📌 নাটোরের গুরুদাসপুর উপজেলা প্রশাসন বাদ পড়া সাত শিক্ষার্থীকে যুক্ত করে মোট ১৫ শিক্ষার্থীকে সংবর্ধনা দিয়েছে। এসএসসি পরীক্ষায় সর্বোচ্চ নম্বর পেয়েও তালিকায় বাদ পড়া সুমাইয়া জাহানসহ সাতজনকে নতুন তালিকায় অন্তর্ভুক্ত করা হয়। অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন জেলা প্রশাসক মোছা. সুমনী আক্তারসহ বিভিন্ন কর্মকর্তা
নাটোরের গুরুদাসপুর উপজেলা প্রশাসন সোমবার (১২ অক্টোবর) বাদ পড়া সাত শিক্ষার্থীকে যুক্ত করে মোট ১৫ শিক্ষার্থীকে সংবর্ধনা প্রদান করেছে। এসএসসি পরীক্ষায় সর্বোচ্চ নম্বর পেয়েও আগের তালিকায় বাদ পড়া সুমাইয়া জাহানসহ সাতজনকে নতুন তালিকায় অন্তর্ভুক্ত করে এই অনুষ্ঠান আয়োজন করা হয়। তবে প্রথম অনুষ্ঠানে সংবাদমাধ্যমকে আমন্ত্রণ জানানো হয়নি।
🔴 মূল পয়েন্ট
- 📌 ১৫ শিক্ষার্থীকে সংবর্ধনা দেওয়া হয়, এর মধ্যে সাতজন আগের তালিকায় বাদ পড়া ছিলেন
- 📌 সুমাইয়া জাহান (১১৭৩ নম্বর) ও মাহফুজা জাহানসহ সাতজনকে নতুন তালিকায় অন্তর্ভুক্ত করা হয়
- 📌 ৮ অক্টোবর অনুষ্ঠানে গুরুদাসপুর সরকারি পাইলট মডেল উচ্চবিদ্যালয়ের কোনো ছাত্রীর নাম ছিল না
- 📌 জেলা প্রশাসক মোছা. সুমনী আক্তার ছিলেন প্রধান অতিথি, কিন্তু সুমাইয়া জাহান ও মাহফুজা জাহান রাজশাহীতে পড়াশোনা করায় অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন না
- 📌 উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) ফাহমিদা আফরোজ বলেন, আগের অনুষ্ঠান স্থগিত হওয়ার কারণে সোমবার সংবর্ধনা দেওয়া হয়
- 📌 অভিভাবক ও শিক্ষকরা দাবি করেন, দায়িত্বহীনতার কারণে সরকারি উচ্চবিদ্যালয়ের ছাত্রীদের নাম প্রথম তালিকায় বাদ পড়েছিল
📰 বিস্তারিত
গত ৮ অক্টোবর উপজেলা প্রশাসনের উদ্যোগে নম্বরের ভিত্তিতে উপজেলার আট মেধাবী শিক্ষার্থীকে সংবর্ধনা দেওয়ার আয়োজন করা হয়েছিল। তবে অনুষ্ঠান চলাকালে গুরুদাসপুর সরকারি পাইলট মডেল উচ্চবিদ্যালয়ের সুমাইয়া জাহান উপস্থিত হয়ে তালিকায় নিজের ও প্রতিষ্ঠানের নাম না থাকার প্রতিবাদ জানান। এ ঘটনায় সংবর্ধনা স্থগিত করে নতুন তালিকা তৈরি করা হয়। সুমাইয়া বিজ্ঞান বিভাগ থেকে এসএসসি পরীক্ষায় সর্বোচ্চ নম্বর (১১৭৩) পেয়ে উপজেলার সেরা শিক্ষার্থী নির্বাচিত হন।
প্রধান শিক্ষক জাহাঙ্গীর আলম বলেন, তাঁর প্রতিষ্ঠানের মেধাবী ছাত্রীদের নাম আগের তালিকায় ওঠেনি, সে বিষয়ে তিনি মন্তব্য করতে চান না। তবে তিনি বলেন, বাদ পড়া সাত ছাত্রীর মধ্যে সুমাইয়া ও মাহফুজা জাহান অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন না। তারা দুজনই রাজশাহীতে পড়াশোনা করায় তাঁরা অনুষ্ঠানে আসতে পারেননি।
উপজেলা মাধ্যমিক শিক্ষা কর্মকর্তা মো. সেলিম রেজা বলেন, সংবর্ধনা আয়োজনের বিষয়ে উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) ভালো বলতে পারবেন। তিনি আরও বলেন, সংশ্লিষ্ট বিদ্যালয়ের শিক্ষকদের আগে থেকেই শিক্ষার্থীদের উপজেলা প্রশাসনের সভাকক্ষে আসতে বলা হয়েছিল। অনুষ্ঠানে উপস্থিত শিক্ষক ও অভিভাবকরা দাবি করেন, দায়িত্বহীনতার কারণে সরকারি উচ্চবিদ্যালয়ের ছাত্রীদের নাম প্রথম তালিকায় বাদ পড়েছিল।
ইউএনও ফাহমিদা আফরোজ মোবাইল ফোনে বলেন, আগের অনুষ্ঠান স্থগিত করা হয়েছিল। সুবিধা বুঝে সোমবার কৃতী ছাত্রীদের মধ্যে ক্রেস্ট বিতরণ করা হয়েছে। তিনি আর কোনো মন্তব্য করতে রাজি হননি। অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন সহকারী কমিশনার (ভূমি) আসাদুল ইসলাম, উপজেলা মাধ্যমিক শিক্ষা কর্মকর্তা মো. সেলিম রেজা, বেগম রোকেয়া স্কুল অ্যান্ড কলেজের সহকারী প্রধান শিক্ষক মোস্তফা কামাল, খুবজীপুর উচ্চবিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক মো. আনিছুর রহমান এবং চাঁচকৈড় নাজিম উদ্দিন স্কুল অ্যান্ড কলেজের ভারপ্রাপ্ত অধ্যক্ষ মো. আফসার আলীসহ অন্যান্য কর্মকর্তা ও শিক্ষকগণ।
"আগের অনুষ্ঠান স্থগিত করা হয়েছিল। সুবিধা বুঝে সোমবার কৃতী ছাত্রীদের মধ্যে ক্রেস্ট বিতরণ করা হয়েছে।"
📊 তথ্যের সারসংক্ষেপ
- 📍 স্থান: গুরুদাসপুর উপজেলা প্রশাসন, নাটোর
- 👥 খবরের মুখ্য ব্যক্তি: সুমাইয়া জাহান, জাহাঙ্গীর আলম, মোছা. সুমনী আক্তার, মো. সেলিম রেজা, ইউএনও ফাহমিদা আফরোজ
- 🔢 গুরুত্বপূর্ণ সংখ্যা: ১৫ শিক্ষার্থী, ৭ বাদ পড়া শিক্ষার্থী, ১১৭৩ (সুমাইয়া জাহানের এসএসসি নম্বর)
💬 মন্তব্য (0)
এখনো কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্য করুন!