📌 আগামী শিক্ষাবর্ষে প্রাক্-প্রাথমিক থেকে দশম শ্রেণি পর্যন্ত প্রায় ৩১ কোটি বই ছাপার কাজে প্রাথমিক স্তরে অগ্রগতি হলেও মাধ্যমিক স্তরে পিছিয়ে রয়েছে। এনসিটিবি লক্ষ্য করছে ৩০ নভেম্বর পর্যন্ত বই ছাপা শেষ করা, কিন্তু চতুর্থ ও ষষ্ঠ শ্রেণির জন্য নতুন ৪টি বইয়ের অনুমোদন এখনো দেওয়া হয়নি
আগামী শিক্ষাবর্ষে প্রাক্-প্রাথমিক থেকে নবম-দশম শ্রেণি পর্যন্ত প্রায় ৩১ কোটি পাঠ্যবই ছাপার কাজে প্রাথমিক স্তরে অগ্রগতি হলেও মাধ্যমিক স্তরে বই সরবরাহে উল্লেখযোগ্য পিছিয়ে রয়েছে। শিক্ষাবর্ষের শুরুতে সব শিক্ষার্থীকে সব পাঠ্যবই হাতে পৌঁছানো নিয়ে প্রশ্ন উঠেছে। এনসিটিবি সূত্রে জানা গেছে, এ পর্যন্ত নবম-দশম শ্রেণির মাত্র ৩ শতাংশের মতো বই সরবরাহ করা হয়েছে।
🔴 মূল পয়েন্ট
- 📌 প্রাক্-প্রাথমিক থেকে দশম শ্রেণি পর্যন্ত প্রায় ৩১ কোটি বই ছাপার কাজ চলছে, এর মধ্যে প্রাথমিক স্তরের বই সরবরাহের অগ্রগতি ভালো (৭৪ শতাংশ সরবরাহ) কিন্তু মাধ্যমিক স্তরে মাত্র ৪০ শতাংশ সরবরাহ হয়েছে
- 📌 চতুর্থ ও ষষ্ঠ শ্রেণির জন্য নতুন করে যুক্ত হওয়া ৪টি বইয়ের (বাংলাদেশের সংস্কৃতি, খেলাধুলা, আমার কারিগরি শিক্ষা, আনন্দময় শিক্ষা) ছাপার অনুমোদন এখনো দেওয়া হয়নি
- 📌 এনসিটিবির লক্ষ্য ৩০ নভেম্বর পর্যন্ত বই ছাপা শেষ করে মাঠপর্যায়ে পাঠানো, কিন্তু কিছু মুদ্রণকারী প্রতিষ্ঠান কয়েক দিন পিছিয়ে পড়তে পারে
- 📌 ২০১০ সাল থেকে বিনামূল্যে বই বিতরণ শুরু হলেও প্রতি বছর শিক্ষাবর্ষের শুরুতে বই সরবরাহে অনিশ্চয়তা থাকে
- 📌 নতুন বইয়ে যুক্ত করা হয়েছে মুক্তিযুদ্ধের সেক্টর ও ব্রিগেড ফোর্স, বীরশ্রেষ্ঠদের জীবনী, ১৯৭৫ সালের ৭ নভেম্বরের ঘটনা এবং খালেদা জিয়ার গণ-অভ্যুত্থান ভূমিকা
📰 বিস্তারিত
আগামী শিক্ষাবর্ষের জন্য প্রাক্-প্রাথমিক থেকে নবম-দশম শ্রেণি পর্যন্ত প্রায় ৩১ কোটি পাঠ্যবই ছাপার কাজ চলছে। এর মধ্যে প্রাথমিক স্তরের বই সরবরাহের অগ্রগতি ভালো হলেও মাধ্যমিক স্তরে পিছিয়ে রয়েছে। এনসিটিবি সূত্রে জানা গেছে, এ পর্যন্ত নবম-দশম শ্রেণির মাত্র ৩ শতাংশের মতো বই সরবরাহ করা হয়েছে। প্রাথমিক স্তরের বইয়ের সরবরাহ ৭৪ শতাংশে পৌঁছেছে, যেখানে মাধ্যমিক স্তরে মাত্র ৪০ শতাংশ সরবরাহ করা হয়েছে।
২০ অক্টোবর পর্যন্ত প্রাথমিক স্তরের ৮৬ শতাংশ বই ছাপার কাজ শেষ হয়েছে। বাঁধাই ও প্রাক্-সরবরাহ পরিদর্শন শেষে সরবরাহ করা হয়েছে ৭৪ শতাংশ বই। অন্যদিকে, প্রথম দফায় দরপত্র হওয়া মাধ্যমিক স্তরের ২০ কোটি ৮৪ লাখের বেশি বইয়ের প্রায় ৫০ শতাংশ ছাপার কাজ শেষ হয়েছে ২১ অক্টোবর পর্যন্ত। এনসিটিবির সদস্য (পাঠ্যপুস্তক) অধ্যাপক মোহাম্মদ আবু নাসের বলেছেন, তাঁদের লক্ষ্য ৩০ নভেম্বর পর্যন্ত বই ছাপার কাজ শেষ করে মাঠপর্যায়ে পাঠানো। তিনি বলেছেন, এখন পর্যন্ত বই ছাপার অগ্রগতিতে তাঁরা সন্তুষ্ট এবং নির্ধারিত সময় অর্থাৎ জানুয়ারিতে শিক্ষার্থীদের হাতে সব পাঠ্যবই তুলে দিতে পারবেন বলে আশা করছেন।
নতুন শিক্ষাবর্ষে চতুর্থ ও ষষ্ঠ শ্রেণির জন্য নতুন করে যুক্ত করা হয়েছে চারটি বই। চতুর্থ শ্রেণির বই দুটি হলো ‘বাংলাদেশের সংস্কৃতি’ ও ‘খেলাধুলা’। ষষ্ঠ শ্রেণির বই দুটি হলো ‘আমার কারিগরি শিক্ষা’ ও ‘আনন্দময় শিক্ষা’। এছাড়া নবম-দশম শ্রেণির বাংলা বইয়ে যুক্ত করা হয়েছে সাবেক রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমানের লেখা ‘স্বাধীনতাযুদ্ধের স্মৃতি’ নিবন্ধ। পাশাপাশি বাংলাদেশের স্বাধীনতার ঘোষণা-সম্পর্কিত বর্ণনাতেও পরিবর্তন আনা হয়েছে।
"আমাদের লক্ষ্য ৩০ নভেম্বর পর্যন্ত বই ছাপার কাজ শেষ করে মাঠপর্যায়ে পাঠানো। এখন পর্যন্ত বই ছাপার অগ্রগতিতে আমরা সন্তুষ্ট। নির্ধারিত সময় অর্থাৎ জানুয়ারিতে শিক্ষার্থীদের হাতে সব পাঠ্যবই তুলে দিতে পারবেন বলে আশা করছি।"
📊 তথ্যের সারসংক্ষেপ
- 📍 স্থান: বাংলাদেশ (এনসিটিবি কার্যালয়)
- 👥 খবরের মুখ্য ব্যক্তি: অধ্যাপক মোহাম্মদ আবু নাসের (এনসিটিবি সদস্য)
- 🔢 গুরুত্বপূর্ণ সংখ্যা: ৩১ কোটি বই, ৭৪ শতাংশ সরবরাহ (প্রাথমিক), ৪০ শতাংশ সরবরাহ (মাধ্যমিক), ৪টি নতুন বই
💬 মন্তব্য (0)
এখনো কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্য করুন!