📌 রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়ের ইসলামী ছাত্রশিবিরের জিএস সালাহউদ্দিন আম্মার ফেসবুক পোস্টে শিবিরের ‘মিথ্যাকে সত্য’ করার অভিযোগ তুলেছেন। তিনি নারী-চাদাবাজি ও পদব্যবসায়ের অভিযোগের বিরুদ্ধে প্রমাণের দাবি জানিয়ে শিবিরের পলিসি ও নারীদের প্রতি আচরণ নিয়ে সমালোচনা করেছেন
রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়ের ইসলামী ছাত্রশিবিরের সাবেক সাথী পদধারী সালাহউদ্দিন আম্মার শিবিরের ‘মিথ্যাকে সত্য’ করার কৌশল ও নারী-চাদাবাজি অভিযোগের বিরুদ্ধে তীব্র প্রতিবাদ জানিয়েছেন। বুধবার (৩০ সেপ্টেম্বর) রাতে তার ফেসবুক পোস্টে তিনি শিবিরের অভিযোগের পদ্ধতি ও নারীদের প্রতি আচরণ নিয়ে সমালোচনা করেছেন।
🔴 মূল পয়েন্ট
- 📌 সালাহউদ্দিন আম্মার বলেছেন, শিবিরের ‘ভয়াবহ গুন’ হলো মিথ্যাকে সত্য বানানো আর সত্যকে মিথ্যা করা।
- 📌 তিনি দাবি করেছেন, শিবিরের সদস্যরা নারী-চাদাবাজি ও পদব্যবসায়ের অভিযোগে এলিগেশন দিতে পারলেও প্রমাণের দাবি করা অসম্ভব।
- 📌 আম্মার বলেছেন, ‘৭৬ লাখ টাকা চাদাবাজির’ অভিযোগের পিছনে ছিলো প্রশাসনের সাথে যোগাযোগের চেষ্টা, যা শিবিরের সদস্যরা ‘চাদা চেয়ে চিঠি দেয়ার’ অভিযোগে পরিণত করে।
- 📌 তিনি উল্লেখ করেছেন, শিবিরের সদস্যরা ‘আম্বুলেন্স হাইজ্যাক’ অভিযোগের মাধ্যমে ২৫ সেপ্টেম্বর তার বহিস্কারের ন্যারেটিভ তৈরি করছে।
- 📌 সালাহউদ্দিন আম্মার দাবি করেছেন, শিবিরের সদস্যরা ‘গুপ্ত আলাপ’ দিতে ভয় পায়, কিন্তু নিজেদের ‘অফিসিয়াল গান’ গেয়ে আসছে।
- 📌 তিনি বলেছেন, শিবিরের সদস্যরা ‘ডানপন্থী সংস্কৃতি’ চর্চা করে, কিন্তু নিজেদের ‘পেপার সামনে আনতে’ পারেনি।
- 📌 সালাহউদ্দিন আম্মার জানান, শিবিরের সদস্যরা ‘শতভাগ সত্য’ অভিযোগের পিছনে প্রমাণ আনতে পারেনি।
📰 বিস্তারিত
রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়ের ইসলামী ছাত্রশিবিরের সাবেক সাথী পদধারী সালাহউদ্দিন আম্মার শিবিরের অভিযোগের পদ্ধতি নিয়ে তীব্র সমালোচনা করেছেন। তার ফেসবুক পোস্টে তিনি বলেছেন, শিবিরের সদস্যরা মিথ্যাকে সত্য বানিয়ে সত্যকে মিথ্যা করে দিতে পারেন। তিনি বলেন, “আপনাকে বলবে আপনি নারীর সাথে অবাধ মেলামেশা করেছেন, চাঁদাবাজি করেছেন, অর্থের বিনিময়ে পদ দিয়েছেন। এখন সমস্যা হলো ওরা এলিগেশন দিবে আর বলবে এবার প্রমান করো তুমি এটা করো নাই। আচ্ছা আমি যেটা করিনাই সেটার প্রমান আমি কিভাবে দিব?”
আম্মার নারী-চাদাবাজি অভিযোগের বিরুদ্ধে বলেছেন, “আমি আমার ক্যাম্পাস লাইফে কোনো বোনের সাথে এমন কোনো আচারণ করেছি বলে মনে হয়না যেটা ভাইয়ের থেকে অন্যকিছু মিন করবে। ইভেন আমি রাকসুতে আসা অনেক জুনিয়রদের তুই করে কথা বলি। আমার চরিত্র নিয়ে অন্তত আলাপ দিয়েন না কারন আপনাদের একজন শাখা দায়িত্বশীল আছে যে দীর্ঘদিন প্রেম করে পরে বিয়ে করছে। হাসপাতালে দেখতে গেছিলাম, গিয়ে দেখি তার গার্লফ্রেন্ড তার বুকে হাত বুলাইয়া দিতেছে। সুতরাং শিবির নারী কেলেংকারীর জন্য বহিস্কার করেনা এটা ক্লিয়ার।”
৭৬ লাখ টাকা চাদাবাজির অভিযোগ নিয়ে তিনি বলেন, “সারাদেশে আমাকে নিয়ে একবার মিডিয়া ট্রায়াল হয়েছিলো। জুলাই নিয়ে একটা কনসার্ট করতে প্রশাসনকে এপ্রোচ করছিলাম। ততকালীন ভিসি স্যার বলেছিলেন এতো টাকা দিয়ে আমাদের আয়োজন করা সম্ভব না। তোমরা যদি চাও আমি রেকমেন্ড করে দিতে পারি সেটা নিয়ে বিভিন্ন কোম্পানির সাথে কথা বলতে পারো। আমি তখনও এতো পরিচিত ছিলাম না। বিভিন্ন ব্যাংক, বিভিন্ন কোম্পানির কাছে এই প্রপোজাল লেটারটা নিয়ে যাই। এটা বাইরে এনে একদল সোনার ছেলে ছড়ায় যে আমি চাদা চেয়ে চিঠি দিছি। এই গর্দভদের আইডিয়াও নাই যে চাঁদা চেয়ে কেউ চিঠি দেয় কিভাবে?”
পদব্যবসায়ের অভিযোগের বিরুদ্ধে তিনি বলেন, “বৈষম্য বিরোধী ছাত্র আন্দোলন যখন জায়গায় জায়গায় কমিটি দিচ্ছিলো তখন রাজশাহীর স্থানীয় শিক্ষার্থীরা একটা কমিটি নিয়ে আসে। তাদের এজ ইউজুয়াল ধারনা হলো আমার কেন্দ্রীয় মানুষজনের সাথে ভালো সম্পর্ক এজন্য আমি এই রাজশাহীর কমিটি এনে দিছি। বাস্তবতা হলো আমি তাদের এই কমিটির আগে পিছে কোথাও ছিলাম না। এখন তারা ন্যারেটিভ তৈরী করে সেটা প্রতিষ্ঠিত করার ফুল পিআর পলিসি তাদের আছে। আজকেরটাই চিন্তা করেন— কথা শুরু হইছে এ্যাম্বুলেন্স হাইজ্যাক নিয়ে তারা ঘুরাইয়া কবে ২৫ এ আমাকে বহিস্কার করছিলো সেটা স্ট্যাবলিশ করতেছে।”
"আমি একাধিকবার প্রত্যেক পডকাস্টে বলছি, আপনি আমাকে হাজারবার শিবির বলতে পারেন কারন আমি শিবিরের ক্রাইটেরিয়াতে পড়ে যাবো ডানপন্থী সংস্কৃতি চর্চার কারনে। এই ডানপন্থী আর কে আছে? আমি কলরবের সাথেও কাজ করছি। তারা যে পেপার সামনে আনতেছে এটা তাদের নিজেদের হতেই, তারা চাইলে এটা বানাতে পারেই। আমি তাদেরকে কতোটুকু গুরুত্ব দিতেছি এটাই ফ্যাক্ট।"
📊 তথ্যের সারসংক্ষেপ
- 📍 স্থান: রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়, রাজশাহী
- 👥 খবরের মুখ্য ব্যক্তি: সালাহউদ্দিন আম্মার (রাকসু জিএস)
- 🔢 গুরুত্বপূর্ণ সংখ্যা: ৩০ সেপ্টেম্বর, ৭৬ লাখ টাকা, ২৫ সেপ্টেম্বর
💬 মন্তব্য (0)
এখনো কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্য করুন!