📌 রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়ে শিক্ষার্থীদের জন্য নতুন অ্যাম্বুলেন্স হস্তান্তর নিয়ে রাকসুর সাধারণ সম্পাদক সালাহউদ্দিন আম্মার ও ছাত্রশিবিরের মধ্যে তীব্র রাজনৈতিক জালিয়াতির টানাটানি শুরু হয়েছে। আম্মার দাবি, তিনি ব্যক্তিগত যোগাযোগে অ্যাম্বুলেন্সের ব্যবস্থা করেছেন, কিন্তু ছাত্রশিবিরের নেতারা নিজেদের উদ্যোগ দাবি করছে। বিষয়টি নিয়ে উভয় পক্ষের মধ্যে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে তীব্র বিতর্ক চলছে
রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীদের জন্য নতুন অ্যাম্বুলেন্সের হস্তান্তর নিয়ে রাকসুর সাধারণ সম্পাদক সালাহউদ্দিন আম্মার ও বিশ্ববিদ্যালয় শাখা ছাত্রশিবিরের মধ্যে তীব্র রাজনৈতিক জালিয়াতির টানাটানি শুরু হয়েছে। বুধবার দুপুরে বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসনের কাছে অ্যাম্বুলেন্সটি হস্তান্তর করা হলেও উভয় পক্ষের মধ্যে ‘কৃতিত্ব’ নিয়ে বিতর্ক অব্যাহত রয়েছে।
🔴 মূল পয়েন্ট
- 📌 রাকসুর আম্মার দাবি করেন, তিনি ব্যক্তিগত যোগাযোগে এস এম খালিদুজ্জামান (জামায়াতে ইসলামী, ঢাকা-১৭ আসনের প্রাক্তন প্রার্থী) এর মাধ্যমে অ্যাম্বুলেন্সের ব্যবস্থা করেছেন, কিন্তু ছাত্রশিবিরের নেতারা নিজেদের উদ্যোগ দাবি করছে।
- 📌 আম্মার ৬ আগস্ট থেকে ২১ আগস্ট পর্যন্ত অ্যাম্বুলেন্সের প্রক্রিয়া পরিচালনা করেন, কিন্তু ৭ সেপ্টেম্বর ছাত্রশিবিরের পোস্টে তাদের ‘কৃতিত্ব’ দাবি করা হয়।
- 📌 বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসনের কাছে হস্তান্তরকালে অ্যাম্বুলেন্সে ‘শিবিরের পক্ষ থেকে উপহার’ লেখা থাকায় আম্মার ক্ষুব্ধ হয়ে ‘ছাত্রশিবিরের রাজনৈতিক দেউলিয়াত্ব’ বলে সমালোচনা করেন।
- 📌 আম্মার দাবি, ৩০ লাখ টাকা থেকে শিক্ষার্থীদের জন্য ‘জরুরি তহবিল’ গঠনের পরিকল্পনা করা হয়েছে, কারণ বিশ্ববিদ্যালয় ইতিমধ্যে দুটি অ্যাম্বুলেন্স রাখে।
- 📌 ছাত্রশিবিরের অর্থ সম্পাদক আহমেদ আহসানউল্লাহ ফারহান আম্মারের বিরুদ্ধে অভিযোগ তুলেছেন যে, তিনি শিবিরের পরিচয়ে খালিদুজ্জামানের কাছ থেকে দুই লাখ টাকা নিয়েছেন।
📰 বিস্তারিত
রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীদের জন্য নতুন অ্যাম্বুলেন্সের হস্তান্তর নিয়ে রাকসুর সাধারণ সম্পাদক সালাহউদ্দিন আম্মার ও ছাত্রশিবিরের মধ্যে তীব্র বিতর্ক শুরু হয়েছে। আম্মার দাবি, তিনি ৬ আগস্ট থেকে ২১ আগস্ট পর্যন্ত লতিফা রশিদ ফাউন্ডেশনের চেয়ারম্যানের স্বামী ও জামায়াতে ইসলামীর প্রাক্তন প্রার্থী এস এম খালিদুজ্জামানের সাথে যোগাযোগ করে অ্যাম্বুলেন্সের ব্যবস্থা করেছেন। তবে ৭ সেপ্টেম্বর ছাত্রশিবিরের একটি ফেসবুক পোস্টে দাবি করা হয় যে, তাদের সভাপতি অ্যাম্বুলেন্সের ব্যবস্থা করেছেন।
বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসনের কাছে অ্যাম্বুলেন্সটি হস্তান্তরকালে সেখানে ‘শিবিরের পক্ষ থেকে উপহার’ লেখা থাকায় আম্মার ক্ষুব্ধ হয়ে ফেসবুকে পোস্ট করেন। তিনি দাবি করেন, ‘আমার আগে খালিদ সাহেবের কাছে অ্যাম্বুলেন্সের জন্য অন্য কেউ প্রস্তাব দিয়েছেন’। তিনি আরও দাবি করেন, তার কাছে রিয়েল-টাইম বার্তালাপসহ সব প্রমাণ রয়েছে।
অন্যদিকে, ছাত্রশিবিরের অর্থ সম্পাদক আহমেদ আহসানউল্লাহ ফারহান আম্মারের বিরুদ্ধে অভিযোগ তুলেছেন। তিনি দাবি করেন, আম্মার শিবিরের পরিচয়ে খালিদুজ্জামানের কাছ থেকে দুই লাখ টাকা নিয়েছেন। তিনি লিখেছেন, ‘আম্মার আপনি ডা. খালিদ ভাইয়ের কাছ থেকে শিবির নেতা পরিচয়ে বিভিন্ন সময় যে কয়েক লাখ টাকা এনেছেন, এটার ব্যাখ্যা কি দিবেন?’
আম্মার জানান, শিক্ষার্থীদের সুবিধার কথা বিবেচনা করে তিনি আরেকটি অ্যাম্বুলেন্সের ব্যবস্থা করেছিলেন। তবে বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসনের কাছে ইতিমধ্যে দুটি অ্যাম্বুলেন্স থাকায়, তিনি ৩০ লাখ টাকা থেকে শিক্ষার্থীদের জন্য ‘জরুরি তহবিল’ গঠনের পরিকল্পনা করেছেন।
"আমার আগে খালিদ সাহেবের কাছে অ্যাম্বুলেন্সের জন্য অন্য কেউ প্রস্তাব দিয়েছেন—এমন একটি প্রমাণ, কল বা যোগাযোগের তথ্য দেখাতে পারলে আমি ক্যাম্পাস ছেড়ে দেব।"
📊 তথ্যের সারসংক্ষেপ
- 📍 স্থান: রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়, রাজশাহী
- 👥 খবরের মুখ্য ব্যক্তি: সালাহউদ্দিন আম্মার (রাকসুর সাধারণ সম্পাদক), আহমেদ আহসানউল্লাহ ফারহান (ছাত্রশিবির অর্থ সম্পাদক), এস এম খালিদুজ্জামান (জামায়াতে ইসলামী প্রাক্তন প্রার্থী)
- 🔢 গুরুত্বপূর্ণ সংখ্যা: ৬ আগস্ট, ১৭ আগস্ট, ২১ আগস্ট, ৭ সেপ্টেম্বর, ৩০ লাখ টাকা, ১১ সেপ্টেম্বর, ২ লাখ টাকা
💬 মন্তব্য (0)
এখনো কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্য করুন!