📌 প্রাথমিক ও গণশিক্ষামন্ত্রী এহছানুল হক মিলন ফেসবুক পোস্টে জানান, সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের সহকারী শিক্ষক নিয়োগ-২০২৫-এর ১৪ হাজার ৩৮৪ প্রার্থীকে ১ অক্টোবর পর্যন্ত নিয়োগপত্র না দেওয়া গেলে পরবর্তীতে পর্যায়ক্রমে দেওয়া হবে। পুলিশি ভেরিফিকেশনের পর ২৪ সেপ্টেম্বর থেকে নিয়োগপত্র শুরু হলেও কিছু প্রার্থী এখনও পাননি
প্রাথমিক ও গণশিক্ষামন্ত্রী এহছানুল হক মিলন সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের সহকারী শিক্ষক নিয়োগে বিভ্রান্তি দূর করতে একটি গুরুত্বপূর্ণ ঘোষণা দিয়েছেন। তিনি জানান, ৮ ফেব্রুয়ারি চূড়ান্ত ফল প্রকাশিত নিয়োগ-২০২৫-এর ১৪ হাজার ৩৮৪ প্রার্থীকে ১ অক্টোবর পর্যন্ত নিয়োগপত্র না দেওয়া গেলে পরবর্তীতে যথাযথ পর্যালোচনা করে পর্যায়ক্রমে নিয়োগপত্র প্রদান করা হবে। শনিবার (২৬ সেপ্টেম্বর) তার অফিসিয়াল ফেসবুক পেজে দেওয়া পোস্টে এই তথ্য জানান শিক্ষামন্ত্রী।
🔴 মূল পয়েন্ট
- 📌 ১৪ হাজার ৩৮৪ প্রার্থীকে নিয়োগের সুপারিশ করা হয়েছিল, কিন্তু ১ অক্টোবর পর্যন্ত তাদের মধ্যে কেউ নিয়োগপত্র পাননি
- 📌 শিক্ষামন্ত্রী এহছানুল হক মিলন বলেন, পুলিশি ভেরিফিকেশনের পর ২৪ সেপ্টেম্বর থেকে নিয়োগপত্র দেওয়া শুরু হলেও ১ অক্টোবর পর্যন্ত তা সম্পূর্ণ হয়নি
- 📌 ১ অক্টোবর পর্যন্ত নিয়োগপত্র না পাওয়া প্রার্থীদের জন্য পর্যায়ক্রমে নিয়োগপত্র দেওয়ার ঘোষণা দেন শিক্ষামন্ত্রী
- 📌 গণশিক্ষামন্ত্রী জানান, নিয়োগপ্রাপ্তদের ১ অক্টোবর থেকে নিজ নিজ জেলা প্রাথমিক শিক্ষা অফিসে যোগ দিতে হবে
- 📌 কিছু প্রার্থী প্রতিবাদ জানিয়েছেন এবং রাজনৈতিক সংগঠনগুলো ভেরিফিকেশন প্রক্রিয়া নিয়ে প্রশ্ন তুলেছে
📰 বিস্তারিত
শিক্ষামন্ত্রী এহছানুল হক মিলন ফেসবুক পোস্টে বলেছেন, ‘আমরা লক্ষ্য করছি, সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে সহকারী শিক্ষক নিয়োগ-২০২৫-এর নিয়োগপত্র প্রাপ্তি নিয়ে বিভিন্ন মিডিয়া ও সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে বিভ্রান্তি ছড়ানো হচ্ছে।’ তিনি জানান, পুলিশি ভেরিফিকেশনের পর ২৪ সেপ্টেম্বর থেকে নিয়োগপত্র দেওয়া শুরু হলেও ১ অক্টোবর পর্যন্ত তা সম্পূর্ণ হয়নি। শিক্ষামন্ত্রী বলেন, ‘১ অক্টোবর পর্যন্ত সময়ে উত্তীর্ণ প্রার্থীদের কেউ নিয়োগপত্র না পেয়ে থাকলে তা পরবর্তীতে যথাযথভাবে পরীক্ষা-নিরীক্ষা করে দ্রুততম সময়ের মধ্যে পর্যায়ক্রমে নিয়োগপত্র প্রেরণ করা হবে।’
শিক্ষামন্ত্রী আরও জানান, সরকারি কর্মকর্তা-কর্মচারী নিয়োগের ক্ষেত্রে ভেরিফিকেশন বা ভেটিং একটি নিয়মিত প্রক্রিয়া। গত ৮ ফেব্রুয়ারি চূড়ান্ত ফল প্রকাশিত হয় এবং মে মাসে প্রাথমিক শিক্ষা অধিদপ্তর সব নির্বাচিত প্রার্থীর পুলিশি ভেরিফিকেশনের নির্দেশ দেয়। এই প্রক্রিয়ায় তাদের অতীত কর্মকাণ্ড ও নথিপত্র যাচাই করা হয়।
নিয়োগপ্রাপ্তদের ১ অক্টোবর থেকে নিজ নিজ জেলা প্রাথমিক শিক্ষা অফিসে যোগ দেওয়ার কথা রয়েছে। তবে, নিয়োগপত্র না পাওয়া প্রার্থীদের মধ্যে কিছু অংশ প্রতিবাদ জানিয়েছে। পাশাপাশি রাজনৈতিক ও ছাত্র সংগঠনগুলো ভেরিফিকেশন প্রক্রিয়া নিয়ে প্রশ্ন তুলে বিবৃতি দিয়েছে।
"আমরা লক্ষ্য করছি, সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে সহকারী শিক্ষক নিয়োগ-২০২৫-এর নিয়োগপত্র প্রাপ্তি নিয়ে বিভিন্ন মিডিয়া ও সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে বিভ্রান্তি ছড়ানো হচ্ছে। ১ অক্টোবর পর্যন্ত সময়ে উত্তীর্ণ প্রার্থীদের কেউ নিয়োগপত্র না পেয়ে থাকলে তা পরবর্তীতে যথাযথভাবে পরীক্ষা-নিরীক্ষা করে দ্রুততম সময়ের মধ্যে পর্যায়ক্রমে নিয়োগপত্র প্রেরণ করা হবে।"
📊 তথ্যের সারসংক্ষেপ
- 📍 স্থান: ঢাকা (শিক্ষামন্ত্রীর অফিসিয়াল ফেসবুক পেজ)
- 👥 খবরের মুখ্য ব্যক্তি: এহছানুল হক মিলন (প্রাথমিক ও গণশিক্ষামন্ত্রী)
- 🔢 গুরুত্বপূর্ণ সংখ্যা: ১৪ হাজার ৩৮৪ প্রার্থী, ১ অক্টোবর, ২৪ সেপ্টেম্বর, ৮ ফেব্রুয়ারি
💬 মন্তব্য (0)
এখনো কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্য করুন!