📌 আর্কিটেক্ট জেবুন্নেছা জামান রাত্রি মায়ের সমর্থন নিয়ে ক্যামেরায় ধরে রেখেছেন বাংলাদেশের ৩৪টি জেলার ল্যান্ডস্কেপ ও স্থাপত্য। তিনি ফটোগ্রাফির পাশাপাশি স্কেচ আঁকেন এবং ২০২৫ সালে চট্টগ্রামে আলোকচিত্র প্রদর্শনীতে বিজয়ী হন
মায়ের অটুট সমর্থন নিয়ে ক্যামেরায় ধরে রেখেছেন বাংলাদেশের ৩৪টি জেলার অসামান্য দৃশ্য আর্কিটেক্ট জেবুন্নেছা জামান রাত্রি। ঢাকার নিকেতন বাজার এলাকায় বসবাসকারী এই ২৫ বছর বয়সী আলোকচিত্রী নিজের জীবনের প্রতিটি পদক্ষেপে মায়ের অনুপ্রেরণা পেয়েছেন। ফটোগ্রাফি থেকে শুরু করে স্কেচ আঁকা পর্যন্ত তাঁর সৃজনশীলতা মায়েরই উৎসাহে বেড়েছে।
🔴 মূল পয়েন্ট
- 📌 জেবুন্নেছা জামান রাত্রি মায়ের অনুপ্রেরণায় ক্যামেরায় ধরে রেখেছেন বাংলাদেশের ৩৪টি জেলার ল্যান্ডস্কাপ ও স্থাপত্য।
- 📌 ২০১৭ সাল থেকে তিনি ক্যানন ৭০ডি ক্যামেরার সাহায্যে নিজের পথ খুঁজে বের করেছেন।
- 📌 ২০২৫ সালের ১৮ ডিসেম্বর চট্টগ্রামে অনুষ্ঠিত আলোকচিত্র প্রদর্শনীতে তিনি ল্যান্ডস্কেপ ক্যাটাগরিতে বিজয়ী হন।
- 📌 বান্দরবান ও রাঙামাটি তাঁর বিশেষ পছন্দের জায়গা, যেখানে তিনি পুরোনো স্থাপত্যশৈলী ও প্রকৃতির সৌন্দর্য ধরে রাখেন।
- 📌 স্কেচ আঁকা এবং অ্যানিমে চরিত্র তৈরি করা তাঁর আরেকটি শখ।
- 📌 মায়ের কথা ছিল, ‘এসএসসি শেষ কর, কিনে দেব’ — সেই কথা মেনে তিনি ক্যামেরার পথে এগিয়ে যান।
📰 বিস্তারিত
জেবুন্নেছা জামান রাত্রি আহছানউল্লা বিশ্ববিদ্যালয় থেকে স্থাপত্য বিভাগে স্নাতক হন ২০২৫ সালে। তবে তাঁর পেশা শুধু আর্কিটেকচারেই সীমাবদ্ধ নয়। তিনি ফটোগ্রাফি ও স্কেচ আঁকা দিয়ে নিজের সৃজনশীলতা প্রকাশ করেন। রাত্রির ফটোগ্রাফির পথে মায়ের ভূমিকা অপরিসীম। তাঁর মা-ই তাঁর সবচেয়ে বড় অনুপ্রেরণা। রাত্রি বলেন, ‘আমার মা-ই আমার বাবা-মা—সব’।
রাত্রির ফটোগ্রাফির শুরু হয়েছিল মোবাইল ফোনে ছবি তোলার নেশা থেকে। কিন্তু তিনি নিজের মধ্যে আরও ভালো ফটোগ্রাফি করার ইচ্ছা অনুভব করেন। ২০১৭ সালে তিনি ঢাকায় আসেন এবং মায়ের কথামতো ক্যামেরার জন্য অর্থ সংগ্রহ করেন। সেই বছরই তিনি কিনেন ক্যানন ৭০ডি ক্যামেরা। সেই ক্যামেরাই এখনো তাঁর সঙ্গী।
ফটোগ্রাফির কোনো প্রাতিষ্ঠানিক প্রশিক্ষণ নেননি রাত্রি। তিনি নিজেই শিখেছেন। ইউটিউব ভিডিও দেখেছেন, অন্যান্য আলোকচিত্রীদের কাজ দেখেছেন এবং নিজের ভুল থেকে শিখেছেন। বিশ্ববিদ্যালয়ে পড়ার সময় তিনি ফটোগ্রাফির জন্য আলাদা করে খুব বেশি সময় বের করতে পারেননি। তবে সেমিস্টার ব্রেক বা ভ্রমণের সময় ক্যামেরাটি তাঁর সঙ্গী ছিল।
রাত্রি মনে করেন, ফটোগ্রাফি শুধু ছবি তোলা নয়, একধরনের সাধন। তিনি বলেন, ‘প্রকৃতির সৌন্দর্য ধরে রাখতে চাই। আর নিজের জীবন দিয়ে হয়তো ধরে রাখছি আরেকটি ছবি—স্বপ্ন থাকলে, পাশে ভালোবাসা থাকলে এবং নিজের ওপর বিশ্বাস থাকলে পথ যত কঠিনই হোক, এগিয়ে যাওয়া যায়।’
"আমার মা-ই আমার বাবা-মা—সব"
📊 তথ্যের সারসংক্ষেপ
- 📍 স্থান: ঢাকা (নিকেতন বাজার), ফরিদপুর, চট্টগ্রাম, বান্দরবান, রাঙামাটি
- 👥 খবরের মুখ্য ব্যক্তি: জেবুন্নেছা জামান রাত্রি
- 🔢 গুরুত্বপূর্ণ সংখ্যা: ৩৪ জেলা, ৬৪ জেলা (ইচ্ছা), ১৮ ডিসেম্বর, ১৯ আগস্ট, ২০১৭
💬 মন্তব্য (0)
এখনো কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্য করুন!