূর্ণ সংখ্যা: ৬৪ জেলা, ৪০ কিলোমিটার, ১০ জন কুইজ বিজয়ী
💬 মন্তব্য (0)
এখনো কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্য করুন!