📌 প্রাথমিক ও গণশিক্ষা প্রতিমন্ত্রী ববি হাজ্জাজ প্রাথমিক শিক্ষার সংস্কারে কারিকুলাম, শিক্ষক, মনিটরিং, অবকাঠামো ও প্রযুক্তি পাঁচটি বিষয়কে অগ্রাধিকার দেবার ঘোষণা দিয়েছেন। ২০২৮ সালের নতুন কারিকুলামে শিখনফলভিত্তিক ও শিশুবান্ধব পদ্ধতি চালু করার পরিকল্পনা রয়েছে
প্রাথমিক ও গণশিক্ষা প্রতিমন্ত্রী ববি হাজ্জাজ প্রাথমিক শিক্ষার গুণগত মান উন্নয়নে পাঁচটি কী-অগ্রাধিকার বিষয় নির্ধারণ করেছেন। তিনি বলেছেন, কারিকুলাম সংস্কার, শিক্ষক প্রশিক্ষণ, মনিটরিং ব্যবস্থা, শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের অবকাঠামো উন্নয়ন এবং ডিজিটাল প্রযুক্তি ব্যবহারকে মূলধারায় নিয়ে আসা হবে।
🔴 মূল পয়েন্ট
- 📌 কারিকুলাম সংস্কার: ২০২৮ সালের নতুন কারিকুলামে বাংলা, গণিত ও ইংরেজিতে দক্ষতা বৃদ্ধি, খেলনাভিত্তিক শিক্ষা, ডিজিটাল কনটেন্ট এবং ব্যবহারিক শিখন কার্যক্রমকে কেন্দ্রীয় বিষয় হিসেবে চিহ্নিত করা হয়েছে।
- 📌 শিক্ষক প্রশিক্ষণ: শিক্ষক নিয়োগ, প্রাক্-চাকরি প্রশিক্ষণ, পদায়ন ও পেশাগত উন্নয়নের জন্য সমন্বিত নীতিমালা প্রণয়ন চলছে। শিক্ষকদের নিয়মিত পেশাগত উন্নয়ন নিশ্চিত করার লক্ষ্যে প্রশিক্ষণ ব্যবস্থা শক্তিশালী করা হবে।
- 📌 মনিটরিং ব্যবস্থা: মাঠপর্যায়ে জনবলসংকট ও প্রশাসনিক চাপ কমাতে ১১ ধাপের ডিজিটাল বিদ্যালয় পরিদর্শন পদ্ধতি চালু করা হবে। শিক্ষকদের উপস্থিতি ও শিক্ষার্থীদের প্রকৃত শিখন নিশ্চিত করার লক্ষ্যে মনিটরিং ব্যবস্থা আরও কার্যকর করা হবে।
- 📌 অবকাঠামো উন্নয়ন: প্রাথমিক শিক্ষার মানোন্নয়ন ও ঝরে পড়া রোধে অবকাঠামো উন্নয়নের পাশাপাশি শিক্ষকদের মর্যাদা, বেতন-ভাতা ও পেশাগত দক্ষতা বৃদ্ধিতে অগ্রাধিকার দেওয়া হবে।
- 📌 শিক্ষার্থীদের শিখন বৈষম্য: সরকারি ও বেসরকারি প্রাথমিক শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের জন্য প্রয়োজনীয় মানদণ্ড নির্ধারণ করা হবে এবং শিক্ষা সময়ের বৈষম্য কমানোর উদ্যোগ নেওয়া হবে।
📰 বিস্তারিত
সোমবার রাজধানীর একটি হোটেলে ‘মাঠপর্যায় থেকে সংস্কার: বাংলাদেশের প্রাথমিক শিক্ষার অগ্রযাত্রা’ শীর্ষক জাতীয় সংলাপ ও অভিজ্ঞতা বিনিময় কর্মশালায় ববি হাজ্জাজ সভাপতিত্ব করেন। তিনি বলেন, প্রাথমিক শিক্ষার প্রতিটি ক্ষেত্র একে অপরের সঙ্গে নিবিড়ভাবে সম্পর্কিত। তাই মাঠপর্যায়ের বাস্তবতা ও সংশ্লিষ্ট অংশীজনদের মতামতের ভিত্তিতে সমন্বিত সংস্কার কার্যক্রম এগিয়ে নিতে হবে।
প্রতিমন্ত্রী বলেন, শিক্ষকদের প্রশিক্ষণ ছাড়া শ্রেণিকক্ষে পাঠদান করা যাবে না। বিষয়ভিত্তিক দক্ষতা বৃদ্ধি ও নিয়মিত পেশাগত উন্নয়ন নিশ্চিত করার লক্ষ্যে শিক্ষক নীতিমালা প্রণয়ন চলছে। তিনি আরও বলেন, মনিটরিং ব্যবস্থায় শুধু প্রতিবেদন তৈরি নয়, বরং শিক্ষকদের উপস্থিতি ও শিক্ষার্থীদের প্রকৃত শিখন নিশ্চিত করার লক্ষ্যে ১১ ধাপের ডিজিটাল পরিদর্শন পদ্ধতি চালু করা হবে।
পরিকল্পনা প্রতিমন্ত্রী মো. জোনায়েদ আব্দুর রহিম সাকি বলেন, প্রাথমিক শিক্ষার মানোন্নয়ন ও ঝরে পড়া রোধে অবকাঠামো উন্নয়নের পাশাপাশি শিক্ষকদের মর্যাদা, বেতন-ভাতা ও পেশাগত দক্ষতা বৃদ্ধিতে অগ্রাধিকার দিতে হবে। অনুষ্ঠানে স্বাগত বক্তব্য দেন প্রাথমিক শিক্ষা অধিদপ্তরের মহাপরিচালক শাহীনা ফেরদৌসী।
"প্রাথমিক শিক্ষার প্রতিটি ক্ষেত্র একে অপরের সঙ্গে নিবিড়ভাবে সম্পর্কিত। তাই মাঠপর্যায়ের বাস্তবতা ও অংশীজনদের মতামতের ভিত্তিতে সমন্বিত সংস্কার কার্যক্রম এগিয়ে নিতে হবে।"
📊 তথ্যের সারসংক্ষেপ
- 📍 স্থান: রাজধানী, বাংলাদেশ
- 👥 খবরের মুখ্য ব্যক্তি: ববি হাজ্জাজ (প্রাথমিক ও গণশিক্ষা প্রতিমন্ত্রী), মো. জোনায়েদ আব্দুর রহিম সাকি (পরিকল্পনা প্রতিমন্ত্রী), শাহীনা ফেরদৌসী (প্রাথমিক শিক্ষা অধিদপ্তরের মহাপরিচালক)
- 🔢 গুরুত্বপূর্ণ সংখ্যা: ১১ ধাপের ডিজিটাল বিদ্যালয় পরিদর্শন পদ্ধতি
💬 মন্তব্য (0)
এখনো কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্য করুন!