📅 ৫ অক্টোবর ২০২৬, ১২:১৬ অপরাহ্ণ এআই প্রযুক্তিতে যাচাই করা সর্বশেষ সঠিক বাংলা সংবাদ।
⚡ শেষ মুহূর্ত

৫০ বছর ধরে এক টাকার বিনিময়ে শিক্ষা দিচ্ছেন গাইবান্ধার লুৎফর মাস্টার: দরিদ্র শিশুদের স্বপ্নের শিক্ষক

৫০ বছর ধরে এক টাকার বিনিময়ে শিক্ষা দিচ্ছেন গাইবান্ধার লুৎফর মাস্টার: দরিদ্র শিশুদের স্বপ্নের শিক্ষক

📷 ছবি: Sarabangla

📡 নিউজ সোর্সগুলি:
🔗 Sarabangla ↗ ⚠ একক সোর্স
ℹ️ এই প্রতিবেদনটি কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা (AI) দ্বারা একাধিক সংবাদমাধ্যমের তথ্যের ভিত্তিতে পুনর্লিখিত। মূল নিউজ সোর্সগুলি নিচে উল্লেখ করা হয়েছে।

📌 গাইবান্ধার লুৎফর রহমান ৫০ বছর ধরে এক টাকার বিনিময়ে দরিদ্র শিশুদের শিক্ষা দিচ্ছেন। বয়স ৭৮ বছর হলেও তিনি নিজের স্বপ্ন অপূর্ণ থাকলেও অন্যদের শিক্ষার স্বপ্ন পূরণে নিবেদিত

গাইবান্ধা জেলার লুৎফর রহমান ৫০ বছর ধরে এক টাকার বিনিময়ে দরিদ্র ও সুবিধাবঞ্চিত শিশুদের শিক্ষা দিচ্ছেন। বয়স ৭৮ বছর হলেও তিনি নিজের উচ্চশিক্ষার স্বপ্ন অপূর্ণ থাকলেও অন্যদের শিক্ষার স্বপ্ন পূরণে নিবেদিত। স্থানীয়দের কাছে তিনি পরিচিত ‘এক টাকার মাস্টার’ নামে।

🔴 মূল পয়েন্ট

  • 📌 ৭৮ বছর বয়সী লুৎফর রহমান ১৯৭৫ সাল থেকে টানা ৫০ বছর এক টাকার বিনিময়ে শিক্ষা দিচ্ছেন
  • 📌 প্রতিদিন ৭০ থেকে ৮০ জন শিশু তার কাছে পড়াশোনা করে, প্রত্যেকের কাছ থেকে এক টাকা নেন
  • 📌 নিজের উচ্চশিক্ষা অপূর্ণ থাকলেও দরিদ্র শিশুদের শিক্ষিত করার স্বপ্ন থেকে কখনো সরে যাননি
  • 📌 বর্তমানে বন্যানিয়ন্ত্রণ বাঁধের পাশে জরাজীর্ণ টিনের ঘরে বসবাস করছেন
  • 📌 তার শিক্ষার্থীদের মধ্যে রয়েছে চিকিৎসক, প্রকৌশলী, ব্যাংকার ও পুলিশ কর্মকর্তা

📰 বিস্তারিত

গাইবান্ধা সদর উপজেলার মদনেপাড়া গ্রামের একটি বাড়ির উঠানে মাটিতে প্লাস্টিকের বস্তা বিছিয়ে গোল হয়ে বসে থাকা শিশুদের পড়াচ্ছেন লুৎফর রহমান। কখনো হাতের ইশারায়, কখনো অঙ্গভঙ্গির মাধ্যমে কঠিন বিষয়গুলো সহজ করে বোঝাচ্ছেন তিনি। লুৎফর রহমানের জন্ম ১৯৪৮ সালের ২৩ নভেম্বর ফুলছড়ি উপজেলার মধ্য উড়িয়া গ্রামে। ১৯৭২ সালে গুণভরি উচ্চ বিদ্যালয় থেকে এসএসসি পাস করার পর পরিবারের আর্থিক সংকটে উচ্চশিক্ষা চালিয়ে যাওয়া সম্ভব হয়নি।

১৯৭৫ সাল থেকে তিনি শিক্ষকতা শুরু করেন। প্রথমদিকে কোনো পারিশ্রমিক ছাড়াই শিশুদের পড়াতেন। পরে অভিভাবকদের অনুরোধে এক টাকা করে নেওয়া শুরু করেন। বর্তমানে তিনি গাইবান্ধা শহর থেকে প্রায় পাঁচ কিলোমিটার দূরে গিদারী ইউনিয়নের বাগুড়িয়া গ্রামে বন্যানিয়ন্ত্রণ বাঁধের পাশে একটি জরাজীর্ণ টিনের ঘরে পরিবার নিয়ে বসবাস করেন। একসময় স্বচ্ছল পরিবার থাকলেও নদীভাঙনে হারিয়েছেন জমিজমা ও সম্পদ। বড় ছেলে ইজিবাইক চালিয়ে সংসারে সহযোগিতা করেন, ছোট ছেলে ইসলামি ফাউন্ডেশনে যোগ দিলেও এখনো নিয়মিত বেতন পাননি।

প্রতিদিন ফজরের নামাজ শেষে তিনি কখনো হেঁটে, কখনো সাইকেলে চড়ে বিভিন্ন গ্রামে যান। বাগুড়িয়া, মদনেরপাড়া, পুলবন্দি, চন্দিয়া ও ঢুলিপাড়াসহ আশপাশের এলাকায় নিয়মিত পাঠদান করেন। লুৎফর মাস্টারের কাছে প্রতিদিন প্রায় ৭০ থেকে ৮০ জন শিক্ষার্থী পড়াশোনা করে।

"১৯৭৫ সালে যখন পড়ানো শুরু করি, তখন কোনো টাকা নিতাম না। পরে অভিভাবকেরা অনুরোধ করায় এক টাকা করে নেওয়া শুরু করি। ৫০ বছর ধরে সেই এক টাকাই নিচ্ছি। অর্থ উপার্জন আমার উদ্দেশ্য নয়। দরিদ্র শিশুদের শিক্ষিত করে দেশের জন্য ভালো মানুষ হিসেবে গড়ে তোলাই আমার লক্ষ্য।"

📊 তথ্যের সারসংক্ষেপ

  • 📍 স্থান: গাইবান্ধা সদর উপজেলা, মদনেপাড়া গ্রাম, গিদারী ইউনিয়ন, বাগুড়িয়া গ্রাম
  • 👥 মুখ্য ব্যক্তি: লুৎফর রহমান (৭৮ বছর), শিক্ষার্থী (৭০-৮০ জন), অভিভাবক সাথি আক্তার, চেয়ারম্যান হারুন অর রশিদ ইদু
  • 🔢 গুরুত্বপূর্ণ সংখ্যা: ৫০ বছর (শিক্ষকতা), ৭৮ বছর (বয়স), ২৩ নভেম্বর (জন্ম তারিখ), ৭০-৮০ জন (শিক্ষার্থী)

📡 মূল নিউজ সোর্সসমূহ

এই প্রতিবেদনটি নিচের সংবাদমাধ্যমগুলোর তথ্যের ভিত্তিতে প্রস্তুত করা হয়েছে। মূল সংবাদ পড়তে নিচের লিংকে ক্লিক করুন:

📤 শেয়ার করুন: 📘 Facebook 💬 WhatsApp 𝕏 Twitter 💼 LinkedIn ✈️ Telegram

💬 মন্তব্য (0)

এখনো কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্য করুন!

মন্তব্য অনুমোদনের পর প্রকাশ করা হবে। ইমেইল প্রকাশিত হবে না।
🤖