📌 বেসরকারি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে কর্মরত এমপিওভুক্ত ৬ লাখ ২ হাজার ৩৫৯ শিক্ষক-কর্মচারীকে নবম পে-স্কেলে নিয়ে আসতে ১৩ হাজার ৩৯২ কোটি টাকা খরচ পড়বে। অর্থ মন্ত্রণালয় জানিয়েছে, ডিসেম্বরের মধ্যে গেজেট জারি করে বেতন বাস্তবায়নের চেষ্টা চলছে
বেসরকারি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে কর্মরত এমপিওভুক্ত শিক্ষক-কর্মচারীদের জন্য নবম জাতীয় পে-স্কেলের বাস্তবায়ন প্রক্রিয়া ত্বরান্বিত হচ্ছে। অর্থ মন্ত্রণালয় সূত্রে জানা গেছে, ডিসেম্বরের মধ্যে পৃথক গেজেট জারি করে এই সুবিধা চালু করার পরিকল্পনা রয়েছে। তবে ২০১৫ সালে ৮ম পে-স্কেল বাস্তবায়নের সময় ছয় মাস সময় লেগেছিল, এবারও কিছুটা দেরি হতে পারে।
🔴 মূল পয়েন্ট
- 📌 বেসরকারি এমপিওভুক্ত শিক্ষক-কর্মচারীদের নবম পে-স্কেলে নিয়ে আসতে ১৩ হাজার ৩৯২ কোটি টাকা খরচ পড়বে
- 📌 বেতন-ভাতা ব্যয়: ১২ হাজার ৫১৮ কোটি টাকা, পেনশন খাতে বাকি অর্থ প্রয়োজন
- 📌 অর্থ মন্ত্রণালয় পরিকল্পনা: ডিসেম্বরে গেজেট জারি, সম্ভব না হলে জানুয়ারি ২০২৭-এ বাস্তবায়ন
- 📌 মাধ্যমিক ও উচ্চশিক্ষা অধিদপ্তরের মহাপরিচালক ড. খান মইনুদ্দিন আল মাহমুদ সোহেল: শিক্ষকদের দ্রুত নবম পে-স্কেলে বেতন পাবেন
- 📌 এমপিওভুক্ত শিক্ষক-কর্মচারী সংখ্যা: ৬ লাখ ২ হাজার ৩৫৯ জন
📰 বিস্তারিত
বেসরকারি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে কর্মরত এমপিওভুক্ত শিক্ষক-কর্মচারীদের জন্য নবম জাতীয় পে-স্কেলের বাস্তবায়ন প্রক্রিয়া এগিয়ে চলেছে। অর্থ মন্ত্রণালয়ের উচ্চপর্যায়ের এক কর্মকর্তা জানিয়েছেন, চলতি ডিসেম্বরের মধ্যে এই সুবিধা চালুর জন্য চেষ্টা করা হচ্ছে। যদি সম্ভব না হয়, তবে আগামী বছরের জানুয়ারিতে বাস্তবায়ন করা হবে। তিনি বলেন, ২০১৫ সালে ৮ম পে-স্কেল বাস্তবায়নের সময় ছয় মাস সময় লেগেছিল, কিন্তু এবার এত দীর্ঘ সময় লাগবে না।
মাধ্যমিক ও উচ্চশিক্ষা অধিদপ্তরের মহাপরিচালক অধ্যাপক ড. খান মইনুদ্দিন আল মাহমুদ সোহেল জানিয়েছেন, শিক্ষক-কর্মচারীদের দ্রুত নবম পে-স্কেল অনুযায়ী বেতন পাবেন। তিনি বলেন, ‘আমরা চাই, এমপিওভুক্ত শিক্ষক-কর্মচারীরা যেন দ্রুত নবম জাতীয় পে-স্কেল অনুযায়ী বেতন পান। এ জন্য মন্ত্রণালয়ের সঙ্গে নিয়মিত আলোচনা হচ্ছে।’
জানা গেছে, নবম পে-স্কেলের আওতায় এমপিওভুক্ত ৬ লাখ ২ হাজার ৩৫৯ শিক্ষক-কর্মচারীকে আনতে অতিরিক্ত ১৩ হাজার ৩৯২ কোটি টাকা প্রয়োজন হবে। এর মধ্যে বেতন-ভাতা বাবদ ব্যয় হবে ১২ হাজার ৫১৮ কোটি টাকা। বাকি অর্থ প্রয়োজন হবে পেনশন খাতে।
"চলতি ডিসেম্বরের মধ্যেই এই সুবিধা চালুর জন্য চেষ্টা করা হচ্ছে। ডিসেম্বরে সম্ভব না হলে আগামী বছরের জানুয়ারিতে বাস্তবায়ন হবে।"
📊 তথ্যের সারসংক্ষেপ
- 📍 স্থান: ঢাকা, বাংলাদেশ (অর্থ মন্ত্রণালয় ও মাধ্যমিক ও উচ্চশিক্ষা অধিদপ্তর)
- 👥 খবরের মুখ্য ব্যক্তি: অধ্যাপক ড. খান মইনুদ্দিন আল মাহমুদ সোহেল (মহাপরিচালক), অর্থ মন্ত্রণালয়ের কর্মকর্তা
- 🔢 গুরুত্বপূর্ণ সংখ্যা: ৬ লাখ ২ হাজার ৩৫৯ শিক্ষক-কর্মচারী, ১৩ হাজার ৩৯২ কোটি টাকা, ১২ হাজার ৫১৮ কোটি টাকা
💬 মন্তব্য (0)
এখনো কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্য করুন!