📅 ১১ অক্টোবর ২০২৬, ৫:২০ পূর্বাহ্ণ এআই প্রযুক্তিতে যাচাই করা সর্বশেষ সঠিক বাংলা সংবাদ।
⚡ শেষ মুহূর্ত

নওগাঁর ৮৩টি সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে তিন মাস ধরে ইন্টারনেট অচল, ডিজিটাল প্রকল্পের সুফল ব্যাহত হচ্ছে

নওগাঁর ৮৩টি সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে তিন মাস ধরে ইন্টারনেট অচল, ডিজিটাল প্রকল্পের সুফল ব্যাহত হচ্ছে

📷 ছবি: Ajker Patrika

📡 নিউজ সোর্সগুলি:
🔗 আজকের পত্রিকা ↗ ⚠ একক সোর্স
ℹ️ এই প্রতিবেদনটি কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা (AI) দ্বারা একাধিক সংবাদমাধ্যমের তথ্যের ভিত্তিতে পুনর্লিখিত। মূল নিউজ সোর্সগুলি নিচে উল্লেখ করা হয়েছে।

📌 নওগাঁর সাপাহার উপজেলার ৮৩টি সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে তিন মাস ধরে ইন্টারনেট সংযোগ অচল রয়েছে। সার্ভার ত্রুটির কারণে শিক্ষকদের দাপ্তরিক কাজে ব্যাহত হচ্ছে। প্রকল্পের আওতায় ২০ এমবিপিএস ইন্টারনেট নিশ্চিত করার লক্ষ্যে স্বাক্ষরিত সমঝোতা স্মারক বাস্তবায়িত হচ্ছে না

নওগাঁ জেলার সাপাহার উপজেলার ৮৩টি সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে তিন মাস ধরে ইন্টারনেট সংযোগ সম্পূর্ণ অচল রয়েছে। সার্ভারের ত্রুটি এই অবস্থার মূল কারণ বলে জানা গেছে। শিক্ষকদের দাপ্তরিক যোগাযোগ, হাজিরা এবং অনলাইনভিত্তিক কার্যক্রমে স্থবিরতা সৃষ্টি হয়েছে।

🔴 মূল পয়েন্ট

  • 📌 নওগাঁর সাপাহার উপজেলায় ৮৩টি সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে তিন মাস ধরে ইন্টারনেট অচল
  • 📌 'ডিজিটাল সংযোগ স্থাপন (ইডিসি)-১ম সংশোধিত' প্রকল্পের আওতায় ২০ এমবিপিএস ইন্টারনেট নিশ্চিত করার লক্ষ্যে ২০২৫ সালের ১৪ আগস্ট সমঝোতা স্মারক স্বাক্ষরিত হয়েছিল
  • 📌 শিক্ষক ও কর্মকর্তারা জানান, ইন্টারনেট সেবা চালুর পর কাজের গতি বেড়েছিল, কিন্তু বর্তমানে কোনো কাজ করা সম্ভব নয়
  • 📌 সাপাহার উপজেলা প্রাথমিক শিক্ষা কর্মকর্তা ওয়াহেদুল্লাহ প্রামাণিক বলেছেন, সংশ্লিষ্টদের তিন দিনের মধ্যে সমস্যা সমাধানের আশ্বাস দেওয়া হয়েছে
  • 📌 ড্রিক্স আইসিটি লিমিটেডের ইঞ্জিনিয়ার শওকত হোসেন সুইট সার্ভারের সমস্যা থাকলেও তিন মাস ধরে সমস্যা চলছে এমন দাবি অস্বীকার করেছেন

📰 বিস্তারিত

সাপাহার উপজেলা প্রাথমিক শিক্ষা কর্মকর্তা ওয়াহেদুল্লাহ প্রামাণিক জানান, বিভিন্ন স্কুল থেকে ইন্টারনেট সমস্যার অভিযোগ পাওয়া যাচ্ছে। তিনি বলেন, বিষয়টি সংশ্লিষ্টদের জানানো হয়েছে এবং তারা আগামী তিন দিনের মধ্যে সমস্যা সমাধানের আশ্বাস দিয়েছেন।

শিক্ষক ও কর্মকর্তা সূত্রে জানা যায়, ‘ডিজিটাল সংযোগ স্থাপন (ইডিসি)-১ম সংশোধিত’ প্রকল্পের আওতায় ২০২৫ সালের ১৪ আগস্ট তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি অধিদপ্তর এবং প্রাথমিক শিক্ষা অধিদপ্তরের মধ্যে একটি সমঝোতা স্মারক স্বাক্ষরিত হয়। প্রকল্পটির লক্ষ্য ছিল দেশের সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়গুলোতে ‘এন্ড ইউজার কানেকটিভিটি’র মাধ্যমে উচ্চগতির (২০ এমবিপিএস) ইন্টারনেট নিশ্চিত করা।

সাপাহার মডেল সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক আমিরুল ইসলাম বলেন, “দাপ্তরিক অনেক কাজের জন্য ইন্টারনেট জরুরি। কিন্তু দীর্ঘদিন ধরে কোনো কাজ না হওয়ায় স্থানীয় ইন্টারনেট সংযোগ নিয়ে দাপ্তরিক কাজ চালাতে হচ্ছে।” অন্যদিকে, দমদমা সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক জাকারিয়া আলম জানান, “সংযোগ পাওয়ার পর কাজের গতি বাড়লেও বর্তমান অচলাবস্থায় শিক্ষক ও কর্মচারীরা ভোগান্তিতে পড়েছেন।”

প্রকল্পের সঙ্গে যুক্ত প্রযুক্তি প্রতিষ্ঠান ড্রিক্স আইসিটি লিমিটেডের ইঞ্জিনিয়ার শওকত হোসেন সুইট বলেন, “সার্ভারে সমস্যার কারণে কিছু জটিলতা তৈরি হয়েছে। সমাধানের চেষ্টা চলছে। তবে তিন মাস ধরে সমস্যা চলছে, এমন দাবি সঠিক নয়।”

"সংযোগ পাওয়ার পর কাজের গতি বাড়লেও বর্তমান অচলাবস্থায় শিক্ষক ও কর্মচারীরা ভোগান্তিতে পড়েছেন"
"দাপ্তরিক অনেক কাজের জন্য ইন্টারনেট জরুরি। কিন্তু দীর্ঘদিন ধরে কোনো কাজ না হওয়ায় স্থানীয় ইন্টারনেট সংযোগ নিয়ে দাপ্তরিক কাজ চালাতে হচ্ছে"

📊 তথ্যের সারসংক্ষেপ

  • 📍 স্থান: নওগাঁ জেলার সাপাহার উপজেলা
  • 👥 খবরের মুখ্য ব্যক্তি: ওয়াহেদুল্লাহ প্রামাণিক, আমিরুল ইসলাম, জাকারিয়া আলম, শওকত হোসেন সুইট
  • 🔢 গুরুত্বপূর্ণ সংখ্যা: ৮৩টি বিদ্যালয়, ৩ মাস, ২০ এমবিপিএস, ১৪ আগস্ট ২০২৫

📡 মূল নিউজ সোর্সসমূহ

এই প্রতিবেদনটি নিচের সংবাদমাধ্যমগুলোর তথ্যের ভিত্তিতে প্রস্তুত করা হয়েছে। মূল সংবাদ পড়তে নিচের লিংকে ক্লিক করুন:

📤 শেয়ার করুন: 📘 Facebook 💬 WhatsApp 𝕏 Twitter 💼 LinkedIn ✈️ Telegram

💬 মন্তব্য (0)

এখনো কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্য করুন!

মন্তব্য অনুমোদনের পর প্রকাশ করা হবে। ইমেইল প্রকাশিত হবে না।
🤖