📌 নেত্রকোনার এন আকন্দ কামিল মাদ্রাসায় শিক্ষক ও শিক্ষার্থীর অন্তরঙ্গ ভিডিও সিসিটিভি ক্যামেরায় ধরা পড়ে। অভিযুক্ত প্রভাষককে দায়িত্ব থেকে সরানো হলেও আইনি ব্যবস্থা নেওয়া হয়নি। অভিভাবক ও এলাকাবাসীর মধ্যে ক্ষোভের সঞ্চার হয়েছে
নেত্রকোনার এন আকন্দ কামিল মাদ্রাসায় শিক্ষক ও শিক্ষার্থীর অন্তরঙ্গ ভিডিও সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়ায় এলাকায় উদ্বেগ ও সমালোচনার ঝড় উঠেছে। সিসিটিভি ক্যামেরায় ধরা পড়া এই ভিডিওতে অভিযুক্ত প্রভাষক মো. এহসানুল হকের সঙ্গে শিক্ষার্থীর অন্তরঙ্গ মুহূর্তের দৃশ্য দেখা গেছে। ঘটনায় মাদ্রাসা কর্তৃপক্ষ অভিযুক্তকে দায়িত্ব থেকে সরানোর পরও আইনি ব্যবস্থা নেওয়া হয়নি, যা অভিভাবক ও এলাকাবাসীদের মধ্যে ক্ষোভ সৃষ্টি করেছে।
🔴 মূল পয়েন্ট
- 📌 মো. এহসানুল হক (৪২, বিবাহিত, তিন সন্তানের জনক) — নেত্রকোনা এন আকন্দ কামিল মাদ্রাসার অনার্স বিভাগের আল-হাদিস অ্যান্ড ইসলামিক স্টাডিজ প্রভাষক, পদ নন-এমপিওভুক্ত
- 📌 ২০ আগস্ট সিসিটিভি ক্যামেরায় ধরা পড়া ভিডিও ২৩ সেপ্টেম্বর সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ভাইরাল হয়
- 📌 মাদ্রাসা কর্তৃপক্ষ অভিযুক্তকে দায়িত্ব থেকে সরানোর পরও কোনো আইনি ব্যবস্থা নেয়নি — অভিযুক্তকে বরখাস্তের পরামর্শ দিয়েছেন অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক মুনমুন জাহান লিজা
- 📌 ২০০০+ শিক্ষার্থী থাকা মাদ্রাসায় ভিডিও স্ক্যান্ডেলের কারণে অভিভাবকদের মধ্যে উদ্বেগ বৃদ্ধি পেয়েছে
- 📌 নেত্রকোনা মডেল থানা অভিযোগ পেলে তদন্ত করবে — বর্তমানে কোনো অভিযোগ দায়ের হয়নি
📰 বিস্তারিত
নেত্রকোনার এন আকন্দ কামিল মাদ্রাসার অনার্স বিভাগের আল-হাদিস অ্যান্ড ইসলামিক স্টাডিজ বিষয়ের প্রভাষক মো. এহসানুল হকের সঙ্গে এক শিক্ষার্থীর অন্তরঙ্গ মুহূর্তের ভিডিও গত ২০ আগস্ট সিসিটিভি ক্যামেরায় ধরা পড়ে। পরে এই ভিডিও সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়ায় এলাকায় আলোচনার ঝড় উঠেছে। অভিযুক্ত শিক্ষককে দায়িত্ব থেকে সরানো হলেও তার বিরুদ্ধে কোনো আইনি ব্যবস্থা নেওয়া হয়নি, যা অভিভাবক ও এলাকাবাসীদের মধ্যে ক্ষোভ সৃষ্টি করেছে।
মাদ্রাসার অধ্যক্ষ মো. আব্দুল বাতেন জানান, ঘটনাটি সম্পর্কে তিনি অবগত হয়েছেন। একটি তদন্ত কমিটি গঠন করা হলেও অভিযুক্ত শিক্ষককে দায়িত্ব থেকে সরানোর পরামর্শ দিয়েছেন অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক মুনমুন জাহান লিজা। তিনি বলেছেন, “আমি ঘটনাটি শুনার পর অভিযুক্ত শিক্ষককে বরখাস্ত করে আইনগত ব্যবস্থা নিতে বলেছি। প্রতিষ্ঠান কর্তৃপক্ষ কেন ব্যবস্থা নেয়নি বিষয়টি তারা ভালো বলতে পারবেন।”
অভিযুক্ত প্রভাষক মো. এহসানুল হকের সঙ্গে যোগাযোগের চেষ্টা করা হলেও তার মোবাইল বন্ধ থাকায় বক্তব্য পাওয়া যায়নি। তবে নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক অভিভাবকরা বলেছেন, “আমরা সন্তানদের মানুষ করতে শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে দেই। আর শিক্ষকরাই যদি এমন আচরণ করে তাহলে কী শিখবে সন্তানরা। আমরা ঘটনাটি তদন্ত করে আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া দাবি জানাই। পাশাপাশি প্রতিষ্ঠানের যারা এ ঘটনাকে ধামাচাপা দিয়েছে, তাদের বিরুদ্ধেও আইনগত ব্যবস্থার দাবি করছি।”
মাদ্রাসায় প্রায় দুই হাজার শিক্ষার্থী রয়েছে। ভিডিও স্ক্যান্ডেলের কারণে শিক্ষার্থী ও অভিভাবকদের মধ্যে উদ্বেগের সৃষ্টি হয়েছে। নেত্রকোনা মডেল থানার ওসি আবুল খায়ের জানান, “এ ঘটনায় কেউ কোনো অভিযোগ দেয়নি। অভিযোগ পেলে তদন্ত করে ব্যবস্থা নেওয়া হবে।”
"আমরা সন্তানদের মানুষ করতে শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে দেই। আর শিক্ষকরাই যদি এমন আচরণ করে তাহলে কী শিখবে সন্তানরা।"
📊 তথ্যের সারসংক্ষেপ
- 📍 স্থান: নেত্রকোনা, এন আকন্দ কামিল মাদ্রাসা (দুর্গাপুর উপজেলা)
- 👥 খবরের মুখ্য ব্যক্তি: মো. এহসানুল হক (অভিযুক্ত প্রভাষক), মো. আব্দুল বাতেন (অধ্যক্ষ), মুনমুন জাহান লিজা (অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক)
- 🔢 গুরুত্বপূর্ণ সংখ্যা: ২০০০+ শিক্ষার্থী, ২০ আগস্ট (ঘটনার তারিখ), ২৩ সেপ্টেম্বর (ভিডিও ভাইরাল হওয়ার তারিখ)
💬 মন্তব্য (0)
এখনো কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্য করুন!