📌 নওগাঁর মান্দা উপজেলার পালপাড়া গ্রামে মৃৎশিল্পের ঐতিহ্য বজায় রেখে মাটি দিয়ে তৈজসপত্র তৈরি করছেন স্থানীয়রা। তবে প্লাস্টিকের প্রতিযোগিতায় কদর হারিয়ে পেশা বদল করতে বাধ্য হচ্ছেন অনেক মৃৎশিল্পী
নওগাঁর মান্দা উপজেলার নারায়নপুর গ্রামের পালপাড়া এলাকায় মৃৎশিল্পের ঐতিহ্য এখনও বেঁচে আছে। এই অঞ্চলের বাসিন্দারা মাটি দিয়ে নানাবিধ তৈজসপত্র তৈরি করে জীবিকা নির্বাহ করছেন। তবে আধুনিকতার ছোঁয়ায় প্লাস্টিকের পণ্যগুলো দিন দিন জনপ্রিয়তা পাচ্ছে, ফলে মৃৎশিল্পের কদর কমে যাচ্ছে।
🔴 মূল পয়েন্ট
- 📌 নওগাঁর মান্দা উপজেলার পালপাড়া গ্রামে মাটি দিয়ে তৈজসপত্র তৈরি করে জীবিকা নির্বাহ করছেন স্থানীয় মৃৎশিল্পীরা
- 📌 প্লাস্টিকের প্রতিযোগিতায় মৃৎশিল্পের কদর কমে যাওয়ায় অনেক মৃৎশিল্পী পেশা বদল করতে বাধ্য হচ্ছেন
- 📌 গ্রাম বাংলার ঐতিহ্যবাহী মৃৎশিল্প এখনও মানুষের সঙ্গে সম্পর্কিত, প্রমাণ করছেন পালপাড়ার মৃৎশিল্পীরা
- 📌 প্রতিবেদনকারীর বয়স ১৭ বছর, তিনি রাজশাহী জেলার বাসিন্দা
📰 বিস্তারিত
২৯ সেপ্টেম্বর, সকাল ৮:১৫ মিনিটে প্রকাশিত একটি প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, নওগাঁর মান্দা উপজেলার নারায়নপুর গ্রামের পালপাড়া এলাকায় মৃৎশিল্পের ঐতিহ্য এখনও বজায় রয়েছে। এই এলাকার বাসিন্দারা মাটি দিয়ে নানাবিধ তৈজসপত্র তৈরি করে জীবিকা নির্বাহ করছেন। প্রতিবেদনকারীর মতে, এই এলাকাটি ঘুরে মৃৎশিল্পীদের মাটি দিয়ে তৈজসপত্র তৈরি করতে দেখা গেছে।
তারা জানিয়েছেন, মাটির তৈজসপত্রের কদর দিন দিন কমে যাচ্ছে। প্লাস্টিকের পণ্যগুলো দখল করছে সেই জায়গা, ফলে অনেক মৃৎশিল্পীকে পেশা বদল করতে হচ্ছে। তবে এই ঐতিহ্যবাহী শিল্প এখনও গ্রাম বাংলার একটি অবিচ্ছেদ্য অংশ হিসেবে পরিচিত। প্রতিবেদনকারীর মতে, পালপাড়ার মৃৎশিল্পীরা প্রমাণ করছেন যে, পুরোনো কলা ও হস্তশিল্প এখনও মানুষের সঙ্গে কতটা সম্পর্কিত।
প্রতিবেদনকারীর বয়স ১৭ বছর এবং তিনি রাজশাহী জেলার বাসিন্দা।
"মাটির তৈজসপত্রের কদর এখন একেবারেই নেই। দিন দিন সেই জায়গা দখল করছে প্লাস্টিক পণ্য।"
📊 তথ্যের সারসংক্ষেপ
- 📍 স্থান: পালপাড়া, নারায়নপুর গ্রাম, মান্দা উপজেলা, নওগাঁ
- 👥 খবরের মুখ্য ব্যক্তি: পালপাড়া এলাকার মৃৎশিল্পীরা
- 🔢 গুরুত্বপূর্ণ সংখ্যা: ১৭ বছর (প্রতিবেদনকারীর বয়স)
💬 মন্তব্য (0)
এখনো কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্য করুন!