📌 প্রথম আলো ট্রাস্টের ১৮২তম অনলাইন পরামর্শ সভায় মনোরোগ বিশেষজ্ঞ ডা. আহমেদ হেলাল বলেছেন, শৈশব থেকেই সন্তানকে সমাজের সব স্তরের মানুষের সাথে মেলামেশা করে বৈষম্যহীন মানসিকতা গড়ে তোলা জরুরি। অভিভাবকদের ভাষা ও মনোভাবের গুরুত্ব তুলে ধরেছেন তিনি
শিশু-কিশোরদের মানসিক বিকাশে অভিভাবকদের ভূমিকা অপরিহার্য। প্রথম আলো ট্রাস্টের আয়োজিত ১৮২তম অনলাইন পরামর্শ সভায় মনোরোগ বিশেষজ্ঞ ও শিশু-কিশোর বিশেষজ্ঞ অধ্যাপক ডা. আহমেদ হেলাল বৈষম্যহীন মানসিকতা গড়ে তোলার গুরুত্ব তুলে ধরেছেন। সভাটি অনুষ্ঠিত হয় ২৮ সেপ্টেম্বর ২০২৬ তারিখে প্রথম আলোর কার্যালয় কারওয়ান বাজারে। বিষয়বস্তু ছিল ‘সন্তানের আচরণ ও বন্ধু নির্বাচন: অভিভাবক হিসেবে আমাদের দায়িত্ব’।
🔴 মূল পয়েন্ট
- 📌 শৈশব থেকেই সন্তানকে সমাজের সব স্তরের মানুষের সাথে মেলামেশা করে বৈষম্যহীন মানসিকতা গড়ে তোলা জরুরি — ডা. আহমেদ হেলাল
- 📌 স্কুলের ইউনিফর্ম ও একই ধরনের টিফিন খাওয়ার পেছনে লুকিয়ে আছে ছাত্র-ছাত্রীদের মধ্যে সমতা সৃষ্টির মনস্তাত্ত্বিক উদ্দেশ্য
- 📌 অভিভাবকদের ভাষা ও শব্দচয়ন সন্তানের মনের মধ্যে বৈষম্য বা অহংকার তৈরি করতে পারে — বিশেষজ্ঞের সতর্কতা
- 📌 সমাজের ‘পিছিয়ে পড়া’ অবস্থান থেকেও মেধাবী ও সফল মানুষ উঠে আসেন — সন্তানদের সকলকে সমানভাবে গ্রহণের মানসিকতা শেখানো প্রয়োজন
📰 বিস্তারিত
ডা. আহমেদ হেলাল বলেছেন, অভিভাবকরা যদি ঘরে বসে সন্তানকে নির্দিষ্ট বস্তির মানুষের সাথে মিশতে নিষেধ করেন বা অন্যের অভিভাবককে ‘ভালো না’ বলে উল্লেখ করেন, তাহলে সন্তানের মনে মারাত্মক বৈষম্য ও অহংকারের বীজ বপন হয়। তিনি উল্লেখ করেছেন, সমাজের বিভিন্ন স্তর থেকে আসা মানুষের সাথে মেলামেশা করে সন্তানকে ইনক্লুসিভ মানসিকতা বিকাশের সুযোগ দিতে হবে।
অধ্যাপক ডা. হেলালের মতে, স্কুলের ইউনিফর্ম পরা বা একই ধরনের টিফিন খাওয়ার পেছনে একটি মনস্তাত্ত্বিক উদ্দেশ্য রয়েছে — ছাত্র-ছাত্রীদের মধ্যে সমতা সৃষ্টি। তিনি বলেছেন, অভিভাবকদের সন্তানদের সাথে কথা বলার সময় শব্দচয়ন ও ভাষা ব্যবহারের প্রতি সর্বোচ্চ সচেতন হতে হবে। কারণ, সন্তানের মনের মধ্যে বৈষম্য বা অহংকারের বীজ বপন করতে পারে এমন ভাষা বা শব্দ ব্যবহার করলে তা পরবর্তী জীবনে নেতিবাচক প্রভাব ফেলতে পারে।
সভায় উপস্থিত থাকা অভিভাবকদের জন্য এই পরামর্শ বিশেষভাবে গুরুত্বপূর্ণ। ডা. হেলালের মতে, শৈশব থেকেই সন্তানকে সমাজের সব স্তরের মানুষের সাথে মেলামেশা করে বৈষম্যহীন মানসিকতা গড়ে তোলা জরুরি। কারণ, সমাজের তথাকথিত ‘পিছিয়ে পড়া’ অবস্থান থেকেও অগণিত মেধাবী ও সফল মানুষ উঠে আসেন। সন্তানদের সকলকে সমানভাবে গ্রহণের মানসিকতা শেখানো অভিভাবকদের দায়িত্ব।
"ছোটবেলা থেকেই সন্তানকে সবাইকে সমানভাবে গ্রহণ করার মানসিকতা শেখানো জরুরি। সমাজের সব অর্থনৈতিক ও সামাজিক স্তরের মানুষের সাথে তাকে মেলামেশার সুযোগ দিতে হবে।"
📊 তথ্যের সারসংক্ষেপ
- 📍 স্থান: প্রথম আলো ট্রাস্টের কার্যালয়, কারওয়ান বাজার, ঢাকা
- 👥 খবরের মুখ্য ব্যক্তি: অধ্যাপক ডা. আহমেদ হেলাল (শিশু-কিশোর ও মনোরোগ বিশেষজ্ঞ)
- 🔢 গুরুত্বপূর্ণ সংখ্যা: ২৮ সেপ্টেম্বর ২০২৬ (সভার তারিখ), ১৮২তম (অনলাইন পরামর্শ সভা)
💬 মন্তব্য (0)
এখনো কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্য করুন!