📌 পদ বাণিজ্য ও নৈতিক অনিয়মে অভিযুক্ত রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয় কেন্দ্রীয় ছাত্র সংসদের (রাকসু) জিএস সালাউদ্দিন আম্মারকে শিবির থেকে বহিষ্কার করা হয়েছে। ২০২৫ সালের অভিযোগের পর ২০২৬ সালের জুলাই মাসে সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়
রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয় কেন্দ্রীয় ছাত্র সংসদের (রাকসু) সাধারণ সম্পাদক (জিএস) সালাউদ্দিন আম্মারকে পদ বাণিজ্য ও নৈতিক অনিয়মে অভিযুক্ত করে শিবির থেকে বহিষ্কার করা হয়েছে। রাবি শাখা ছাত্রশিবিরের সাধারণ সম্পাদক হাফেজ মেহেদী হাসান নিশ্চিত করেছেন এই ঘটনা।
🔴 মূল পয়েন্ট
- 📌 ২০২৫ সালের ফেব্রুয়ারি ও সেপ্টেম্বর মাসে রাকসু শাখা ছাত্রশিবিরের মাসিক সেক্রেটারিয়েট সভায় সালাউদ্দিন আম্মারের বিরুদ্ধে নৈতিক পদস্খলন, অর্থনৈতিক অনিয়ম ও সংগঠন বিরোধী কর্মকাণ্ডের অভিযোগ উঠে।
- 📌 ৩১ জুলাই ২০২৬ তারিখে শিবিরের সভাপতি মুজাহিদ ফয়সালের দেওয়া চিঠিতে সালাউদ্দিন আম্মারের বিরুদ্ধে পদ বাণিজ্য, মেয়েদের সঙ্গে অবাধ বিচরণ, অবৈধ অর্থনৈতিক লেনদেন ও ফৌজদারি অপরাধের অভিযোগ উল্লেখ করা হয়েছে।
- 📌 ২০২৫ সালের ৪ ফেব্রুয়ারি তৎকালীন শিবির সভাপতি মুস্তাকুর রহমান জাহিদের স্বাক্ষরিত চিঠিতে বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনের রাজশাহী কমিটিতে অর্থের বিনিময়ে পদ দেওয়ার অভিযোগ উঠে।
- 📌 ২০২৫ সালের ৩ ফেব্রুয়ারি মাসিক সেক্রেটারিয়েট সভায় সালাউদ্দিন আম্মারের বিরুদ্ধে অভিযোগগুলো বিস্তারিত আলোচনা করা হয় এবং সাংগঠনিক শৃঙ্খলা ভঙ্গের দায়ে তার সাথীপদ মূলতবি করার সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়।
- 📌 ‘আধিপত্যবিরোধী ঐক্য’ প্যানেল থেকে জিএস নির্বাচিত সালাউদ্দিন আম্মারকে শিবিরের সাথীপদ বাতিলের তথ্য প্রকাশের পর সংগঠনের নেতাকর্মীদের মধ্যে আবারও আলোচনা শুরু হয়েছে।
📰 বিস্তারিত
রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয় কেন্দ্রীয় ছাত্র সংসদের (রাকসু) সাধারণ সম্পাদক (জিএস) সালাউদ্দিন আম্মারকে শিবির থেকে বহিষ্কার করা হয়েছে। রাবি শাখা ছাত্রশিবিরের সাধারণ সম্পাদক হাফেজ মেহেদী হাসান জানান, ঘটনাটি ২০২৫ সালের। সালাউদ্দিন আম্মারের বিরুদ্ধে নৈতিক পদস্খলন, মৌলিক ইবাদত পালনে উদাসীনতা, মেয়েদের সঙ্গে অবাধ বিচরণ, অবৈধ অর্থনৈতিক লেনদেন ও সংগঠনের লক্ষ্য ও উদ্দেশ্যবিরোধী কর্মকাণ্ডের অভিযোগ উঠে।
৩১ জুলাই ২০২৬ তারিখে শিবিরের সভাপতি মুজাহিদ ফয়সালের দেওয়া একটি চিঠিতে সালাউদ্দিন আম্মারের বিরুদ্ধে সাংগঠনিক অভিযোগের কথা উল্লেখ করা হয়েছে। চিঠিতে বলা হয়েছে, সালাউদ্দিন আম্মারের কর্মকাণ্ড এবং ক্ষেত্রবিশেষে ফৌজদারি অপরাধে জড়িত হওয়ার কারণে ক্যাম্পাসে অস্থিতিশীল পরিস্থিতি তৈরি হচ্ছে। তার উসকানিমূলক কর্মকাণ্ড ক্যাম্পাসকে সংঘাতের দিকে ঠেলে দিতে পারে বলে উল্লেখ করা হয়েছে।
২০২৫ সালের ৪ ফেব্রুয়ারি তৎকালীন শিবির সভাপতি মুস্তাকুর রহমান জাহিদের স্বাক্ষরিত একটি চিঠিতে সালাউদ্দিন আম্মারের বিরুদ্ধে পদ বাণিজ্য ও নৈতিক অনিয়মের অভিযোগ উঠে। চিঠিতে বলা হয়েছে, বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনের রাজশাহী মহানগর ও জেলা কমিটিতে অর্থের বিনিময়ে পদ দেওয়ার অভিযোগ গণমাধ্যমে প্রকাশিত প্রতিবেদনের মাধ্যমে সংগঠনের নজরে আসে।
সালাউদ্দিন আম্মার ‘আধিপত্যবিরোধী ঐক্য’ প্যানেল থেকে জিএস নির্বাচিত হন। ওই প্যানেলের ভিপি প্রার্থী মেহেদী সজীব পরে রাবি শাখা ছাত্রশিবিরের প্রচার ও মিডিয়া সম্পাদক হিসেবে আত্মপ্রকাশ করেন। সালাউদ্দিন আম্মারের শিবিরের সাথীপদ বাতিলের তথ্য প্রকাশের পর সংগঠনের নেতাকর্মীদের মধ্যে আবারও আলোচনা শুরু হয়েছে। তবে সালাউদ্দিন আম্মারের সঙ্গে যোগাযোগের চেষ্টা করা হলেও তার কোনো বক্তব্য পাওয়া যায়নি।
"নৈতিক পদস্খলন, মৌলিক ইবাদত পালনে উদাসীনতা, মেয়েদের সঙ্গে অবাধ বিচরণ, অবৈধ অর্থনৈতিক লেনদেন ও সংগঠনের লক্ষ্য ও উদ্দেশ্যবিরোধী কর্মকাণ্ডে জড়িত থাকার অভিযোগে সালাউদ্দিন আম্মারের সাথীপদ বাতিলের সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে।"
📊 তথ্যের সারসংক্ষেপ
- 📍 স্থান: রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়, রাজশাহী মহানগর
- 👥 খবরের মুখ্য ব্যক্তি: সালাউদ্দিন আম্মার (রাকসু জিএস), হাফেজ মেহেদী হাসান (শিবির জিএস), মুজাহিদ ফয়সাল (শিবির সভাপতি), মুস্তাকুর রহমান জাহিদ (তৎকালীন শিবির সভাপতি)
- 🔢 গুরুত্বপূর্ণ সংখ্যা: ৩১ জুলাই ২০২৬, ৪ ফেব্রুয়ারি ২০২৫, ৩ ফেব্রুয়ারি ২০২৫
💬 মন্তব্য (0)
এখনো কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্য করুন!