📅 ৩০ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ১০:৫০ অপরাহ্ণ এআই প্রযুক্তিতে যাচাই করা সর্বশেষ সঠিক বাংলা সংবাদ।
⚡ শেষ মুহূর্ত

রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়ের ছাত্রশিবিরের ‘সাথী’ পদ হারান সালাউদ্দিন আম্মার: পদবাণিজ্য ও নৈতিক অপরাধের অভিযোগে সিদ্ধান্ত

রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়ের ছাত্রশিবিরের ‘সাথী’ পদ হারান সালাউদ্দিন আম্মার: পদবাণিজ্য ও নৈতিক অপরাধের অভিযোগে সিদ্ধান্ত

📷 ছবি: Bangladesh Times

📡 নিউজ সোর্সগুলি:
🔗 বাংলাদেশ টাইমস ↗ ⚠ একক সোর্স
ℹ️ এই প্রতিবেদনটি কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা (AI) দ্বারা একাধিক সংবাদমাধ্যমের তথ্যের ভিত্তিতে পুনর্লিখিত। মূল নিউজ সোর্সগুলি নিচে উল্লেখ করা হয়েছে।

📌 পদবাণিজ্য ও নৈতিক অপরাধের অভিযোগে রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয় কেন্দ্রীয় ছাত্র সংসদের (রাকসু) সাধারণ সম্পাদক সালাউদ্দিন আম্মার ছাত্রশিবিরের ‘সাথী’ পদ হারিয়েছেন। সংগঠনের সভাপতি মুজাহিদ ফয়সালের স্বাক্ষরিত চিঠিতে এই সিদ্ধান্তের কারণ উল্লেখ করা হয়েছে

রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয় কেন্দ্রীয় ছাত্র সংসদ (রাকসু) এর সাধারণ সম্পাদক সালাউদ্দিন আম্মার পদবাণিজ্য ও নৈতিক অপরাধের অভিযোগে ছাত্রশিবিরের ‘সাথী’ পদ হারিয়েছেন। এই সিদ্ধান্তটি নেওয়া হয়েছে ২০২৫ সালের ফেব্রুয়ারি মাস থেকে চলমান অভিযোগের ভিত্তিতে।

🔴 মূল পয়েন্ট

  • 📌 সালাউদ্দিন আম্মার রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয় কেন্দ্রীয় ছাত্র সংসদের (রাকসু) সাধারণ সম্পাদক হিসেবে পদবাণিজ্য ও নৈতিক অপরাধের অভিযোগে ‘সাথী’ পদ হারিয়েছেন।
  • 📌 মুজাহিদ ফয়সালের স্বাক্ষরিত ৩১ জুলাই ২০২৬ তারিখের একটি চিঠিতে এই সিদ্ধান্তের কারণ উল্লেখ করা হয়েছে, যেখানে উল্লেখ করা হয়েছে নৈতিক পদস্খলন, মৌলিক ইবাদতের অবহেলা, মেয়েদের সঙ্গে অবাধ বিচরণ, অর্থনৈতিক অপরাধ এবং সংগঠনের লক্ষ্য-উদ্দেশ্য পরিপন্থি কর্মকাণ্ডের অভিযোগ।
  • 📌 ২০২৫ সালের ফেব্রুয়ারি মাসিক সেক্রেটারিয়েট বৈঠকে সালাউদ্দিন আম্মারের ‘সাথী’ পদ মুলতবি করা হয়, কিন্তু পরবর্তীতে সেপ্টেম্বর ২০২৫-এ পদ বাতিলের সিদ্ধান্ত নেয়া হয়।
  • 📌 মেহেদী হাসান বলেছেন, ঘটনাটি ২০২৫ সালের এবং তার ‘সাথী’ পদ বাতিলের সিদ্ধান্তটি নেওয়া হয়েছে অভিযোগের যথাযথ জবাব না দেওয়ার কারণে।
  • 📌 রাকসু জিএস সালাউদ্দিন আম্মারের সঙ্গে যোগাযোগের চেষ্টা করা হলেও তার কোনো বক্তব্য পাওয়া যায়নি।

📰 বিস্তারিত

বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনের রাজশাহী মহানগর ও জেলা কমিটিতে অর্থের বিনিময়ে পদ দেওয়ার অভিযোগসহ বিভিন্ন সাংগঠনিক অনিয়মের অভিযোগে সালাউদ্দিন আম্মার ছাত্রশিবিরের ‘সাথী’ পদ হারিয়েছেন। বুধবার (৩০ সেপ্টেম্বর, ২০২৬) সন্ধ্যায় এই বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন শাখা শিবিরের সাধারণ সম্পাদক মেহেদী হাসান।

মুজাহিদ ফয়সালের স্বাক্ষরিত চলতি বছরের ৩১ জুলাইয়ের একটি চিঠিতে বলা হয়েছে, নৈতিক পদস্খলন, মৌলিক ইবাদত পালনে উদাসীনতা, মেয়েদের সঙ্গে অবাধ বিচরণ, অবৈধ অর্থনৈতিক লেনদেন ও সম্পদের তছরুপ এবং সংগঠনের লক্ষ্য-উদ্দেশ্য পরিপন্থি কাজে জড়িত থাকার অভিযোগে ২০২৫ সালের ফেব্রুয়ারি মাসিক সেক্রেটারিয়েট বৈঠকে সালাউদ্দিন আম্মারের ‘সাথী’ পদ মুলতবি করার সিদ্ধান্ত হয়।

উত্থাপিত অভিযোগের যথাযথ জবাব না দিতে ব্যর্থ হওয়ায় সেপ্টেম্বর ২০২৫-এর মাসিক সেক্রেটারিয়েট বৈঠকে তার ‘সাথী’ পদ বাতিলের সিদ্ধান্ত গৃহীত হয়। চিঠিতে আরও উল্লেখ করা হয়েছে, আম্মারের কর্মকাণ্ড এবং ক্ষেত্রবিশেষে ফৌজদারি অপরাধে জড়িত হওয়ার কারণে ক্যাম্পাসে অস্থিতিশীল পরিস্থিতি তৈরি হচ্ছে। তার ‘উসকানিমূলক কর্মকাণ্ড’ ক্যাম্পাসকে সংঘাতের দিকে ঠেলে দিতে পারে।

এছাড়াও, ২০২৫ সালের ৪ ফেব্রুয়ারি শিবিরের তৎকালীন সভাপতি ও বর্তমান রাকসু সহ-সভাপতি (ভিপি) মুস্তাকুর রহমান জাহিদের স্বাক্ষরিত একটি চিঠিতেও সালাউদ্দিন আম্মারের বিরুদ্ধে অভিযোগের কথা উল্লেখ করা হয়েছে। ওই চিঠিতে বলা হয়েছে, বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনের রাজশাহী মহানগর ও জেলা কমিটিতে অর্থের বিনিময়ে পদ বাণিজ্যের অভিযোগ আম্মারের বিরুদ্ধে ওঠে।

"অভিযোগগুলোর বিষয়ে রাকসু জিএস সালাউদ্দিন আম্মারের সঙ্গে একাধিকবার যোগাযোগের চেষ্টা করা হলেও তার বক্তব্য পাওয়া যায়নি।"

📊 তথ্যের সারসংক্ষেপ

  • 📍 স্থান: রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়, রাজশাহী মহানগর
  • 👥 খবরের মুখ্য ব্যক্তি: সালাউদ্দিন আম্মার (রাকসু জিএস), মুজাহিদ ফয়সাল (শিবির সভাপতি), মেহেদী হাসান (শিবির সাধারণ সম্পাদক), মুস্তাকুর রহমান জাহিদ (রাকসু সহ-সভাপতি)
  • 🔢 গুরুত্বপূর্ণ সংখ্যা: ৩০ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ৩১ জুলাই ২০২৬, ৪ ফেব্রুয়ারি ২০২৫, ৩ ফেব্রুয়ারি ২০২৫

📡 মূল নিউজ সোর্সসমূহ

এই প্রতিবেদনটি নিচের সংবাদমাধ্যমগুলোর তথ্যের ভিত্তিতে প্রস্তুত করা হয়েছে। মূল সংবাদ পড়তে নিচের লিংকে ক্লিক করুন:

📤 শেয়ার করুন: 📘 Facebook 💬 WhatsApp 𝕏 Twitter 💼 LinkedIn ✈️ Telegram

💬 মন্তব্য (0)

এখনো কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্য করুন!

মন্তব্য অনুমোদনের পর প্রকাশ করা হবে। ইমেইল প্রকাশিত হবে না।
🤖