📌 ১৪ অক্টোবর ঢাকার ইঞ্জিনিয়ারিং ইউনিভার্সিটি স্কুল অ্যান্ড কলেজে বিজ্ঞানী অধ্যাপক জেবা ইসলাম সেরাজ শিক্ষার্থীদের সঙ্গে সরাসরি আলোচনা করবেন। লবণাক্ত জমিতে টিকে থাকা ধানের জাত উন্নয়নে তার গবেষণার গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রয়েছে। ‘মিট বাংলাদেশি সায়েন্টিস্টস’ আয়োজনে বিজ্ঞানচর্চার অভিজ্ঞতা শেয়ার করা হবে
বিজ্ঞান ও গবেষণার জগতে অবদান রাখা বিজ্ঞানী অধ্যাপক জেবা ইসলাম সেরাজ শিক্ষার্থীদের সঙ্গে সরাসরি আলোচনার সুযোগ করে দিচ্ছেন। আগামী ১৪ অক্টোবর, বুধবার ঢাকার ইঞ্জিনিয়ারিং ইউনিভার্সিটি স্কুল অ্যান্ড কলেজে ‘মিট বাংলাদেশি সায়েন্টিস্টস’ আয়োজনে তিনি শিক্ষার্থীদের সঙ্গে মতবিনিময় করবেন। এই উদ্যোগের মূল থিম ‘মিট, লার্ন, কোয়েশ্চন, ডিসকভার’ — অর্থাৎ পরিচিত হও, শেখো, প্রশ্ন করো, আবিষ্কার করো।
🔴 মূল পয়েন্ট
- 📌 ১৪ অক্টোবর বুধবার ঢাকার ইঞ্জিনিয়ারিং ইউনিভার্সিটি স্কুল অ্যান্ড কলেজে বিজ্ঞানী অধ্যাপক জেবা ইসলাম সেরাজ শিক্ষার্থীদের সঙ্গে আলোচনা করবেন
- 📌 লবণাক্ত জমিতে টিকে থাকা ধানের জাত উন্নয়নে তার গবেষণার গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রয়েছে
- 📌 ব্র্যাক ইউনিভার্সিটির স্কুল অব লাইফ সায়েন্সেস এবং ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রাণরসায়ন বিভাগে দীর্ঘকাল অধ্যাপনা করেছেন
- 📌 ১৯৮৬ সালে যুক্তরাজ্যের গ্লাসগো বিশ্ববিদ্যালয় থেকে পিএইচডি সম্পন্ন করেন
- 📌 ২০১৭ সালে ‘অনন্যা শীর্ষ দশ’ অ্যাওয়ার্ড এবং ২০২৩ সালে ‘গুণী শিক্ষক’ হিসেবে স্বীকৃতি পেয়েছেন
- 📌 ১৮০টি দেশের ১২ হাজার শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান যুক্ত ইউনেসকো অ্যাসোসিয়েটেড স্কুলস নেটওয়ার্কের সঙ্গে এই আয়োজন
📰 বিস্তারিত
বিজ্ঞান ও গবেষণার জগতে অবদান রাখা বিজ্ঞানী অধ্যাপক জেবা ইসলাম সেরাজ শিক্ষার্থীদের সঙ্গে সরাসরি আলোচনার সুযোগ করে দিচ্ছেন। তিনি বর্তমানে ব্র্যাক ইউনিভার্সিটির স্কুল অব লাইফ সায়েন্সেসের গবেষণা ও উন্নয়ন বিভাগের অধ্যাপক হিসেবে দায়িত্ব পালন করছেন। এছাড়াও ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রাণরসায়ন ও অণুপ্রাণবিজ্ঞান বিভাগের অধ্যাপক হিসেবে দীর্ঘদিন যুক্ত ছিলেন। তাঁর গবেষণার মূল বিষয় হলো উদ্ভিদের আণবিক জীববিজ্ঞান ও জীবপ্রযুক্তি। বিশেষ করে লবণাক্ততা সহ্য করতে পারে এমন ধানের জাত উন্নয়নে তার অবদান উল্লেখযোগ্য। বাংলাদেশের উপকূলীয় অঞ্চলে মাটির লবণাক্ততা কৃষির জন্য একটি বড় সমস্যা। এই পরিবেশে স্বাভাবিক ধান চাষ করা কঠিন। তাই তাঁর গবেষণা লবণাক্ত জমিতে টিকে থাকা ধানের জাত উদ্ভাবনে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখছে।
অধ্যাপক জেবা ইসলাম ১৯৮০ সালে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় থেকে স্নাতক এবং ১৯৮২ সালে স্নাতকোত্তর ডিগ্রি অর্জন করেন। এরপর যুক্তরাজ্যের গ্লাসগো বিশ্ববিদ্যালয় থেকে ১৯৮৬ সালে প্রাণরসায়নে পিএইচডি সম্পন্ন করেন। পরে লিভারপুল বিশ্ববিদ্যালয়েও গবেষণা করেন। ১৯৮৮ সালে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রাণরসায়ন বিভাগে যোগদান করেন। ১৯৯১ সাল থেকে দেশি-বিদেশি অর্থায়নে পরিচালিত বিভিন্ন উদ্ভিদ জীবপ্রযুক্তি গবেষণা প্রকল্পে তিনি প্রধান গবেষক হিসেবে কাজ করছেন। ২০১৩ সাল থেকে যুক্তরাষ্ট্রের টেক্সাস বিশ্ববিদ্যালয়ের অস্টিন ক্যাম্পাসে ভিজিটিং গবেষক হিসেবে যুক্ত রয়েছেন।
গবেষণার পাশাপাশি শিক্ষকতা ও বিজ্ঞানচর্চায় অবদানের জন্য তিনি অসংখ্য স্বীকৃতি পেয়েছেন। ২০১৭ সালে তিনি ‘অনন্যা শীর্ষ দশ’ অ্যাওয়ার্ড পান। ২০২৩ সালে বিশ্ববিদ্যালয় মঞ্জুরি কমিশন তাঁকে ‘গুণী শিক্ষক’ হিসেবে স্বীকৃতি দেয়। তিনি বাংলাদেশ একাডেমি অব সায়েন্সেস ও ওয়ার্ল্ড একাডেমি অব সায়েন্সেসের নির্বাচিত ফেলো।
‘মিট বাংলাদেশি সায়েন্টিস্টস’ আয়োজনের মূল উদ্দেশ্য শিক্ষার্থীদের সঙ্গে দেশের বিজ্ঞানীদের সরাসরি পরিচয় করিয়ে দেওয়া। এই আয়োজনে বিজ্ঞানীরা কীভাবে গবেষণা করেন, গবেষণার পথে কী ধরনের সমস্যার মুখোমুখি হন এবং তাঁদের কাজ মানুষের দৈনন্দিন জীবনে কীভাবে কাজে লাগে, তা বিস্তারিত জানার সুযোগ পাবেন শিক্ষার্থীরা। শিক্ষার্থীরা সরাসরি বিজ্ঞানীকে প্রশ্ন করতে পারবেন। এতে বিজ্ঞান নিয়ে তাদের কৌতূহল বাড়বে এবং ভবিষ্যতে গবেষণা ও বিজ্ঞানকে পেশা হিসেবে বেছে নেওয়ার বিষয়ে পরিষ্কার ধারণা পাবেন তারা।
"মিট, লার্ন, কোয়েশ্চন, ডিসকভার’ থিমে এই আয়োজন শিক্ষার্থীদের বিজ্ঞানচর্চায় আগ্রহী করে তুলবে। তারা সরাসরি বিজ্ঞানীদের সঙ্গে কথা বলতে পারবেন এবং তাদের গবেষণার অভিজ্ঞতা শুনতে পারবেন।"
📊 তথ্যের সারসংক্ষেপ
- 📍 স্থান: ঢাকার ইঞ্জিনিয়ারিং ইউনিভার্সিটি স্কুল অ্যান্ড কলেজ
- 👥 খবরের মুখ্য ব্যক্তি: অধ্যাপক জেবা ইসলাম সেরাজ
- 🔢 গুরুত্বপূর্ণ সংখ্যা: ১৪ অক্টোবর, ১৮০টি দেশ, ১২ হাজার শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান
💬 মন্তব্য (0)
এখনো কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্য করুন!