📌 রংপুরে সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের সহকারী শিক্ষক পদে চূড়ান্ত সুপারিশপ্রাপ্ত ৩৯৭ জন প্রার্থীর মধ্যে ৫৬ জন নিয়োগবঞ্চিত হয়ে অবস্থান কর্মসূচি শুরু করেছেন। তারা দাবি করে, মেধার ভিত্তিতে সুপারিশপ্রাপ্ত হওয়ায় ১ অক্টোবর থেকে নিয়োগ পেতে হবে
রংপুর জেলায় সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের সহকারী শিক্ষক পদে চূড়ান্তভাবে সুপারিশপ্রাপ্ত ৫৬ জন প্রার্থী নিয়োগবঞ্চিত হয়ে জেলা প্রাথমিক শিক্ষা অফিসের সামনে অবস্থান কর্মসূচি শুরু করেছেন। আজ শনিবার বিকেল থেকে কর্মসূচি শুরু হওয়ার পর প্রার্থীরা দাবি জানাচ্ছেন, তাদের মেধার ভিত্তিতে সুপারিশপ্রাপ্ত হওয়ায় ১ অক্টোবর থেকে নিয়োগ পেতে হবে।
🔴 মূল পয়েন্ট
- 📌 রংপুরে সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের সহকারী শিক্ষক পদে ৩৯৭ জন প্রার্থী চূড়ান্ত সুপারিশপ্রাপ্ত, এর মধ্যে ৫৬ জন নিয়োগবঞ্চিত
- 📌 ৩৩৩ জন প্রার্থী নিয়োগপত্র পেয়েছেন, বাকি ৫৬ জন পুলিশ ভেরিফিকেশন ও অন্যান্য কারণে বাদ পড়েছেন
- 📌 বাদ পড়া প্রার্থীরা দাবি করেন, তারা মেধার ভিত্তিতে সুপারিশপ্রাপ্ত হওয়ায় ১ অক্টোবর থেকে নিয়োগ পেতে হবে
- 📌 বেগম রোকেয়া বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থী জ্যোতিশ মহন্ত বলেছেন, ‘আমার বিরুদ্ধে কোনো ফৌজদারি মামলা নেই, তবু নিয়োগবঞ্চিত হচ্ছি’
- 📌 চন্দন কুমার রায় বলেছেন, ‘আমরা পাবলিক বিশ্ববিদ্যালয় থেকে পড়াশোনা করেছেন, রাজনীতির সঙ্গে জড়িত নই, তাহলে কেন বাদ পড়লাম?’
📰 বিস্তারিত
রংপুর জেলা প্রাথমিক শিক্ষা অফিসের সূত্রে জানা যায়, এবারের সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের সহকারী শিক্ষক নিয়োগে রংপুর জেলায় মোট ৩৯৭ জন প্রার্থী চূড়ান্তভাবে সুপারিশপ্রাপ্ত হয়েছিলেন। এর মধ্যে নির্ধারিত সময়ে কাগজপত্র জমা না দেওয়ায় আটজন বাদ পড়েন। ৩৩৩ জনকে নিয়োগপত্র দেওয়া হয়েছে। তবে পুলিশ ভেরিফিকেশনসহ অন্যান্য কারণে আরও ৫৬ জন প্রার্থী নিয়োগ থেকে বাদ পড়েছেন।
বাদ পড়া প্রার্থীরা দাবি করেন, তারা চূড়ান্তভাবে সুপারিশপ্রাপ্ত হওয়ার পর নিয়োগপত্র পাওয়ার অপেক্ষায় ছিলেন। তাদের মধ্যে কেউ অন্য চাকরি ছেড়েছেন, আবার কেউ সরকারি চাকরির প্রস্তুতির জন্য অন্য কাজ থেকে সরে এসেছেন। কিন্তু নিয়োগপত্র পাওয়ার পরিবর্তে বাদ পড়ায় তারা অনিশ্চয়তার মধ্যে পড়েছেন। তারা জানতে চান, কী কারণে তাদের বাদ দেওয়া হয়েছে।
বেগম রোকেয়া বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থী জ্যোতিশ মহন্ত বলেন, ‘আমি এনটিআরসিএ নিবন্ধনের মাধ্যমে একটি বেসরকারি উচ্চবিদ্যালয়ে চাকরি করেছিলাম। সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের জন্য চূড়ান্তভাবে সুপারিশপ্রাপ্ত হওয়ায় সেখানে যোগদান করিনি। আমি ও আমার পরিবার কোনো রাজনীতি করি না। আমার বিরুদ্ধে কোনো ফৌজদারি মামলাও নেই। তারপরও এখন নিয়োগবঞ্চিত হয়েছি। আমার বাবা দিনমজুর। মানুষের খেতে কাজ করে সংসার চালান। এখন আমি কী করব, বাবা-মাকে কী বলব—এটা বুঝতে পারছি না।’
আরেকজন বাদ পড়া প্রার্থী চন্দন কুমার রায় বলেন, ‘এখানে যাঁরা আছেন, তাঁদের অধিকাংশই পাবলিক বিশ্ববিদ্যালয় থেকে পড়াশোনা করেছেন। কারও বিরুদ্ধে ফৌজদারি মামলা নেই, রাজনীতির সঙ্গেও জড়িত নই। আমাদের কাগজপত্রও ঠিক আছে। তাহলে কেন বাদ দেওয়া হলো? আমরা মেধার ভিত্তিতে সুপারিশপ্রাপ্ত হয়েছি। আমরা চাই, ১ অক্টোবর অন্যদের সঙ্গে আমরাও যোগদান করতে পারি।’
প্রার্থীদের দাবি পূরণ না হলে তারা ধারাবাহিক কর্মসূচি পালনের হুঁশিয়ারি দিয়েছেন। তবে রংপুর জেলা প্রাথমিক শিক্ষা কর্মকর্তা এ এম শাহজাহান সিদ্দিকের মুঠোফোনে একাধিকবার কল করা হলেও নম্বরটি বন্ধ পাওয়া যায়।
"আমার বিরুদ্ধে কোনো ফৌজদারি মামলা নেই, তবু নিয়োগবঞ্চিত হচ্ছি"
📊 তথ্যের সারসংক্ষেপ
- 📍 স্থান: রংপুর জেলা প্রাথমিক শিক্ষা অফিস
- 👥 খবরের মুখ্য ব্যক্তি: জ্যোতিশ মহন্ত, চন্দন কুমার রায়, বাদ পড়া ৫৬ জন প্রার্থী
- 🔢 গুরুত্বপূর্ণ সংখ্যা: ৩৯৭ জন সুপারিশপ্রাপ্ত, ৩৩৩ জন নিয়োগপত্র পেয়েছেন, ৫৬ জন বাদ পড়েছেন
💬 মন্তব্য (0)
এখনো কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্য করুন!