📌 ওয়েজ আর্নার্স কল্যাণ বোর্ড প্রবাসী কর্মীদের সন্তানদের জন্য শিক্ষাবৃত্তি প্রদানের বিজ্ঞপ্তি জারি করেছে। ২৫ অক্টোবর থেকে ২৪ নভেম্বর পর্যন্ত অনলাইনে আবেদন গ্রহণ করা হবে। এসএসসি, এইচএসসি ও ডিপ্লোমা উত্তীর্ণ শিক্ষার্থীরা যোগ্যতা পূরণ করলে আবেদন করতে পারবেন
ওয়েজ আর্নার্স কল্যাণ বোর্ড প্রবাসী কর্মীদের সন্তানদের জন্য শিক্ষাবৃত্তি প্রদানের বিজ্ঞপ্তি প্রকাশ করেছে। এই বৃত্তি পাবেন ২০২৬ সালের এসএসসি ও সমমান, ২০২৫ সালের এইচএসসি ও সমমান এবং ডিপ্লোমা-ইন-ইঞ্জিনিয়ারিং পরীক্ষায় উত্তীর্ণ শিক্ষার্থীরা। আবেদন শুরু হবে ২৫ অক্টোবর এবং শেষ হবে ২৪ নভেম্বর।
🔴 মূল পয়েন্ট
- 📌 ২৫ অক্টোবর থেকে শুরু হবে অনলাইন আবেদন, ২৪ নভেম্বর পর্যন্ত চলবে
- 📌 এসএসসি-২০২৬ বিজ্ঞান বিভাগের শিক্ষার্থীদের জন্য জিপিএ-৫.০০ (সাধারণ), ৪.০০ (প্রবাসে মৃত কর্মীর সন্তান)
- 📌 এইচএসসি-২০২৫ বিজ্ঞান বিভাগের শিক্ষার্থীদের জন্য জিপিএ-৪.৮০ (সাধারণ), ৪.০০ (প্রবাসে মৃত কর্মীর সন্তান)
- 📌 ডিপ্লোমা-ইন-ইঞ্জিনিয়ারিং-২০২৫ উত্তীর্ণদের জন্য জিপিএ-৩.২৫ (সাধারণ), ৩.০০ (প্রবাসে মৃত কর্মীর সন্তান)
- 📌 প্রবাসী কর্মীর পাসপোর্ট, বিএমইটি বহির্গমন ছাড়পত্র, শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের প্রত্যয়নপত্র, ব্যাংক হিসাব স্টেটমেন্ট এবং জন্মনিবন্ধন জমা দিতে হবে
- 📌 এসএসসি উত্তীর্ণদের বৃত্তি মেয়াদ ২ বছর (একাদশ থেকে দ্বাদশ শ্রেণি), ডিপ্লোমা-ইঞ্জিনিয়ারিং ৪ বছর, এইচএসসি উত্তীর্ণদের ডিগ্রি কোর্স ৩-৫ বছর
📰 বিস্তারিত
প্রবাসী কল্যাণ ও বৈদেশিক কর্মসংস্থান মন্ত্রণালয়ের অধীনস্থ ওয়েজ আর্নার্স কল্যাণ বোর্ডের বিজ্ঞপ্তি অনুযায়ী, ২০২৬ সালের এসএসসি ও সমমান পরীক্ষায় উত্তীর্ণ শিক্ষার্থীরা যদি দেশের কোনো শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে একাদশ শ্রেণি বা ডিপ্লোমা-ইন-ইঞ্জিনিয়ারিং কোর্সের প্রথম সেমিস্টারে অধ্যয়নরত হন, তাহলে তারা বৃত্তির জন্য আবেদন করতে পারবেন। অন্যদিকে, ২০২৫ সালের এইচএসসি ও সমমান পরীক্ষায় উত্তীর্ণ শিক্ষার্থীরা যদি বিশ্ববিদ্যালয় বা মেডিক্যাল কলেজের প্রথম সেমিস্টারে অধ্যয়নরত হন, বা ডিপ্লোমা-ইন-ইঞ্জিনিয়ারিং পাস করে বিএসসি ইন ইঞ্জিনিয়ারিংয়ে ভর্তি হন, তাহলে তাদেরও আবেদনের সুযোগ রয়েছে।
আবেদনের যোগ্যতা হিসেবে শিক্ষার্থীর পিতা বা মাতাকে বিএমইটির বহির্গমন ছাড়পত্র গ্রহণকারী অথবা ওয়েজ আর্নার্স কল্যাণ বোর্ডের সদস্য হতে হবে। একজন প্রবাসী কর্মীর সর্বোচ্চ দুই সন্তান এই বৃত্তির জন্য আবেদন করতে পারবেন। আবেদন প্রক্রিয়ায় শিক্ষার্থীদের পাসপোর্টের কপি, বিএমইটি বহির্গমন ছাড়পত্র বা সদস্যপদ প্রমাণ, শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের প্রত্যয়নপত্র, ব্যাংক হিসাবের স্টেটমেন্ট, ছবি, স্বাক্ষর এবং জাতীয় পরিচয়পত্রের কপি জমা দিতে হবে। প্রবাসে মৃত কর্মীর সন্তানদের ক্ষেত্রে বিদেশে বাংলাদেশ মিশন থেকে ইস্যু করা অনাপত্তিপত্র (এনওসি) জমা দিতে হবে।
বৃত্তির মেয়াদ নির্ধারণ করা হয়েছে শিক্ষার্থীদের অধ্যয়নের পর্যায় অনুযায়ী। এসএসসি উত্তীর্ণ শিক্ষার্থীদের জন্য বৃত্তি মেয়াদ দুই বছর (একাদশ থেকে দ্বাদশ শ্রেণি), ডিপ্লোমা-ইন-ইঞ্জিনিয়ারিং কোর্সে অধ্যয়নরত শিক্ষার্থীদের জন্য চার বছর, এইচএসসি উত্তীর্ণ শিক্ষার্থীদের ডিগ্রি কোর্সে তিন বছর এবং স্নাতক পর্যায়ে চার বছর। এমবিবিএস, বিডিএস, ডিভিএম, বি.আর্ক ইত্যাদি ক্ষেত্রে বৃত্তির মেয়াদ পাঁচ বছর। ডিপ্লোমা-ইন-ইঞ্জিনিয়ারিং উত্তীর্ণ শিক্ষার্থীদের বিএসসি-ইন-ইঞ্জিনিয়ারিং পর্যায়ে বৃত্তির মেয়াদ চার বছর নির্ধারণ করা হয়েছে।
"প্রবাসী কর্মীর পাসপোর্টে থাকা নামের সঙ্গে শিক্ষার্থীর সনদে উল্লিখিত পিতা বা মাতার নামের অমিল থাকলে আবেদন বাতিল হতে পারে। অসম্পূর্ণ আবেদন ও ভুল তথ্যসংবলিত আবেদনও বাতিল বলে গণ্য হবে।"
📊 তথ্যের সারসংক্ষেপ
- 📍 স্থান: বাংলাদেশ (অনলাইন আবেদন)
- 👥 খবরের মুখ্য ব্যক্তি: প্রবাসী কর্মীদের সন্তানরা (শিক্ষার্থীরা)
- 🔢 গুরুত্বপূর্ণ সংখ্যা: ২৫ অক্টোবর (আবেদন শুরু), ২৪ নভেম্বর (আবেদন শেষ), জিপিএ-৫.০০ (সাধারণ), জিপিএ-৪.০০ (প্রবাসে মৃত কর্মীর সন্তান)
💬 মন্তব্য (0)
এখনো কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্য করুন!