📌 প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান শিশু অধিকার দিবস ও বাংলাদেশ শিশু একাডেমির ৫০ বছর পূর্তি অনুষ্ঠানে বলেছেন, শিশুদের প্রতিভা বিকাশের জন্য সরকার বিভিন্ন উদ্যোগ গ্রহণ করেছে। তিনি ২২ লাখ শিশুকে ফুটবল প্রতিযোগিতায় অংশগ্রহণের কথা উল্লেখ করে ভবিষ্যতের আন্তর্জাতিক খেলোয়াড় উত্থানের আশা প্রকাশ করেছেন
শিশুদের প্রতিভা বিকাশের গুরুত্ব ও সরকারের উদ্যোগ তুলে ধরেছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান। তিনি বলেছেন, শিশুদের যথাযথ বিকাশের মাধ্যমে দেশের ভবিষ্যৎ শক্তিশালী হবে। শিশু অধিকার দিবস ২০২৬ ও বাংলাদেশ শিশু একাডেমির ৫০ বছর পূর্তি উপলক্ষে অনুষ্ঠিত অনুষ্ঠানে তিনি এসব কথা বলেন।
🔴 মূল পয়েন্ট
- 📌 **২২ লাখ শিশু** (১১ লাখ ছেলে ও ১১ লাখ মেয়ে) প্রথমবারের মতো সারাদেশের প্রাথমিক বিদ্যালয় পর্যায়ে ফুটবল প্রতিযোগিতায় অংশ নিয়েছে
- 📌 **২০২৭-২৮ সাল থেকে** শিশুদের আগ্রহ অনুযায়ী গান, বাদ্যযন্ত্র ও খেলাধুলায় বিশেষ সুযোগ দেওয়ার পরিকল্পনা
- 📌 **৫০ বছর পুরনো** বাংলাদেশ শিশু একাডেমিতে প্রধানমন্ত্রী নিজের শৈশবের স্মৃতি স্মরণ করেন, যেখানে তার ও ছোট ভাইয়ের লেখা প্রকাশিত হয়েছিল
- 📌 **বাংলা, ইংরেজি, আরবি, ম্যান্ডারিন, জার্মান ও জাপানি** ভাষা থেকে শিক্ষার্থীরা একটি ভাষা বেছে নিতে পারবে
- 📌 **সিলেট থেকে ঢাকার আর্মি স্টেডিয়াম** পর্যন্ত শিশুদের জন্য ক্রীড়া কার্যক্রম চালু করার ঘোষণা
📰 বিস্তারিত
মঙ্গলবার অনুষ্ঠানের শুরুতেই প্রধানমন্ত্রী বলেন, শিশুদের জন্য আয়োজন করা হলেও এখানে বড়দের বক্তব্য শোনার চেয়ে শিশুদের কথা বেশি গুরুত্ব পাবে। তিনি নিজের শৈশবের স্মৃতি তুলে ধরেন, যেখানে শিশু একাডেমির ‘শিশু’ ম্যাগাজিনে তার ও ছোট ভাইয়ের লেখা প্রকাশিত হয়েছিল। অনুষ্ঠানে প্রদর্শিত বোর্ডে নিজের লেখা গল্প ও ভাইয়ের লেখা দেখে পুরোনো স্মৃতি ফিরে আসে বলে তিনি জানান।
প্রধানমন্ত্রী শিশুদের শুধু পড়াশোনায় সীমাবদ্ধ রাখা উচিত নয়, খেলাধুলা, শিল্প-সংস্কৃতি ও সংগীতচর্চার সুযোগ দিতে বলেন। তিনি বলেন, প্রতিটি শিশুর মধ্যে প্রতিভা রয়েছে — কেউ কবিতা আবৃত্তি করে, কেউ গান গায়, আবার কেউ খেলাধুলায় আগ্রহী। এসব গুণ বিকাশের জন্য সরকার উপযুক্ত পরিবেশ তৈরি করছে।
তিনি উল্লেখ করেন, সরকার প্রাথমিক পর্যায় থেকেই শিশুদের খেলাধুলায় অংশগ্রহণ নিশ্চিত করার উদ্যোগ নিচ্ছে। ২২ লাখ শিশুকে ফুটবল প্রতিযোগিতায় অংশগ্রহণের মাধ্যমে ভবিষ্যতে আন্তর্জাতিক মানের খেলোয়াড় উত্থানের আশা প্রকাশ করেন। এছাড়া ‘নতুন কুঁড়ি’ কার্যক্রমের পাশাপাশি সিলেট থেকে ঢাকার আর্মি স্টেডিয়াম পর্যন্ত শিশুদের জন্য ক্রীড়া আয়োজন করা হবে।
প্রধানমন্ত্রী বলেন, শহর ও গ্রামের শিশুদের জন্য শিল্প, সংস্কৃতি, সংগীত ও খেলাধুলার সুযোগ নিশ্চিত করা হবে। তিনি জানান, ২০২৭ বা ২০২৮ সাল থেকে শিশুদের আগ্রহ অনুযায়ী গান, বাদ্যযন্ত্র ও খেলাধুলায় বিশেষ সুযোগ দেওয়ার পরিকল্পনা রয়েছে। এছাড়া শিক্ষার্থীরা বাংলা ও ইংরেজির পাশাপাশি আরবি, ম্যান্ডারিন, জার্মান ও জাপানি ভাষা থেকে একটি ভাষা বেছে নিতে পারবে।
"প্রত্যেক শিশুর মধ্যেই কোনো না কোনো বিশেষ গুণ রয়েছে। প্রয়োজন শুধু সেই গুণ বিকাশের উপযুক্ত সুযোগ তৈরি করা।"
📊 তথ্যের সারসংক্ষেপ
- 📍 স্থান: ঢাকা (আর্মি স্টেডিয়াম), সিলেট, বাংলাদেশ শিশু একাডেমি
- 👥 মুখ্য ব্যক্তি: প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান
- 🔢 গুরুত্বপূর্ণ সংখ্যা: ৫০ বছর (শিশু একাডেমির পূর্তি), ২২ লাখ শিশু (ফুটবল প্রতিযোগিতা)
💬 মন্তব্য (0)
এখনো কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্য করুন!