📅 ২১ অক্টোবর ২০২৬, ১১:২৮ পূর্বাহ্ণ এআই প্রযুক্তিতে যাচাই করা সর্বশেষ সঠিক বাংলা সংবাদ।
⚡ শেষ মুহূর্ত

প্রতিবন্ধকতার বিরুদ্ধে লড়াই: মায়ের পায়ে পথচলা করে স্নাতকোত্তর ডিগ্রি অর্জন রাজিয়া সুলতানার গল্প

প্রতিবন্ধকতার বিরুদ্ধে লড়াই: মায়ের পায়ে পথচলা করে স্নাতকোত্তর ডিগ্রি অর্জন রাজিয়া সুলতানার গল্প

📷 ছবি: প্রথম আলো

📡 নিউজ সোর্সগুলি:
🔗 প্রথম আলো ↗ ⚠ একক সোর্স
ℹ️ এই প্রতিবেদনটি কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা (AI) দ্বারা একাধিক সংবাদমাধ্যমের তথ্যের ভিত্তিতে পুনর্লিখিত। মূল নিউজ সোর্সগুলি নিচে উল্লেখ করা হয়েছে।

📌 রাজশাহীর পাঠানপাড়া থেকে স্নাতকোত্তর ডিগ্রি অর্জনকারী রাজিয়া সুলতানার জীবন কাহিনি। শারীরিক প্রতিবন্ধকতার বিরুদ্ধে লড়াই করে তিনি মায়ের সহায়তায় বিশ্ববিদ্যালয়ে পড়াশোনা শেষ করেন। বর্তমানে চাকরির প্রস্তুতি নিচ্ছেন

মায়ের পায়ে পথচলা করে স্নাতকোত্তর ডিগ্রি অর্জন করেছেন রাজশাহীর পাঠানপাড়া এলাকার রাজিয়া সুলতানা। শারীরিক প্রতিবন্ধকতার বিরুদ্ধে লড়াই করে তিনি মায়ের সহায়তায় বিশ্ববিদ্যালয়ে পড়াশোনা চালিয়ে যান। বর্তমানে চাকরির প্রস্তুতি নিয়ে ভবিষ্যৎ গড়তে চান।

🔴 মূল পয়েন্ট

  • 📌 ২৫ নভেম্বর ১৯৯৯ সালে জন্মগ্রহণকারী রাজিয়া সুলতানা শারীরিক প্রতিবন্ধকতার কারণে পাঁচ-ছয় বছর বয়স থেকে মায়ের পায়ে পথচলা শুরু করেন।
  • 📌 রাজশাহী বহুমুখী বালিকা উচ্চবিদ্যালয় থেকে ২০১৬ সালে এসএসসি এবং রাজশাহী সরকারি মহিলা কলেজ থেকে ২০১৮ সালে এইচএসসি পাস করেন রাজিয়া।
  • 📌 সিঁড়ি ভাঙা ও বৃষ্টির কারণে প্রতিবন্ধকতার মুখোমুখি হলেও ২০২৫ সালে রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয় থেকে স্নাতকোত্তর ডিগ্রি অর্জন করেন তিনি।
  • 📌 বর্তমানে চাকরির প্রস্তুতি নেওয়ার সময় মায়ের পায়ে পথচলা ও প্রতিবন্ধকতার কারণে কোচিং সেন্টারে যাওয়া কষ্টসাধ্য হয়ে পড়েছে।
  • 📌 রাজিয়ার বাবা হাফিজুর রহমান নির্মাণপ্রতিষ্ঠানে নিরাপত্তাকর্মী এবং ছোট ভাই ইন্টারনেট সেবা প্রতিষ্ঠানে কর্মরত।

📰 বিস্তারিত

রাজশাহীর পাঠানপাড়া এলাকার বাসিন্দা রাজিয়া সুলতানার জন্ম ১৯৯৯ সালের ২৫ নভেম্বর। তার বাবা হাফিজুর রহমান একটি নির্মাণপ্রতিষ্ঠানে নিরাপত্তাকর্মী হিসেবে কাজ করেন। মা নাজনীন বেগমের সাথে তিনি প্রতিবন্ধকতার বিরুদ্ধে লড়াই করে সাফল্য অর্জন করেছেন। রাজিয়ার ছোট ভাই ইন্টারনেট সেবা প্রতিষ্ঠানে কর্মরত, কিন্তু পড়াশোনা শেষ করতে পারেননি।

রাজিয়া শারীরিক প্রতিবন্ধকতার কারণে আট বছর বয়স পর্যন্ত কিছুতে ভর দিয়ে দাঁড়াতে পারতেন। পরে চিকিৎসা চালিয়ে যাওয়া সম্ভব না হওয়ায় সেই সক্ষমতাও হারান। পাঁচ-ছয় বছর বয়স থেকে বাড়ির কাছের প্রাথমিক বিদ্যালয়ে পড়াশোনা শুরু করেন রাজিয়া। পঞ্চম শ্রেণি পাস করার পর শারীরিক অসুস্থতার কারণে পড়াশোনা বন্ধ হয়ে যায়। পরে নানার উৎসাহে আবার পড়াশোনায় ফিরেন তিনি।

২০১৬ সালে রাজশাহী বহুমুখী বালিকা উচ্চবিদ্যালয় থেকে এসএসসি এবং ২০১৮ সালে রাজশাহী সরকারি মহিলা কলেজ থেকে এইচএসসি পাস করেন রাজিয়া। বিশ্ববিদ্যালয়ে ভর্তির সময় সিঁড়ি ভাঙা এবং বৃষ্টির কারণে প্রতিবন্ধকতার মুখোমুখি হলেও তিনি অবিচল ছিলেন। ২০২৫ সালে রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয় থেকে স্নাতকোত্তর ডিগ্রি অর্জন করে তিনি চাকরির প্রস্তুতি নিচ্ছেন।

"মায়ের পায়ে পথচলা করে স্নাতকোত্তর ডিগ্রি অর্জন করেছেন রাজিয়া। এখন চাকরির মাধ্যমে মায়ের জীবন কিছুটা সুখী করতে চাই।"

📊 তথ্যের সারসংক্ষেপ

  • 📍 স্থান: রাজশাহী, পাঠানপাড়া এলাকা
  • 👥 খবরের মুখ্য ব্যক্তি: রাজিয়া সুলতানা, নাজনীন বেগম, হাফিজুর রহমান
  • 🔢 গুরুত্বপূর্ণ সংখ্যা: ২৫ নভেম্বর ১৯৯৯ (জন্ম তারিখ), ২০১৬ (এসএসসি), ২০১৮ (এইচএসসি), ২০২৫ (স্নাতকোত্তর)

📡 মূল নিউজ সোর্সসমূহ

এই প্রতিবেদনটি নিচের সংবাদমাধ্যমগুলোর তথ্যের ভিত্তিতে প্রস্তুত করা হয়েছে। মূল সংবাদ পড়তে নিচের লিংকে ক্লিক করুন:

📤 শেয়ার করুন: 📘 Facebook 💬 WhatsApp 𝕏 Twitter 💼 LinkedIn ✈️ Telegram

💬 মন্তব্য (0)

এখনো কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্য করুন!

মন্তব্য অনুমোদনের পর প্রকাশ করা হবে। ইমেইল প্রকাশিত হবে না।
🤖