📌 কুমিল্লা বিশ্ববিদ্যালয়ের কেন্দ্রীয় লাইব্রেরিতে বসা ও উচ্চস্বরে কথা বলার বিষয়ে সিনিয়র ও জুনিয়র শিক্ষার্থীদের মধ্যে মারামারি হয়। এতে কমপক্ষে ১০ শিক্ষার্থী আহত হন, যার মধ্যে দুজনের মাথায় আঘাত ও একজনকে হাত ভেঙে যায়। বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসন পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনতে সক্ষম হয়
কুমিল্লা বিশ্ববিদ্যালয়ের কেন্দ্রীয় লাইব্রেরিতে বসা ও উচ্চস্বরে কথা বলার বিষয়ে সিনিয়র ও জুনিয়র শিক্ষার্থীদের মধ্যে মারামারি ঘটে। এতে কমপক্ষে ১০ শিক্ষার্থী আহত হন এবং ক্যাম্পাসে উত্তেজনা ছড়িয়ে পড়ে। বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসন পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনতে সক্ষম হয়।
🔴 মূল পয়েন্ট
- 📌 ১০ শিক্ষার্থী আহত — মাথায় আঘাত ও হাত ভেঙে যাওয়া সহ চিকিৎসা চলছে
- 📌 সাকিব ও শাকিলের বিরোধ — ২০২২-২৩ শিক্ষাবর্ষের শিক্ষার্থীদের সাথে ২০২৪-২৫ শিক্ষাবর্ষের আইসিটি বিভাগের শিক্ষার্থীর সংঘর্ষে ঘটনার সূত্রপাত
- 📌 দুপুর ১২টায় শুরু — লাইব্রেরি থেকে গোলচত্বর ও শহীদ ধীরেন্দ্রনাথ দত্ত হল পর্যন্ত উত্তেজনা ছড়ায়
- 📌 বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসন সিসিটিভি পর্যালোচনা — হামলায় জড়িতদের শনাক্ত ও ব্যবস্থা নেওয়ার প্রতিশ্রুতি
- 📌 শিক্ষার্থীদের হাতে লাঠিসোঁটা — শহরমুখী বাসও কিছু সময় আটকে যায়
📰 বিস্তারিত
রোববার দুপুর থেকে বেলা তিনটার মধ্যে কুমিল্লা বিশ্ববিদ্যালয়ের কেন্দ্রীয় লাইব্রেরিতে বসা ও উচ্চস্বরে কথা বলার বিষয়ে সিনিয়র ও জুনিয়র শিক্ষার্থীদের মধ্যে মারামারি হয়। বিশ্ববিদ্যালয়ের মেডিক্যাল সেন্টার জানায়, এতে কমপক্ষে ১০ শিক্ষার্থী আহত হন। আহতদের মধ্যে অন্তত দুজনের মাথায় আঘাত লেগেছে এবং একজনকে হাত ভেঙে যায়। বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসন আহতদের মধ্যে কয়েকজনকে কুমিল্লা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে পাঠিয়েছে।
শিক্ষার্থীদের ভাষ্য অনুযায়ী, দুপুর ১২টার দিকে কেন্দ্রীয় লাইব্রেরিতে বসা ও উচ্চস্বরে কথা বলার বিষয়ে প্রকৌশল অনুষদের তথ্য ও যোগাযোগপ্রযুক্তি (আইসিটি) বিভাগের শিক্ষার্থীদের সঙ্গে প্রত্নতত্ত্ব ও নৃবিজ্ঞান বিভাগের শিক্ষার্থীদের কথা-কাটাকাটি হয়। বিষয়টি নিয়ে প্রক্টর কার্যালয়ে যাওয়া হয় এবং আলোচনার মাধ্যমে বিষয়টি মীমাংসা করা হয়। তবে প্রক্টর কার্যালয় থেকে বের হওয়ার পর গোলচত্বর ও প্রধান ফটকের সামনে আবার উত্তেজনা তৈরি হয়। আইসিটি বিভাগের শিক্ষার্থীদের ধাওয়া করে প্রকৌশল অনুষদের দিকে নিয়ে যাওয়া হয় এবং পরে অন্য পক্ষকে ধাওয়া করে শহীদ ধীরেন্দ্রনাথ দত্ত হলের দিকে নিয়ে যায়।
বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য অধ্যাপক এম এম শরিফুল করীম জানান, দুপুরে লাইব্রেরিতে বসাকে কেন্দ্র করে সিনিয়র-জুনিয়র শিক্ষার্থীদের মধ্যে কথা-কাটাকাটি হয়। এরপর তাৎক্ষণিকভাবে বিষয়টির সমাধানও হয়ে যায়। কিন্তু এর মধ্যে কয়েকজন হলে গিয়ে আবার উত্তেজনা তৈরি করেন। শিক্ষার্থীদের ভাষ্য অনুযায়ী, ২০২২-২৩ শিক্ষাবর্ষের শিক্ষার্থী সাকিব ও শাকিলের সঙ্গে আইসিটি বিভাগের ২০২৪-২৫ শিক্ষাবর্ষের এক শিক্ষার্থীর বিরোধকে কেন্দ্র করে ঘটনার সূত্রপাত হয়। ওই বিরোধের জেরে সাকিব ও শাকিলের সঙ্গে থাকা কয়েকজন শিক্ষার্থী আইসিটি বিভাগে গেলে সেখানে উত্তেজনা তৈরি হয়। পরে সংঘর্ষ বাধে এবং শাকিলকে ধাওয়া করা হলে তিনি শহীদ ধীরেন্দ্রনাথ দত্ত হলে গিয়ে আশ্রয় নেন। পরে হলের শিক্ষার্থীদের সঙ্গে আইসিটি বিভাগের শিক্ষার্থীদের সংঘর্ষ হয়। এতে প্রত্নতত্ত্ব ও নৃবিজ্ঞান বিভাগের কয়েকজন শিক্ষার্থীও জড়িয়ে পড়েন।
"দুপুরে বিষয়টি সমাধান করে দিয়েছিলাম। এরপরও ক্যাম্পাসের গেট ও দত্ত হলে গিয়ে আবার মারামারি হয়েছে। আমরা সিসিটিভি ফুটেজ ও সাংবাদিকদের ধারণ করা ভিডিও পর্যালোচনা করে হামলায় জড়িত ব্যক্তিদের শনাক্ত করব। তাঁদের বিরুদ্ধে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়া হবে।" — বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রক্টর অধ্যাপক মো. শাহাদাৎ হোসেন
📊 তথ্যের সারসংক্ষেপ
- 📍 স্থান: কুমিল্লা বিশ্ববিদ্যালয়, কেন্দ্রীয় লাইব্রেরি, গোলচত্বর, প্রধান ফটক, শহীদ ধীরেন্দ্রনাথ দত্ত হল
- 👥 খবরের মুখ্য ব্যক্তি: উপাচার্য এম এম শরিফুল করীম, প্রক্টর মো. শাহাদাৎ হোসেন, শিক্ষার্থী সাকিব ও শাকিল, আইসিটি বিভাগের শিক্ষার্থী
- 🔢 গুরুত্বপূর্ণ সংখ্যা: ১০ জন আহত শিক্ষার্থী, দুপুর ১২টায় ঘটনার সূত্রপাত, ২০২২-২৩ ও ২০২৪-২৫ শিক্ষাবর্ষের শিক্ষার্থীরা জড়িত
💬 মন্তব্য (0)
এখনো কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্য করুন!