📌 প্রাথমিক ও গণশিক্ষা প্রতিমন্ত্রী ববি হাজ্জাজ ঘোষণা করেছেন, প্রাথমিক শিক্ষকদের প্রশিক্ষণ মেয়াদ বাড়িয়ে আড়াই থেকে তিন বছর করা হবে। পাশাপাশি পিটিআইগুলোর প্রশিক্ষণ সক্ষমতা বর্তমানের ৭ হাজার থেকে ৪২ হাজারে উন্নীত করা হবে। ৩৬ হাজার ৯৬০টি প্রধান শিক্ষকের পদোন্নতি আইনি প্রক্রিয়া সম্পন্ন হয়েছে
প্রাথমিক ও গণশিক্ষা প্রতিমন্ত্রী ববি হাজ্জাজ ঘোষণা করেছেন, দেশের প্রাথমিক শিক্ষার গুণগত মান উন্নয়নে শিক্ষক প্রশিক্ষণ মেয়াদ বাড়িয়ে আড়াই থেকে তিন বছর করা হবে। এছাড়াও প্রাথমিক শিক্ষক প্রশিক্ষণ ইনস্টিটিউট (পিটিআই)গুলোর প্রশিক্ষণ সক্ষমতা বর্তমানের ৬ গুণ বাড়িয়ে ৪২ হাজারে উন্নীত করার পরিকল্পনা নেওয়া হয়েছে।
🔴 মূল পয়েন্ট
- 📌 প্রাথমিক শিক্ষকদের প্রশিক্ষণ মেয়াদ বাড়ানো হবে আড়াই থেকে তিন বছর
- 📌 পিটিআইগুলোর প্রশিক্ষণ সক্ষমতা বাড়ানো হবে ৭ হাজার থেকে ৪২ হাজারে
- 📌 ৩৬ হাজার ৯৬০টি প্রধান শিক্ষকের পদোন্নতি আইনি প্রক্রিয়া সম্পন্ন হয়েছে
- 📌 আগামী ২০২৭ সালের মধ্যে সারাদেশে ‘মিড-ডে মিল’ কর্মসূচি সম্পূর্ণ করা হবে
- 📌 ‘ওয়ান টিচার, ওয়ান ট্যাব’ প্রকল্পের মাধ্যমে শিক্ষকদের ডিজিটাল দক্ষতা বৃদ্ধির উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে
📰 বিস্তারিত
প্রাথমিক ও গণশিক্ষা প্রতিমন্ত্রী ববি হাজ্জাজ সচিবালয়ে নিজ দপ্তরে বাসসকে দেওয়া একান্ত সাক্ষাৎকারে বলেছেন, শিক্ষক প্রশিক্ষণব্যবস্থার মেয়াদ বাড়িয়ে আড়াই থেকে তিন বছর করা হবে। তিনি জানান, শিক্ষকদের প্রশিক্ষণ পদ্ধতিতে একটি নতুন ফ্রেমওয়ার্ক তৈরি করা হচ্ছে। নতুন পরিকল্পনা অনুযায়ী, শিক্ষকদের প্রথমে পিটিআইতে দুই মাস ইন-ক্যাম্পাস প্রশিক্ষণ নিতে হবে। এরপর নির্দিষ্ট সিলেবাস অনুযায়ী বাকি প্রশিক্ষণ মডিউল ও পরীক্ষাগুলো আড়াই থেকে তিন বছরের মধ্যে সম্পন্ন করতে হবে।
ববি হাজ্জাজ আরও জানান, বর্তমানে পিটিআইগুলোর বার্ষিক প্রশিক্ষণ সক্ষমতা প্রায় সাত হাজার। এই সক্ষমতা বাড়িয়ে ৪২ হাজারে উন্নীত করার উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে। এ জন্য পাবলিক ও প্রাইভেট বিশ্ববিদ্যালয়গুলোর শিক্ষা বিভাগকে যুক্ত করা হবে। তিনি বলেন, ‘নীতিগতভাবে আমরা সিদ্ধান্ত নিয়েছি—কোনো শিক্ষক উপযুক্ত প্রশিক্ষণ না নিয়ে ক্লাসরুমে স্থায়ীভাবে পাঠদানে নিয়োজিত থাকতে পারবেন না।’
প্রধান শিক্ষক পদোন্নতি বিষয়ে তিনি বলেন, সারা দেশে প্রায় ৩৬ হাজার ৯৬০টি প্রধান শিক্ষকের পদ শূন্য রয়েছে। আদালতের রায়ের চূড়ান্ত সার্টিফায়েড কপি পেলেই পদোন্নতি কার্যক্রম দ্রুত শুরু হবে।
‘মিড-ডে মিল’ কর্মসূচির প্রসঙ্গে প্রতিমন্ত্রী বলেন, বর্তমানে ১৫০টি উপজেলায় এই কর্মসূচি চালু রয়েছে। বাকি উপজেলায় এ কর্মসূচির আওতা বাড়ানোর কাজ চলছে। আশা করা হচ্ছে, আগামী ২০২৭ সালের মধ্যে সারাদেশে প্রতিটি সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে শতভাগ শিশুর জন্য পুষ্টিকর দুপুরের খাবার নিশ্চিত করা সম্ভব হবে।
‘ওয়ান টিচার, ওয়ান ট্যাব’ প্রকল্পের বিষয়ে তিনি বলেন, এটি শুধু ডিজিটাল ডিভাইস দেওয়ার প্রকল্প নয়। গুগলসহ বৈশ্বিক প্রযুক্তি প্রতিষ্ঠানের সহযোগিতায় একটি পূর্ণাঙ্গ ডিজিটাল ইকোসিস্টেম তৈরি করা হচ্ছে। এছাড়াও, বিদ্যুৎ সংযোগ নেই এমন দুর্গম অঞ্চলের প্রাথমিক বিদ্যালয়ে সোলার প্যানেল স্থাপন ও ব্যান্ডউইথ নিশ্চিতের কাজ চলছে।
"নীতিগতভাবে আমরা সিদ্ধান্ত নিয়েছি—কোনো শিক্ষক উপযুক্ত প্রশিক্ষণ না নিয়ে ক্লাসরুমে স্থায়ীভাবে পাঠদানে নিয়োজিত থাকতে পারবেন না।"
📊 তথ্যের সারসংক্ষেপ
- 📍 স্থান: সচিবালয়, ঢাকা
- 👥 খবরের মুখ্য ব্যক্তি: প্রাথমিক ও গণশিক্ষা প্রতিমন্ত্রী ববি হাজ্জাজ
- 🔢 গুরুত্বপূর্ণ সংখ্যা: ৩৬ হাজার ৯৬০টি প্রধান শিক্ষকের পদ, ৬ গুণ সক্ষমতা বৃদ্ধি, ৪২ হাজার প্রশিক্ষণ সক্ষমতা, ১৫০টি উপজেলায় ‘মিড-ডে মিল’
💬 মন্তব্য (0)
এখনো কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্য করুন!