📌 শিক্ষা মন্ত্রণালয় প্রাথমিক স্তরের ১ম থেকে ৫ম শ্রেণি পর্যন্ত লটারির মাধ্যমে শিক্ষার্থী ভর্তির পরিকল্পনা ঘোষণা করেছে। ২০২৭ শিক্ষাবর্ষ থেকে এই পদ্ধতি বাস্তবায়িত হলে কোনো শ্রেণিতেই ভর্তি পরীক্ষা থাকবে না। তবে মাধ্যমিক স্তরে পরীক্ষা চালু থাকবে। শিক্ষাবিদদের মতামতের ভিত্তিতে সিদ্ধান্ত নেওয়া হবে
শিক্ষা মন্ত্রণালয় প্রাথমিক শিক্ষা স্তরে বিপুল পরিবর্তনের ঘোষণা দিয়েছে। ২০২৭ শিক্ষাবর্ষ থেকে প্রাথমিকের প্রথম থেকে পঞ্চম শ্রেণি পর্যন্ত শিক্ষার্থী ভর্তি সম্পূর্ণ লটারির মাধ্যমে পরিচালিত হবে। এই সিদ্ধান্তের মাধ্যমে শিক্ষা বিভাগের জন্য নতুন চ্যালেঞ্জের সৃষ্টি হতে পারে, কিন্তু শিক্ষাবিদ ও অভিভাবকদের মধ্যে এই পদ্ধতির প্রতি আস্থা ও সন্দেহের মিশ্র প্রতিক্রিয়া লক্ষ্য করা যাচ্ছে।
🔴 মূল পয়েন্ট
- 📌 ২০২৭ শিক্ষাবর্ষে প্রাথমিকের ১ম থেকে ৫ম শ্রেণি পর্যন্ত লটারির মাধ্যমে ভর্তি হবে — কোনো শ্রেণিতেই ভর্তি পরীক্ষা থাকবে না।
- 📌 মাধ্যমিক স্তরে (৬ষ্ঠ থেকে ১০ম শ্রেণি) ভর্তি পরীক্ষা চালু থাকবে — এই সিদ্ধান্তে পরিবর্তন আসবে না।
- 📌 শিক্ষামন্ত্রী আ ন ম এহছানুল হক মিলন জানিয়েছেন, বিষয়টি শিক্ষাসংশ্লিষ্ট ব্যক্তিদের মতামতের ভিত্তিতে সিদ্ধান্ত নেওয়া হবে।
- 📌 ২০১১ সাল থেকে শুধু প্রথম শ্রেণিতে লটারির পদ্ধতি চালু ছিল, বাকি শ্রেণিতে পরীক্ষা ছিল। করোনা সংকটে ২০২১ সালে সব শ্রেণিতে লটারি চালু হয়।
- 📌 ৮ আগস্ট থেকে প্রথম শ্রেণির ভর্তি পরীক্ষা বাতিল করে লটারি পদ্ধতি পুনরায় চালু করার কথা ঘোষণা করা হয়েছিল।
- 📌 ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের অধ্যাপক তারিক মনজুর বলেছেন, লটারির মাধ্যমে ‘ভালো’ ও ‘খারাপ’ স্কুলের ব্যবধান কমাতে পারা যেতে পারে।
- 📌 কোচিং বাণিজ্য ও শিশুদের চাপ কমাতে লটারিকে শ্রেষ্ঠ পদ্ধতি হিসেবে বিবেচনা করা হলেও, লটারির স্বচ্ছতা নিয়ে অভিভাবকদের মধ্যে সন্দেহ রয়েছে।
📰 বিস্তারিত
শিক্ষা মন্ত্রণালয় প্রাথমিক শিক্ষা স্তরে বিপুল পরিবর্তনের ঘোষণা দিয়েছে। ২০২৭ শিক্ষাবর্ষ থেকে প্রাথমিকের প্রথম থেকে পঞ্চম শ্রেণি পর্যন্ত শিক্ষার্থী ভর্তি সম্পূর্ণ লটারির মাধ্যমে পরিচালিত হবে। এই সিদ্ধান্তের মাধ্যমে শিক্ষা বিভাগের জন্য নতুন চ্যালেঞ্জের সৃষ্টি হতে পারে, কিন্তু শিক্ষাবিদ ও অভিভাবকদের মধ্যে এই পদ্ধতির প্রতি আস্থা ও সন্দেহের মিশ্র প্রতিক্রিয়া লক্ষ্য করা যাচ্ছে।
শিক্ষামন্ত্রী আ ন ম এহছানুল হক মিলন জানিয়েছেন, বিষয়টি শিক্ষাসংশ্লিষ্ট ব্যক্তিদের মতামতের ভিত্তিতে সিদ্ধান্ত নেওয়া হবে। গত মার্চে তিনি এক সংবাদ সম্মেলনে ঘোষণা দিয়েছিলেন যে, ভর্তিতে লটারির পরিবর্তে ভর্তি পরীক্ষা চালু করা হবে। তবে পরবর্তীতে এই সিদ্ধান্ত পরিবর্তন করে লটারির পদ্ধতি পুনরায় চালু করার কথা জানানো হয়েছে।
২০১১ শিক্ষাবর্ষ থেকে শুধু প্রথম শ্রেণিতে লটারির পদ্ধতি চালু করা হয়েছিল। পরের বছর বেসরকারি বিদ্যালয়েও একই পদ্ধতি চালু হয়। তবে দ্বিতীয় থেকে নবম শ্রেণি পর্যন্ত ভর্তি তখনো পরীক্ষার মাধ্যমে হতো। করোনাভাইরাসের সংক্রমণের কারণে ২০২১ শিক্ষাবর্ষে সব শ্রেণিতেই লটারির মাধ্যমে শিক্ষার্থী ভর্তি করা হয়। এরপর এই পদ্ধতিই অব্যাহত ছিল। এখন নতুন পরিকল্পনা বাস্তবায়িত হলে প্রথম শ্রেণির পাশাপাশি দ্বিতীয় থেকে পঞ্চম শ্রেণিতেও লটারির মাধ্যমে ভর্তি নেওয়া হবে।
শিক্ষাবিদদের মতে, ভর্তিতে লটারিকেই শ্রেয়তর পদ্ধতি বলা যেতে পারে। কারণ, ভর্তি পরীক্ষা চালু হলে শিশুদের ওপর অপ্রয়োজনীয় চাপ বাড়বে। পাশাপাশি কোচিং ও প্রাইভেটনির্ভরতা নতুন করে বাড়তে পারে, যা শিক্ষাব্যবস্থায় বৈষম্য আরও বাড়াবে। তবে লটারির স্বচ্ছতা নিয়ে অভিভাবকদের মধ্যে সন্দেহ রয়েছে। তাই পুরো প্রক্রিয়ায় আরও স্বচ্ছতা আনা দরকার বলে মনে করা হচ্ছে।
"ভর্তিতে লটারিকেই শ্রেয়তর পদ্ধতি বলব। তবে এই লটারির স্বচ্ছতা নিয়েও অভিভাবকদের মধ্যে সন্দেহ রয়েছে। তাই পুরো প্রক্রিয়ায় আরও স্বচ্ছতা আনা দরকার।"
ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের অধ্যাপক তারিক মনজুর বলেন, কোনো কোনো স্কুলে শিক্ষার্থী ভর্তির জন্য অভিভাবকদের অতিরিক্ত আগ্রহ থাকে। সমস্যার শুরু মূলত এখান থেকেই। এটি দূর করতে ‘ভালো’ ও ‘খারাপ’ স্কুলের ব্যবধান কমাতে হবে। আর প্রাথমিক স্তরে শিক্ষার্থী ভর্তির জন্
📊 তথ্যের সারসংক্ষেপ
- 📍 স্থান: ঢাকা (শিক্ষা মন্ত্রণালয়, ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়)
- 👥 খবরের মুখ্য ব্যক্তি: শিক্ষামন্ত্রী আ ন ম এহছানুল হক মিলন, অধ্যাপক তারিক মনজুর
- 🔢 গুরুত্বপূর্ণ সংখ্যা: ২০২৭ (শিক্ষাবর্ষ), ১ম থেকে ৫ম শ্রেণি, ৮ (আগস্ট), ২০১১ (লটারি চালু), ২০২১ (করোনা সংকটে সব শ্রেণিতে লটারি)
💬 মন্তব্য (0)
এখনো কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্য করুন!