📌 রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়ের রাকসু জিএস সালাহউদ্দিন আম্মার রাবি শিবিরের মিথ্যাকে সত্য এবং সত্যকে মিথ্যা বানানোর অভিযোগ তুলেছেন। তিনি ফেসবুক পোস্টে শিবিরের নারী কেলেংকারি, চাদাবাজি এবং পদ বানিজ্যের অভিযোগের বিরুদ্ধে নিজের অবস্থান ব্যাখ্যা করেছেন
রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়ের রাকসু জিএস সালাহউদ্দিন আম্মার রাবি শিবিরের মিথ্যাবাদী নীতির বিরুদ্ধে তীব্র প্রতিবাদ জানিয়েছেন। তিনি নিজের ফেসবুক পেজে পোস্ট করে বলেছেন, শিবিরের এক অন্যতম ভয়াবহ গুণ হলো মিথ্যাকে সত্য বানানো এবং সত্যকে মিথ্যা করার প্রবণতা।
🔴 মূল পয়েন্ট
- 📌 রাবি শিবিরের অভিযোগের বিরুদ্ধে সালাহউদ্দিন আম্মার বলেছেন, শিবিরের সদস্যরা মিথ্যাকে সত্য এবং সত্যকে মিথ্যা বানানোর অভ্যাস রয়েছে।
- 📌 নারী কেলেংকারির অভিযোগ প্রত্যাখ্যান তিনি দাবি করেছেন, তার ক্যাম্পাস জীবনে কোনো নারীকে অবাধ মেলামেশার অভিযোগের কোনো প্রমাণ নেই।
- 📌 ৭৬ লাখ টাকার চাদাবাজি অভিযোগ তিনি বলেছেন, একসময় ৭৬ লাখ টাকার অভিযোগে মিডিয়া ট্রায়ালের শিকার হয়েছিলেন, কিন্তু সেটি ছিলো একটি ভুল বুঝাবুঝির ফল।
- 📌 পদ বানিজ্যের অভিযোগের বিরুদ্ধে তিনি দাবি করেছেন, রাজশাহী কমিটির সাথে তার কোনো সম্পর্ক ছিলো না, কিন্তু শিবিরের সদস্যরা তা নারেটিভ তৈরির মাধ্যমে প্রচার করছে।
- 📌 শিবিরের অভিযোগের বিরুদ্ধে প্রমাণের চাপ তিনি প্রশ্ন করেছেন, তার বিরুদ্ধে যে অভিযোগগুলো করা হয়েছে, সেগুলোর কোনোটারও সাথে তিনি সম্পৃক্ত না থাকলেও, সেগুলোর প্রমাণ দিতে বলা হচ্ছে।
📰 বিস্তারিত
রাবি শিবিরের বিরুদ্ধে সালাহউদ্দিন আম্মার তীব্র আক্রমণে বলেছেন, শিবিরের সদস্যরা মিথ্যাকে সত্য এবং সত্যকে মিথ্যা করার মাধ্যমে নিজেদের অবস্থান মজবুত করতে চায়। তিনি বলেন, “আপনাকে বলবে আপনি নারীর সাথে অবাধ মেলামেশা করেছেন, চাঁদাবাজি করেছেন, অর্থের বিনিময়ে পদ দিয়েছেন। এখন সমস্যা হলো ওরা এলিগেশন দিবে আর বলবে এবার প্রমান করো তুমি এটা করো নাই। আচ্ছা আমি যেটা করিনাই সেটার প্রমান আমি কিভাবে দিব?”
নারী কেলেংকারির অভিযোগের বিরুদ্ধে তিনি বলেছেন, তার ক্যাম্পাস জীবনে কোনো নারীকে অবাধ মেলামেশার অভিযোগের কোনো প্রমাণ নেই। তিনি আরও বলেন, “আমি আমার ক্যাম্পাস লাইফে কোনো বোনের সাথে এমন কোনো আচারণ করেছি বলে মনে হয়না যেটা ভাইয়ের থেকে অন্যকিছু মিন করবে। ইভেন আমি রাকসুতে আসা অনেক জুনিয়রদের তুই করে কথা বলি। আমার চরিত্র নিয়ে অন্তত আলাপ দিয়েন না কারন আপনাদের একজন শাখা দায়িত্বশীল আছে যে দীর্ঘদিন প্রেম করে পরে বিয়ে করছে। হাসপাতালে দেখতে গেছিলাম, গিয়ে দেখি তার গার্লফ্রেন্ড তার বুকে হাত বুলাইয়া দিতেছে। সুতরাং শিবির নারী কেলেংকারীর জন্য বহিস্কার করেনা এটা ক্লিয়ার।"
৭৬ লাখ টাকার চাদাবাজি অভিযোগের বিরুদ্ধে তিনি বলেন, “সারাদেশে আমাকে নিয়ে একবার মিডিয়া ট্রায়াল হয়েছিলো। ৭৬ লাখ টাকা চাদাবাজির অভিযোগ। এটা এমন ছিলো যে জুলাই নিয়ে একটা কনসার্ট করতে প্রশাসনকে এপ্রোচ করছিলাম। ততকালীন ভিসি স্যার বলেছিলেন এতো টাকা দিয়ে আমাদের আয়োজন করা সম্ভব না। তোমরা যদি চাও আমি রেকমেন্ড করে দিতে পারি সেটা নিয়ে বিভিন্ন কোম্পানির সাথে কথা বলতে পারো। আমি তখনও এতো পরিচিত ছিলাম না। বিভিন্ন ব্যাংক, বিভিন্ন কোম্পানির কাছে এই প্রপোজাল লেটারটা নিয়ে যাই। এটা বাইরে এনে একদল সোনার ছেলে ছড়ায় যে আমি চাদা চেয়ে চিঠি দিছি। এই গর্দভদের আইডিয়াও নাই যে চাঁদা চেয়ে কেউ চিঠি দেয় কিভাবে?”
পদ বানিজ্যের অভিযোগের বিরুদ্ধে তিনি বলেন, “বৈষম্য বিরোধী ছাত্র আন্দোলন যখন জায়গায় জায়গায় কমিটি দিচ্ছিলো তখন রাজশাহীর স্থানীয় শিক্ষার্থীরা একটা কমিটি নিয়ে আসে। তাদের এজ ইউজুয়াল ধারনা হলো আমার কেন্দ্রীয় মানুষজনের সাথে ভালো সম্পর্ক এজন্য আমি এই রাজশাহীর কমিটি এনে দিছি। বাস্তবতা হলো আমি তাদের এই কমিটির আগে পিছে কোথাও ছিলাম না। এখন তারা ন্যারেটিভ তৈরী করে সেটা প্রতিষ্ঠিত করার ফুল পিআর পলিসি তাদের আছে।"
"আমি একাধিকবার প্রত্যেক পডকাস্টে বলছি, আপনি আমাকে হাজারবার শিবির বলতে পারেন কারন আমি শিবিরের ক্রাইটেরিয়াতে পড়ে যাবো ডানপন্থী সংস্কৃতি চর্চার কারনে। এই ডানপন্থী আর কে আছে? আমি কলরবের সাথেও কাজ করছি। তারা যে পেপার সামনে আনতেছে এটা তাদের নিজেদের হতেই, তারা চাইলে এটা বানাতে পারেই। আমি তাদেরকে কতোটুকু গুরুত্ব দিতেছি এটাই ফ্যাক্ট।"
📊 তথ্যের সারসংক্ষেপ
- 📍 স্থান: রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়
- 👥 খবরের মুখ্য ব্যক্তি: সালাহউদ্দিন আম্মার (রাকসু জিএস)
- 🔢 গুরুত্বপূর্ণ সংখ্যা: ৭৬ লাখ টাকা (চাদাবাজি অভিযোগ), ২৫ (অক্টোবর ২৫ তারিখে বহিস্কার)
💬 মন্তব্য (0)
এখনো কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্য করুন!