📌 ময়মনসিংহের আনন্দমোহন সরকারি কলেজের নির্মাণকাজে চাঁদা দাবি ও হত্যার হুমকির ঘটনা ঘটে। ঠিকাদার প্রতিষ্ঠানের ম্যানেজারকে প্রায় দুই ঘণ্টা বন্দি করে শহরের বিভিন্ন স্থানে ঘুরিয়ে দেওয়া হয়। নির্মাণকাজ বন্ধ থাকা সত্ত্বেও ক্যাম্পাসে নিরাপত্তাহীনতা অব্যাহত রয়েছে
ময়মনসিংহের আনন্দমোহন সরকারি কলেজের নির্মাণাধীন লাইব্রেরি-কাম-অডিটোরিয়ামে চাঁদা দাবি ও হত্যার হুমকির ঘটনা ঘটেছে। ঠিকাদার প্রতিষ্ঠানের ম্যানেজারকে প্রায় দুই ঘণ্টা বন্দি করে শহরের বিভিন্ন স্থানে ঘুরিয়ে দেওয়া হয়। ঘটনার পর দুই দিন নির্মাণকাজ বন্ধ ছিল এবং কর্মকর্তা-কর্মচারী ও শ্রমিকদের মধ্যে নিরাপত্তাহীনতা অব্যাহত রয়েছে।
🔴 মূল পয়েন্ট
- 📌 ৯ অক্টোবর রাত ৮ থেকে ১০ জন ব্যক্তি কলেজ ক্যাম্পাসে প্রবেশ করে ম্যানেজার মেজবাহ উদ্দিন সজলকে হুমকি দিয়ে বন্দি করে নেয়।
- 📌 বন্দি অবস্থায় মেজবাহ উদ্দিন সজলকে মোটরসাইকেলে শহরের বিভিন্ন স্থানে ঘুরিয়ে দেওয়া হয় এবং চাঁদা দাবি ও হত্যার হুমকি দেওয়া হয়।
- 📌 প্রায় দুই ঘণ্টা পর ম্যানেজারকে কলেজে ফিরিয়ে দেওয়া হয়, কিন্তু একই রাতে আবারও নির্মাণকাজ বন্ধ রাখার নির্দেশ দেওয়া হয়।
- 📌 শ্রমিক ও কর্মকর্তারা আতঙ্কিত হয়ে জড়িত ব্যক্তিদের শনাক্ত করে আইনের আওতায় আনার দাবি জানাচ্ছেন।
- 📌 শিক্ষা প্রকৌশল অধিদপ্তর ও কলেজ কর্তৃপক্ষ আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর সহায়তা চাইছে।
📰 বিস্তারিত
ময়মনসিংহের আনন্দমোহন সরকারি কলেজের নির্মাণাধীন তিনতলা লাইব্রেরি-কাম-অডিটোরিয়ামে চাঁদা দাবি ও হত্যার হুমকির ঘটনা ঘটেছে। ঠিকাদার প্রতিষ্ঠান টিএই-বিবিসি-ডিসিএল (জেভি) গত ৯ অক্টোবর সন্ধ্যায় অভিযোগ জানায়। প্রতিষ্ঠানটির ম্যানেজার মেজবাহ উদ্দিন সজলকে প্রায় দুই ঘণ্টা বন্দি করে শহরের বিভিন্ন স্থানে ঘুরিয়ে দেওয়া হয়। হুমকির পাশাপাশি নির্মাণকাজ বন্ধ রাখার নির্দেশ দেওয়া হয়।
মেজবাহ উদ্দিন সজল বলেন, ‘এমন পরিস্থিতির শিকার আগে কখনো হইনি। একটি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের ক্যাম্পাস থেকে আমাকে তুলে নিয়ে চাঁদা চাওয়া হয়েছে। যারা এমন করেছে, তাদের নাম জানি না। তবে তারা প্রায়ই কলেজে ঘোরাফেরা করে।’ নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক এক শ্রমিক জানান, স্থানীয় কিছু লোক চাঁদা দাবি করছেন এবং নির্মাণকাজ বন্ধ রাখার পাশাপাশি মেরে ফেলার হুমকি দিচ্ছেন। শ্রমিকরা আতঙ্কিত হয়ে জড়িত ব্যক্তিদের শনাক্ত করে ব্যবস্থা নেওয়ার দাবি জানাচ্ছেন।
শিক্ষা প্রকৌশল অধিদপ্তরের উপসহকারী প্রকৌশলী শফিকুল ইসলাম বলেন, ‘যারা ম্যানেজারকে তুলে নিয়ে গেছে, তাদের কাউকে আমরা চিনি না। এমন ঘটনা কোনোভাবেই কাম্য নয়। আমরা শঙ্কিত। আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর সঙ্গে আমাদের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারাও কথা বলেছেন। তবে এখনো শঙ্কা কাটেনি।’ কলেজের অধ্যক্ষ অধ্যাপক এ কে এম সামসুজ্জামান বলেন, ‘ঘটনার দিন আমি ছুটিতে ঢাকায় ছিলাম। বিষয়টি তাৎক্ষণিকভাবে জানার পর আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীকে অবহিত করা হয়। পরে তারা ঘটনাস্থলে আসে। দুই দিন কাজ বন্ধ থাকলেও এখন আবার নির্মাণকাজ চলছে। বর্তমানে ক্যাম্পাসের পরিস্থিতি স্বাভাবিক রয়েছে।’
"এমন পরিস্থিতির শিকার আগে কখনো হইনি। একটি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের ক্যাম্পাস থেকে আমাকে তুলে নিয়ে চাঁদা চাওয়া হয়েছে, বিষয়টি ভাবতেও অবাক লাগে।"
📊 তথ্যের সারসংক্ষেপ
- 📍 স্থান: আনন্দমোহন সরকারি কলেজ, ময়মনসিংহ
- 👥 খবরের মুখ্য ব্যক্তি: মেজবাহ উদ্দিন সজল (ম্যানেজার), অধ্যাপক এ কে এম সামসুজ্জামান (অধ্যক্ষ), শফিকুল ইসলাম (উপসহকারী প্রকৌশলী)
- 🔢 গুরুত্বপূর্ণ সংখ্যা: ৯ অক্টোবর, ৮ থেকে ১০ জন ব্যক্তি, প্রায় দুই ঘণ্টা
💬 মন্তব্য (0)
এখনো কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্য করুন!