📌 নোয়াখালী বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের (নোবিপ্রবি) পরিসংখ্যান বিভাগে ফল পুনঃনিরীক্ষণের জন্য প্রতি কোর্সে ২০০ টাকা ফি এবং স্বাক্ষর পেতে বিলম্বের অভিযোগ উঠেছে। শিক্ষার্থীরা ফি নির্ধারণের বিধিগত ভিত্তি ও প্রশাসনিক কাজে অযথা বিলম্বের বিরুদ্ধে প্রতিবাদ করছে। বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসন ফিরিয়ে দিয়েছে ফিরিয়ে দেওয়ার দাবি
নোয়াখালী বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয় (নোবিপ্রবি) পরিসংখ্যান বিভাগের ফল পুনঃনিরীক্ষণে প্রতি কোর্সে ২০০ টাকা ফি এবং প্রশাসনিক কাজে স্বাক্ষর পেতে বিলম্বের অভিযোগে শিক্ষার্থীদের মধ্যে বিতর্ক ছড়িয়ে পড়েছে। শিক্ষার্থীরা বিশ্ববিদ্যালয়ের অনুমোদন ছাড়াই এই ফি নির্ধারণ এবং স্বাক্ষর পেতে তিন কার্যদিবসের বেশি অপেক্ষা করতে হচ্ছে বলে অভিযোগ করছে।
🔴 মূল পয়েন্ট
- 📌 নোবিপ্রবির পরিসংখ্যান বিভাগে ফল পুনঃনিরীক্ষণের জন্য প্রতি কোর্সে ২০০ টাকা ফি নির্ধারণ করা হয়েছে, যা শিক্ষার্থীদের মধ্যে বিতর্ক সৃষ্টি করেছে।
- 📌 স্বাক্ষর পেতে তিন কার্যদিবসের বেশি অপেক্ষা করতে হচ্ছে, যা শিক্ষার্থীদের একাডেমিক ও ব্যক্তিগত পরিকল্পনা ব্যাহত করছে।
- 📌 শিক্ষার্থীরা দাবি করছে, ফি নির্ধারণের কোনো বিধিগত ভিত্তি নেই এবং অর্থ জমা দেওয়ার পরও ১০ কার্যদিবস অপেক্ষা করতে হয়।
- 📌 বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসন ফিরিয়ে দিয়েছে যে, ফি নির্ধারণের কোনো নিয়ম নেই এবং এটি বিভাগীয় সিদ্ধান্ত।
- 📌 চেয়ারম্যান ড. নাজমা বেগমের সাথে যোগাযোগ করা সম্ভব হয়নি, তিনি ফোন কেটে দিয়েছেন।
📰 বিস্তারিত
নোবিপ্রবির পরিসংখ্যান বিভাগের চেয়ারম্যান অধ্যাপক ড. নাজমা বেগমের স্বাক্ষরিত একটি নোটিশে শিক্ষার্থীদের ফল পুনঃনিরীক্ষণের জন্য প্রতি কোর্সে ২০০ টাকা ফি জমা দেওয়ার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। এই ফি বিভাগীয় হিসাব নম্বরে জমা দিতে হবে এবং ব্যাংক রসিদের মূল কপি জমা দেওয়ারও নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে। নোটিশ অনুযায়ী, আবেদন করার পর ১০ কার্যদিবসের মধ্যে ফলসংক্রান্ত তথ্য জানানো হবে। তবে শিক্ষার্থীরা এই সিদ্ধান্তের বিধিগত ভিত্তি নিয়ে প্রশ্ন তুলেছেন। তারা জানতে চান, নম্বর গণনায় ভুল থাকলে কেন ফি দিতে হবে এবং অর্থ জমা দেওয়ার পরও কেন ১০ কার্যদিবস অপেক্ষা করতে হয়।
শিক্ষার্থীদের অভিযোগ, বিশ্ববিদ্যালয়ের বিধিবিধানে স্পষ্ট ভিত্তি ছাড়াই এই ফি নির্ধারণ করা হয়েছে। তারা আরও জানতে চান, ফি নির্ধারণের আগে কোনো একাডেমিক সভায় সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছিল কি না। ১৬তম ব্যাচের একজন শিক্ষার্থী বলেন, “বিশ্ববিদ্যালয়ের বিধিবিধানে স্পষ্ট ভিত্তি ছাড়াই ফল পুনঃনিরীক্ষণের জন্য ২০০ টাকা ফি নির্ধারণ করা হয়েছে। অন্য বিভাগে এমন নিয়ম রয়েছে কি না, তা নিয়ে প্রশ্ন রয়েছে।”
শিক্ষার্থীদের অভিযোগ, স্বাক্ষর পেতে তিন দিন অপেক্ষা করতে হলে তাদের ব্যক্তিগত ও একাডেমিক পরিকল্পনা ব্যাহত হয়। বিশেষ করে অন্য শহরে অবস্থান করা সাবেক শিক্ষার্থীদের জন্য এ ধরনের বিলম্ব বাড়তি ভোগান্তির কারণ। তারা জানান, ট্রান্সক্রিপ্ট উত্তোলন, চারিত্রিক সনদ সংগ্রহ ও বিভিন্ন আবেদনপত্রে স্বাক্ষর নিতে নির্ধারিত সময়ের চেয়ে বেশি অপেক্ষা করতে হয়। শিক্ষার্থীরা দাবি করেন, নিয়মিত প্রক্রিয়ায় বিলম্ব হলেও অতিরিক্ত ১০০ টাকা দিলে এক দিনের মধ্যে ট্রান্সক্রিপ্ট পাওয়া যায়। তারা প্রশ্ন তুলেছেন, নিয়মিত সেবা পেতে বিলম্বের পর অতিরিক্ত অর্থের বিনিময়ে দ্রুত সেবা দেওয়ার ব্যবস্থা কতটা যৌক্তিক।
"বিশ্ববিদ্যালয়ের বিধিবিধানে স্পষ্ট ভিত্তি ছাড়াই ফল পুনঃনিরীক্ষণের জন্য ২০০ টাকা ফি নির্ধারণ করা হয়েছে। অন্য বিভাগে এমন নিয়ম রয়েছে কি না, তা নিয়ে প্রশ্ন রয়েছে।"
📊 তথ্যের সারসংক্ষেপ
- 📍 স্থান: নোয়াখালী বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয় (নোবিপ্রবি)
- 👥 খবরের মুখ্য ব্যক্তি: অধ্যাপক ড. নাজমা বেগম, শিক্ষার্থীরা, বিশ্ববিদ্যালয় উপাচার্য ড. গোলাম রব্বানী
- 🔢 গুরুত্বপূর্ণ সংখ্যা: ২০০ টাকা (ফি), ১০ কার্যদিবস (অপেক্ষা), ১০০ টাকা (অতিরিক্ত ফি), ১৬তম ও ১৭তম ব্যাচের শিক্ষার্থীরা
💬 মন্তব্য (0)
এখনো কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্য করুন!