📅 ১ অক্টোবর ২০২৬, ১০:২৫ অপরাহ্ণ এআই প্রযুক্তিতে যাচাই করা সর্বশেষ সঠিক বাংলা সংবাদ।
⚡ শেষ মুহূর্ত

পিরোজপুরের ভাণ্ডারিয়া উপজেলায় ৬২টি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে প্রধান শিক্ষক শূন্য, পাঠদান ও প্রশাসন দুর্বল হচ্ছে শিক্ষকদের চাপে

পিরোজপুরের ভাণ্ডারিয়া উপজেলায় ৬২টি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে প্রধান শিক্ষক শূন্য, পাঠদান ও প্রশাসন দুর্বল হচ্ছে শিক্ষকদের চাপে

📷 ছবি: নয়া দিগন্ত

📡 নিউজ সোর্সগুলি:
🔗 Naya Diganta ↗ ⚠ একক সোর্স
ℹ️ এই প্রতিবেদনটি কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা (AI) দ্বারা একাধিক সংবাদমাধ্যমের তথ্যের ভিত্তিতে পুনর্লিখিত। মূল নিউজ সোর্সগুলি নিচে উল্লেখ করা হয়েছে।

📌 পিরোজপুরের ভাণ্ডারিয়া উপজেলায় ৬২টি সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে দীর্ঘদিন ধরে প্রধান শিক্ষকের পদ শূন্য রয়েছে। জ্যেষ্ঠ সহকারী শিক্ষকরা ভারপ্রাপ্ত প্রধান শিক্ষকের দায়িত্ব পালন করছেন, ফলে পাঠদান ও প্রশাসনিক কাজে তাদের অতিরিক্ত চাপ বাড়ছে। শিক্ষকদের জাতীয়করণের মামলা নিষ্পত্তি হলেও পদপূরণে জটিলতা অব্যাহত

পিরোজপুরের ভাণ্ডারিয়া উপজেলার ৬২টি সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে দীর্ঘদিন ধরে প্রধান শিক্ষকের পদ শূন্য রয়েছে। এতে জ্যেষ্ঠ সহকারী শিক্ষকরা ভারপ্রাপ্ত প্রধান শিক্ষকের দায়িত্ব নিয়ে শ্রেণিকক্ষ ও প্রশাসনিক কাজে একসাথে ব্যস্ত থাকছেন, যা শিক্ষা কার্যক্রম ও তাদের চাপকে আরও বাড়িয়ে তুলছে। উপজেলা প্রাথমিক শিক্ষা কর্মকর্তা মো: বদিউজ্জামান জানান, প্রধান শিক্ষক না থাকায় ভারপ্রাপ্তদের পাঠদান ও অফিসিয়াল কাজে ব্যস্ততা বাড়ছে।

🔴 মূল পয়েন্ট

  • 📌 পিরোজপুরের ভাণ্ডারিয়া উপজেলায় **৬২টি সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে** দীর্ঘদিন ধরে **প্রধান শিক্ষকের পদ শূন্য** রয়েছে
  • 📌 **১৬২টি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের মধ্যে** ৬২টি বিদ্যালয়ে প্রধান শিক্ষক নেই, আর **১০০টি বিদ্যালয়ের মধ্যে ৪৮টি**তে জ্যেষ্ঠ সহকারী শিক্ষকরা ভারপ্রাপ্ত প্রধান শিক্ষকের দায়িত্ব পালন করছেন
  • 📌 **৯৭ জন সহকারী শিক্ষকের পদও শূন্য**, যা শিক্ষকদের চাপকে আরও বাড়িয়ে তুলছে
  • 📌 **২০২৩ সালে দায়ের করা মামলা** ২০২৬ সালের **২ জুলাই নিষ্পত্তি** হলেও রায়ের বিষয়বস্তু এখনো প্রকাশ করা হয়নি
  • 📌 ভারপ্রাপ্ত প্রধান শিক্ষকদের **পাঠদান ও প্রশাসনিক কাজে একসাথে ব্যস্ততা** শিক্ষা কার্যক্রমে ব্যাহত হচ্ছে

📰 বিস্তারিত

ভাণ্ডারিয়া উপজেলা প্রাথমিক শিক্ষা কর্মকর্তা মো: বদিউজ্জামান জানান, উপজেলার ১৬২টি সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের মধ্যে ৬২টি বিদ্যালয়ে প্রধান শিক্ষকের পদ দীর্ঘদিন ধরে শূন্য রয়েছে। এছাড়া ৯৭ জন সহকারী শিক্ষকের পদও শূন্য। উপজেলার ১০০টি বিদ্যালয়ের মধ্যে ৪৮টি বিদ্যালয়ে জ্যেষ্ঠ সহকারী শিক্ষকরা ভারপ্রাপ্ত প্রধান শিক্ষকের দায়িত্ব পালন করছেন। এতে শিক্ষকদের পাঠদান ও প্রশাসনিক কাজে অতিরিক্ত চাপ বাড়ছে।

ভাণ্ডারিয়া মডেল সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক আব্দুর রাজ্জাক বলেন, প্রধান শিক্ষক না থাকায় ভারপ্রাপ্ত দায়িত্ব পালনকারী শিক্ষকদের একইসাথে শ্রেণিকক্ষের পাঠদান ও প্রশাসনিক কাজ করতে হচ্ছে। ফলে স্বাভাবিক শিক্ষা কার্যক্রমে কিছুটা সমস্যা হচ্ছে।

২০২৩ সালে জ্যেষ্ঠ সহকারী শিক্ষকদের প্রধান শিক্ষক পদে পদায়নের দাবিতে আদালতে মামলা দায়ের করা হয়েছিল। মামলাটি ২০২৬ সালের ২ জুলাই নিষ্পত্তি হলেও রায়ের বিষয়বস্তু এখনো প্রকাশ করা হয়নি। উপজেলার ৬৮ নম্বর হাই সংলগ্ন সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের জ্যেষ্ঠ সহকারী শিক্ষক মো: সাইদুর রহমান সুমন জানান, মামলাটি নিষ্পত্তি হলেও রায়ের বিষয়বস্তু জানা যায়নি।

"প্রধান শিক্ষক না থাকায় ভারপ্রাপ্ত প্রধান শিক্ষকদের শ্রেণিকক্ষে পাঠদান ও প্রশাসনিক কাজে একসাথে ব্যস্ত থাকতে হয়। ফলে শিক্ষা কার্যক্রমে ব্যাহত হচ্ছে।"

— মো: বদিউজ্জামান, ভাণ্ডারিয়া উপজেলা প্রাথমিক শিক্ষা কর্মকর্তা

📊 তথ্যের সারসংক্ষেপ

  • 📍 স্থান: ভাণ্ডারিয়া উপজেলা, পিরোজপুর
  • 👥 খবরের মুখ্য ব্যক্তি: মো: বদিউজ্জামান, মো: সাইদুর রহমান সুমন, আব্দুর রাজ্জাক
  • 🔢 গুরুত্বপূর্ণ সংখ্যা: ৬২টি প্রধান শিক্ষক শূন্য বিদ্যালয়, ৯৭ জন সহকারী শিক্ষক শূন্য পদ, ৪৮টি ভারপ্রাপ্ত প্রধান শিক্ষক পরিচালিত বিদ্যালয়

📡 মূল নিউজ সোর্সসমূহ

এই প্রতিবেদনটি নিচের সংবাদমাধ্যমগুলোর তথ্যের ভিত্তিতে প্রস্তুত করা হয়েছে। মূল সংবাদ পড়তে নিচের লিংকে ক্লিক করুন:

📤 শেয়ার করুন: 📘 Facebook 💬 WhatsApp 𝕏 Twitter 💼 LinkedIn ✈️ Telegram

💬 মন্তব্য (0)

এখনো কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্য করুন!

মন্তব্য অনুমোদনের পর প্রকাশ করা হবে। ইমেইল প্রকাশিত হবে না।
🤖