📅 ১০ অক্টোবর ২০২৬, ৫:৩৭ অপরাহ্ণ এআই প্রযুক্তিতে যাচাই করা সর্বশেষ সঠিক বাংলা সংবাদ।
⚡ শেষ মুহূর্ত

জাতীয় গুণী শিক্ষক সম্মাননা পান ভোলার লালমোহনের অধ্যক্ষ ড. শফিকুল ইসলাম: শিক্ষা ও গবেষণায় অসামান্য অবদানের স্বীকৃতি

জাতীয় গুণী শিক্ষক সম্মাননা পান ভোলার লালমোহনের অধ্যক্ষ ড. শফিকুল ইসলাম: শিক্ষা ও গবেষণায় অসামান্য অবদানের স্বীকৃতি

📷 ছবি: দৈনিক বাংলাদেশ

📡 নিউজ সোর্সগুলি:
🔗 Daily Bangladesh ↗ ⚠ একক সোর্স
ℹ️ এই প্রতিবেদনটি কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা (AI) দ্বারা একাধিক সংবাদমাধ্যমের তথ্যের ভিত্তিতে পুনর্লিখিত। মূল নিউজ সোর্সগুলি নিচে উল্লেখ করা হয়েছে।

📌 জাতীয় পর্যায়ে 'গুণী শিক্ষক সম্মাননা-২০২৬' লাভ করেন ভোলার লালমোহনের অধ্যক্ষ ড. শফিকুল ইসলাম। শিক্ষা প্রশাসন, গবেষণা ও সামাজিক কর্মকাণ্ডে তার অসামান্য অবদানের স্বীকৃতি হিসেবে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের হাত থেকে সম্মাননা গ্রহণ করেন তিনি

জাতীয় পর্যায়ে শিক্ষা ক্ষেত্রে অসামান্য অবদানের স্বীকৃতি হিসেবে ভোলার লালমোহনের সরকারি শাহবাজপুর কলেজের অধ্যক্ষ ড. শফিকুল ইসলাম মোল্লা এলটি পেলেন 'গুণী শিক্ষক সম্মাননা-২০২৬'। বিশ্ব শিক্ষক দিবসের উপলক্ষে রাজধানীর ওসমানী স্মৃতি মিলনায়তনে অনুষ্ঠিত অনুষ্ঠানে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের হাত থেকে তিনি এই সম্মাননা গ্রহণ করেন।

🔴 মূল পয়েন্ট

  • 📌 জাতীয় গুণী শিক্ষক সম্মাননা পান ভোলার লালমোহনের অধ্যক্ষ ড. শফিকুল ইসলাম মোল্লা এলটি — শিক্ষা প্রশাসন, গবেষণা ও সামাজিক কর্মকাণ্ডে ৩১ বছরের অবদানের স্বীকৃতি হিসেবে।
  • 📌 ১০২ জন শিক্ষককে জাতীয়ভাবে সম্মাননা দেওয়া হয়, যার মধ্যে ড. শফিকুল ইসলাম মোল্লার নাম মাধ্যমিক পর্যায়ে স্থান পায়।
  • 📌 ২০০৭ সালে রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয় থেকে পিএইচডি অর্জন করেন তিনি, গবেষণার বিষয় ছিল মাটির আর্দ্রতা ও সার ব্যবস্থাপনার অধীনে বার্লির শারীরবৃত্তীয় বৈশিষ্ট্য ও ফলন।
  • 📌 ২০১৯ সাল থেকে অধ্যক্ষ হিসেবে দায়িত্ব পালন করছেন তিনি, শিক্ষার মানোন্নয়নে নানা উদ্যোগ গ্রহণের জন্য ২০২২, ২০২৩ ও ২০২৬ সালে ভোলা জেলায় শ্রেষ্ঠ কলেজ অধ্যক্ষ নির্বাচিত হন।
  • 📌 ২০২৪ সালে বরিশাল বিভাগ থেকে জাতীয় শ্রেষ্ঠ প্রতিষ্ঠান প্রধান (অধ্যক্ষ) নির্বাচিত হন। এছাড়াও ২০১৭ ও ২০২৬ সালে জাতীয় শ্রেষ্ঠ রোভার শিক্ষক ও ২০১৮ সালে জাতীয় শ্রেষ্ঠ শ্রেণি শিক্ষক উপাধি লাভ করেন।

📰 বিস্তারিত

বিশ্ব শিক্ষক দিবস-২০২৬ উপলক্ষে রাজধানীর ওসমানী স্মৃতি মিলনায়তনে অনুষ্ঠিত অনুষ্ঠানে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের হাত থেকে ড. শফিকুল ইসলাম মোল্লা এলটি 'গুণী শিক্ষক সম্মাননা-২০২৬' গ্রহণ করেন। এই সম্মাননা শিক্ষাক্ষেত্রে দীর্ঘদিনের অবদান, একাডেমিক সাফল্য, প্রশাসনিক দক্ষতা, গবেষণা ও সামাজিক কর্মকাণ্ডের স্বীকৃতি হিসেবে প্রদান করা হয়। এ বছর মোট ১০২ জন শিক্ষককে জাতীয় পর্যায়ে সম্মাননা দেওয়া হয়, যার মধ্যে ড. শফিকুল ইসলাম মোল্লা এলটি মাধ্যমিক পর্যায়ের শিক্ষকদের তালিকায় স্থান পান।

ড. শফিকুল ইসলাম মোল্লা এলটি ১৯৬৯ সালের ১ জানুয়ারি টাঙ্গাইলে জন্মগ্রহণ করেন। শৈশব-কৈশোর কাটে সিলেটে। তিনি ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের সলিমুল্লাহ মুসলিম হলের আবাসিক ছাত্র হিসেবে মৃত্তিকাবিজ্ঞান বিষয়ে ১৯৮৯ সালে অনার্স এবং ১৯৯০ সালে প্রথম শ্রেণিতে মাস্টার্স ডিগ্রি অর্জন করেন। পরবর্তীতে ২০০৭ সালে রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়ের আইবিএসসি থেকে পিএইচডি ডিগ্রি লাভ করেন। তার গবেষণার বিষয় ছিল মাটির আর্দ্রতা ও এনপিকে সার ব্যবস্থাপনার অধীনে বার্লির শারীরবৃত্তীয় বৈশিষ্ট্য ও ফলনের সম্পর্ক। দেশি-বিদেশি জার্নালে তার আটটি গবেষণা প্রবন্ধ প্রকাশিত হয়েছে।

১৯৯৬ সালে বিসিএস (শিক্ষা) ক্যাডারে মৃত্তিকাবিজ্ঞান বিষয়ের প্রভাষক হিসেবে সরকারি চাকরিতে যোগ দেন তিনি। কর্মজীবনে সরকারি গৌরনদী কলেজ, পটুয়াখালী সরকারি কলেজ, সরকারি শহীদ সোহরাওয়ার্দী কলেজ ও ভোলা সরকারি কলেজে শিক্ষকতা করেন। ২০১৬ সালে অধ্যাপক পদে পদোন্নতি পান। ২০১৯ সালের ২৩ মার্চ থেকে তিনি সরকারি শাহবাজপুর কলেজের অধ্যক্ষ হিসেবে দায়িত্ব পালন করছেন।

শিক্ষা প্রশাসনে তার সাফল্য অসামান্য। জাতীয় শিক্ষা সপ্তাহ-২০২২, ২০২৩ ও ২০২৬ সালে ভোলা জেলায় শ্রেষ্ঠ কলেজ অধ্যক্ষ নির্বাচিত হন। ২০২৪ সালে বরিশাল বিভাগ থেকে জাতীয় পর্যায়ে শ্রেষ্ঠ প্রতিষ্ঠান প্রধান (অধ্যক্ষ) নির্বাচিত হওয়ার গৌরব অর্জন করেন। এছাড়া ২০১৭ ও ২০২৬ সালে জাতীয় শ্রেষ্ঠ রোভার শিক্ষক এবং ২০১৮ সালে কলেজ পর্যায়ে জাতীয় শ্রেষ্ঠ শ্রেণি শিক্ষক নির্বাচিত হন। ২০২২ সালে অধ্যক্ষ-উপাধ্যক্ষদের শিক্ষা প্রশাসন ও ব্যবস্থাপনা প্রশিক্ষণে মেধাতালিকায় প্রথম স্থান অর্জন করেন।

শিক্ষকতা ছাড়াও পাঠ্যপুস্তক প্রণয়ন ও গবেষণাতেও তার অবদান রয়েছে। এনসিটিবি অনুমোদিত একাদশ-দ্বাদশ শ্রেণির ‘কৃষিশিক্ষা’ প্রথমপত্র ও দ্বিতীয়পত্র নামে তার দুটি পাঠ্যপুস্তক প্রকাশিত হয়েছে। পাশাপাশি বাংলাদেশ স্কাউটসের লিডার ট্রেনার হিসেবে দীর্ঘদিন ধরে দায়িত্ব পালন করছেন তিনি। স্কাউটিংয়ে অবদানের স্বীকৃতি হিসেবে পেয়েছেন মেডেল অব মেরিট, বার টু দ্য মেডেল অব মেরিট, লং সার্ভিস অ্যাওয়ার্ড ও সিএনসি অ্যাওয়ার্ড।

"এ অর্জন শুধু আমার একার নয়। এ অর্জন আমাদের সরকারি শাহবাজপুর কলেজের সকল শিক্ষার্থী, শিক্ষক, কর্মকর্তা-কর্মচারী, অভিভাবক, এলাকাবাসী, উপজেলা-জেলা প্রশাসন, মাউশি বরিশাল অঞ্চলসহ আমার পরিবার, বাবা-মা, আত্মীয়-স্বজন, বন্ধুবান্ধব ও শিক্ষাগুরু সকলের। তাদের ভালোবাসা, স্নেহ-শ্রদ্ধা, সহযোগিতা ও অনুপ্রেরণার ফসল এই স্বীকৃতি।"

📊 তথ্যের সারসংক্ষেপ

  • 📍 স্থান: রাজধানীর ওসমানী স্মৃতি মিলনায়তন (সম্মাননা প্রদান), ভোলা জেলা (লালমোহনের সরকারি শাহবাজপুর কলেজ)
  • 👥 খবরের মুখ্য ব্যক্তি: ড. শফিকুল ইসলাম মোল্লা এলটি (অধ্যক্ষ, সরকারি শাহবাজপুর কলেজ)
  • 🔢 গুরুত্বপূর্ণ সংখ্যা: ১০২ জন (জাতীয় গুণী শিক্ষক সম্মাননা প্রাপক), ৩১ বছর (শিক্ষা ক্যাডারে কর্মজীবন), ২০০৭ (পিএইচডি ডিগ্রি লাভ)

📡 মূল নিউজ সোর্সসমূহ

এই প্রতিবেদনটি নিচের সংবাদমাধ্যমগুলোর তথ্যের ভিত্তিতে প্রস্তুত করা হয়েছে। মূল সংবাদ পড়তে নিচের লিংকে ক্লিক করুন:

📤 শেয়ার করুন: 📘 Facebook 💬 WhatsApp 𝕏 Twitter 💼 LinkedIn ✈️ Telegram

💬 মন্তব্য (0)

এখনো কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্য করুন!

মন্তব্য অনুমোদনের পর প্রকাশ করা হবে। ইমেইল প্রকাশিত হবে না।
🤖