📅 ৪ অক্টোবর ২০২৬, ১২:২৩ অপরাহ্ণ এআই প্রযুক্তিতে যাচাই করা সর্বশেষ সঠিক বাংলা সংবাদ।
⚡ শেষ মুহূর্ত

রাজশাহী গোদাগাড়ীতে শিক্ষক বদলিতে ঘুষের অভিযোগ: জ্যেষ্ঠ শিক্ষকদের বাদ দিয়ে নবীনদের পছন্দ

রাজশাহী গোদাগাড়ীতে শিক্ষক বদলিতে ঘুষের অভিযোগ: জ্যেষ্ঠ শিক্ষকদের বাদ দিয়ে নবীনদের পছন্দ

📷 ছবি: Ajker Patrika

📡 নিউজ সোর্সগুলি:
🔗 আজকের পত্রিকা ↗ ⚠ একক সোর্স
ℹ️ এই প্রতিবেদনটি কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা (AI) দ্বারা একাধিক সংবাদমাধ্যমের তথ্যের ভিত্তিতে পুনর্লিখিত। মূল নিউজ সোর্সগুলি নিচে উল্লেখ করা হয়েছে।

📌 রাজশাহীর গোদাগাড়ী উপজেলায় সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের শিক্ষকদের বদলিতে অনিয়ম ও ঘুষের অভিযোগ উঠেছে। ১০৭ জন আবেদনকারী শিক্ষকের মধ্যে মাত্র ২৫ জনের বদলি হয়েছে, যেখানে জ্যেষ্ঠ শিক্ষকদের বাদ দিয়ে নবীনদের বদলি করা হয়েছে। শিক্ষকদের অভিযোগ, নীতিমালা লঙ্ঘন করে টাকার বিনিময়ে বদলির সুযোগ পেয়েছেন কিছু শিক্ষক

রাজশাহীর গোদাগাড়ী উপজেলায় সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের শিক্ষকদের বদলি প্রক্রিয়ায় ব্যাপক অনিয়ম ও আর্থিক লেনদেনের অভিযোগ উঠেছে। শিক্ষকদের দাবি, নীতিমালা লঙ্ঘন করে টাকার বিনিময়ে কিছু শিক্ষককে বদলি করা হয়েছে। গত ৩০ সেপ্টেম্বর ২৫ জন শিক্ষককে উপজেলার ভেতরেই বদলি করা হলেও, এই প্রক্রিয়ায় জ্যেষ্ঠ শিক্ষকদের বাদ দিয়ে নবীন শিক্ষকদের বদলি করা হয়েছে বলে অভিযোগ করা হচ্ছে।

🔴 মূল পয়েন্ট

  • 📌 রাজশাহী গোদাগাড়ীতে সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের শিক্ষকদের বদলিতে ঘুষের অভিযোগ উঠেছে
  • 📌 ১০৭ জন আবেদনকারী শিক্ষকের মধ্যে মাত্র ২৫ জনের বদলি হয়েছে
  • 📌 পদ্মা নদীর পাড়ে পাঁচজন শিক্ষক থাকা সত্ত্বেও দায়িত্বশীল শিক্ষক মমিনুল ইসলামকে বদলি করা হয়েছে
  • 📌 শিক্ষকদের অভিযোগ, ৫০ হাজার থেকে দুই লাখ টাকা পর্যন্ত ঘুষ দেওয়া হয়েছে
  • 📌 উপজেলা প্রাথমিক শিক্ষা কর্মকর্তা মুনমুন সুলতানা বলেছেন, বদলি কমিটি কর্তৃক প্রক্রিয়া পরিচালিত হয়েছে

📰 বিস্তারিত

গোদাগাড়ী উপজেলা প্রাথমিক শিক্ষা কর্মকর্তা গত ২৪ সেপ্টেম্বর আন্ত-উপজেলা বদলির বিজ্ঞপ্তি প্রকাশ করেন। শিক্ষকদের ২৮ সেপ্টেম্বর পর্যন্ত আবেদন করার সুযোগ দেওয়া হয়েছিল। ১০৭ জন শিক্ষক আবেদন করলেও, বদলি প্রক্রিয়ায় জ্যেষ্ঠ শিক্ষকদের বাদ দিয়ে নবীনদের বদলি করা হয়েছে। শিক্ষকদের অভিযোগ, ১৯৯৯ থেকে ২০০৬ সালের মধ্যে চাকরিতে যোগদানকারী জ্যেষ্ঠ শিক্ষকদের বাদ দিয়ে বদলি করা হয়েছে।

পদ্মা নদীর পাড়ে ভারত সীমান্তের কাছে দিয়াড় মানিকচক সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে মাত্র পাঁচজন শিক্ষক ছিল। সেখানে প্রধান শিক্ষকের দায়িত্বে থাকা সহকারী শিক্ষক মমিনুল ইসলামকে বদলি করা হয়েছে। তিনি সহড়াপাড়া সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে বদলি হয়েছে। মমিনুল ইসলামের দাবি, নদী পার হয়ে স্কুল যাওয়ার কষ্টের কারণে তিনি বদলির আবেদন করেছিলেন। তবে অন্য শিক্ষকদের অভিযোগ, টাকার বিনিময়ে বদলির সুযোগ পেয়েছেন তিনি।

অভিযোগ রয়েছে, বদলির ক্ষেত্রে ৫০ হাজার থেকে দুই লাখ টাকা পর্যন্ত লেনদেন হয়েছে। যারা টাকা দিয়েছেন, তাদের বদলি হয়েছে। উপজেলা প্রাথমিক শিক্ষা কর্মকর্তা ও শিক্ষকদের বদলি কমিটির সদস্যসচিব মুনমুন সুলতানা বলেছেন, ‘বদলি আমি একা করিনি। নির্দিষ্ট কমিটি কর্তৃক প্রক্রিয়া পরিচালিত হয়েছে। আমি নিজের কথা বলতে পারি, অন্যের কথা বলতে পারি না।’

"রোজ নদী পার হয়ে স্কুলে যাওয়া কষ্টের ছিল। এ জন্য বদলির আবেদন করেছিলাম। এখন এপারে সড়কের পাশের একটা স্কুলে আসতে পেরেছি।"

বদলি কমিটির সভাপতি ও উপজেলা নির্বাহী অফিসার (ইউএনও) ইসরাত জাহানকে যোগাযোগ করা হলেও তিনি ফোন ধরেননি।

📊 তথ্যের সারসংক্ষেপ

  • 📍 স্থান: গোদাগাড়ী উপজেলা, রাজশাহী
  • 👥 খবরের মুখ্য ব্যক্তি: মমিনুল ইসলাম, মুনমুন সুলতানা, ইসরাত জাহান
  • 🔢 গুরুত্বপূর্ণ সংখ্যা: ২৫ জন বদলি শিক্ষক, ১০৭ জন আবেদনকারী, ৫০ হাজার থেকে ২ লাখ টাকা ঘুষ

📡 মূল নিউজ সোর্সসমূহ

এই প্রতিবেদনটি নিচের সংবাদমাধ্যমগুলোর তথ্যের ভিত্তিতে প্রস্তুত করা হয়েছে। মূল সংবাদ পড়তে নিচের লিংকে ক্লিক করুন:

📤 শেয়ার করুন: 📘 Facebook 💬 WhatsApp 𝕏 Twitter 💼 LinkedIn ✈️ Telegram

💬 মন্তব্য (0)

এখনো কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্য করুন!

মন্তব্য অনুমোদনের পর প্রকাশ করা হবে। ইমেইল প্রকাশিত হবে না।
🤖