📅 ২৪ আগস্ট ২০২৬, ৯:১৮ অপরাহ্ণ এআই প্রযুক্তিতে যাচাই করা সর্বশেষ সঠিক বাংলা সংবাদ।
⚡ শেষ মুহূর্ত

রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রিয় কৃষ্ণচূড়া ভেঙে পড়ায় শিক্ষার্থীদের শোক

রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রিয় কৃষ্ণচূড়া ভেঙে পড়ায় শিক্ষার্থীদের শোক

📷 ছবি: প্রথম আলো

📡 নিউজ সোর্সগুলি:
🔗 প্রথম আলো ↗ ⚠ একক সোর্স
ℹ️ এই প্রতিবেদনটি কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা (AI) দ্বারা একাধিক সংবাদমাধ্যমের তথ্যের ভিত্তিতে পুনর্লিখিত। মূল নিউজ সোর্সগুলি নিচে উল্লেখ করা হয়েছে।

📌 রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়ের সত্যেন্দ্রনাথ বসু একাডেমিক ভবনের সামনে থাকা শতবর্ষী কৃষ্ণচূড়া গাছটি ভেঙে পড়ায় শিক্ষার্থী-শিক্ষকদের মধ্যে শোকের ছায়া নেমে এসেছে। গাছটির সঙ্গে জড়িয়ে ছিল বহু স্মৃতি ও আবেগ

রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়ের সত্যেন্দ্রনাথ বসু একাডেমিক ভবনের সামনে থাকা শতবর্ষী কৃষ্ণচূড়া গাছটি ভেঙে পড়ায় বিশ্ববিদ্যালয় প্রাঙ্গণে শোকের পরিবেশ বিরাজ করছে। গাছটির সঙ্গে বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থী-শিক্ষকদের বহু স্মৃতি জড়িয়ে ছিল। সোমবার সকালে গাছটি ভেঙে পড়ার খবর প্রকাশিত হওয়ার পর সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে নিজেদের তোলা ছবি প্রকাশ করে গাছটির সঙ্গে ব্যক্তিগত স্মৃতিচারণা শুরু করেন শিক্ষার্থীরা।

🔴 মূল পয়েন্ট

  • 📌 রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়ের সত্যেন্দ্রনাথ বসু একাডেমিক ভবনের সামনে শতবর্ষী কৃষ্ণচূড়া গাছটি ভেঙে পড়েছে
  • 📌 গাছটির সঙ্গে বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থী-শিক্ষকদের বহু স্মৃতি ও আবেগ জড়িয়ে ছিল
  • 📌 উদ্ভিদবিদ্যা বিভাগের অধ্যাপক এ এইচ এম মাহবুবুর রহমান জানান, গাছটির মূল কাণ্ডে পোকামাকড়ের আক্রমণ ও পানি জমে পচন ধরেছিল
  • 📌 শিক্ষার্থীরা সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে গাছটির সঙ্গে নিজেদের স্মৃতিচারণা প্রকাশ করেছেন

📰 বিস্তারিত

রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়ের সত্যেন্দ্রনাথ বসু একাডেমিক ভবনের সামনে থাকা শতবর্ষী কৃষ্ণচূড়া গাছটি সোমবার ভেঙে পড়ায় বিশ্ববিদ্যালয় প্রাঙ্গণে শোকের ছায়া নেমে এসেছে। গাছটির সঙ্গে বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থী-শিক্ষকদের বহু স্মৃতি ও আবেগ জড়িয়ে ছিল। অনেকেই গাছটির সঙ্গে নিজেদের বিশেষ দিনের স্মৃতি যুক্ত করেছেন। গ্রীষ্মকালে গাছটির ফুলের রক্তিম আভায় মুগ্ধ হয়ে অধিকাংশ পথচারী থমকে দাঁড়াতেন বলে জানিয়েছেন স্থানীয়রা।

উদ্ভিদবিদ্যা বিভাগের অধ্যাপক এ এইচ এম মাহবুবুর রহমান প্রথম আলোকে জানান, ধারণা করা হচ্ছে, বিশ্ববিদ্যালয় প্রতিষ্ঠার পরপরই গাছটি রোপণ করা হয়েছিল। এ সময়ের মধ্যে গাছটির মূল কাণ্ডে পোকামাকড়ের আক্রমণ ও পানি জমে পচন ধরেছিল। শাখা-প্রশাখা বেশি হওয়ায় একপর্যায়ে ওজন সইতে না পেরে গাছটি হঠাৎ ভেঙে পড়ে।

শিক্ষার্থীরা সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ফেসবুকে গাছটির সঙ্গে নিজেদের তোলা ছবি প্রকাশ করে স্মৃতিচারণা শুরু করেন। কৌশিক দাশ কঙ্কণ লিখেছেন, ‘ক্যাম্পাসে আজ শোকের দিন!’ জান্নাতুন নাঈম মন্তব্য করেছেন, ‘আহ কৃষ্ণচূড়া! মোচড় দিয়ে উঠল কেমন।’ বিশ্ববিদ্যালয়ের গণযোগাযোগ ও সাংবাদিকতা বিভাগের অধ্যাপক আ-আল মামুন গাছটির সঙ্গে নিজের বিশেষ টান প্রকাশ করে পোস্ট দিয়েছেন। সজীব আহমেদ লিখেছেন, ‘এই গাছটা সব সময় আমার স্মৃতিতে থাকবে।’

বিজ্ঞান ভবনকেন্দ্রিক শিক্ষার্থীদের সঙ্গে গাছটির বিশেষ টান ছিল। জুবায়ের রহমান মন্তব্যে লিখেছেন, ‘আমরা যাঁরা ফার্স্ট সায়েন্সের মানুষজন আছি, তাঁদের কষ্টটা একটু বোধ হয় বেশি। এই কদিন আগেই এখানে প্রোগ্রাম করলাম আমরা। ডিপার্টমেন্টে যত ধরনের অনুষ্ঠান হোক, এখানে এসেই ছবি তুলি।’ আরেক শিক্ষার্থী মুবতাসিন ফুয়াদ ধ্রুব লিখেছেন, ‘এই কৃষ্ণচূড়াগাছটা ঘিরে বর্ষা উৎসব করতে চেয়েছিলাম।’

"গাছটি ছাড়া জায়গাটি কেমন লাগবে, ভাবতেই কেমন লাগছে। সব স্মৃতি এভাবেই ধীরে ধীরে হারিয়ে যায়।"

📊 তথ্যের সারসংক্ষেপ

  • 📍 স্থান: রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়, রাজশাহী
  • 👥 মুখ্য ব্যক্তি: অধ্যাপক এ এইচ এম মাহবুবুর রহমান, শিক্ষার্থীরা
  • 🔢 গুরুত্বপূর্ণ তথ্য: শতবর্ষী কৃষ্ণচূড়া গাছ ভেঙে পড়েছে

📡 মূল নিউজ সোর্সসমূহ

এই প্রতিবেদনটি নিচের সংবাদমাধ্যমগুলোর তথ্যের ভিত্তিতে প্রস্তুত করা হয়েছে। মূল সংবাদ পড়তে নিচের লিংকে ক্লিক করুন:

📤 শেয়ার করুন: 📘 Facebook 💬 WhatsApp 𝕏 Twitter 💼 LinkedIn ✈️ Telegram

💬 মন্তব্য (0)

এখনো কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্য করুন!

মন্তব্য অনুমোদনের পর প্রকাশ করা হবে। ইমেইল প্রকাশিত হবে না।
🤖