📌 কুমিল্লার চান্দলা করিম বক্স হাই স্কুল অ্যান্ড কলেজের একাদশ শ্রেণির ভর্তি ফরমে ‘মুজিব শতবর্ষ’ লোগো ও আওয়ামী লীগের রাজনৈতিক স্লোগান যুক্ত থাকায় ইনচার্জ আবুল কালাম আজাদকে অব্যাহতি দেওয়া হয়। ঘটনায় বিতর্কের পাশাপাশি প্রশাসনিক ও আইনগত ব্যবস্থা নেওয়ার দাবি জানান স্থানীয় ছাত্রনেতারা
কুমিল্লার ব্রাহ্মণপাড়ার চান্দলা করিম বক্স হাই স্কুল অ্যান্ড কলেজের একাদশ শ্রেণির ভর্তি ফরমে ‘মুজিব শতবর্ষ’ লোগো ও আওয়ামী লীগের রাজনৈতিক স্লোগান যুক্ত থাকায় কলেজের ইনচার্জ আবুল কালাম আজাদকে দায়িত্ব থেকে অব্যাহতি দেওয়া হয়েছে। গত ২১ ও ২২ সেপ্টেম্বর ভর্তি কার্যক্রমে ব্যবহৃত ফরমে এই স্লোগান ও লোগো থাকায় স্থানীয় বাসিন্দা, শিক্ষার্থী ও ছাত্রনেতাদের মধ্যে ক্ষোভ সৃষ্টি হয়। ঘটনাটি সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়লে বিতর্কের কেন্দ্রবিন্দুতে পরিণত হয়।
🔴 মূল পয়েন্ট
- 📌 ২১ ও ২২ সেপ্টেম্বর একাদশ শ্রেণির ভর্তি ফরমে ‘মুজিব শতবর্ষ’ লোগো ও আওয়ামী লীগের স্লোগান যুক্ত থাকায় ইনচার্জ আবুল কালাম আজাদকে অব্যাহতি দেওয়া হয়
- 📌 ১০ টা সকালে কলেজের অ্যাডহক কমিটির আদেশে ইনচার্জকে দায়িত্ব থেকে সরানো হয়
- 📌 ভারপ্রাপ্ত অধ্যক্ষ শরিফুল ইসলাম ভূঁইয়া দাবি করেন, ইনচার্জ অধ্যক্ষকে পাশ কাটিয়ে একক সিদ্ধান্ত নেন
- 📌 আবুল কালাম আজাদ দাবি করেন, ল্যাব সহযোগীদের ভুলে পুরোনো ফরম বিতরণ করা হয়েছিল
- 📌 উপজেলা মাধ্যমিক শিক্ষা কর্মকর্তা শহীদুল করিম বলেন, ঘটনাটি পর্যবেক্ষণ করা হচ্ছে এবং কলেজ কর্তৃপক্ষকে নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে
📰 বিস্তারিত
গত ২১ ও ২২ সেপ্টেম্বর একাদশ শ্রেণির ভর্তি কার্যক্রমে শিক্ষার্থীদের দেওয়া ফরমে ‘মুজিব শতবর্ষ’ লোগো ও আওয়ামী লীগের রাজনৈতিক স্লোগান থাকায় স্থানীয় বাসিন্দা, শিক্ষার্থী ও ছাত্রনেতাদের মধ্যে ক্ষোভ সৃষ্টি হয়। ঘটনাটি সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়লে বিতর্কের কেন্দ্রবিন্দুতে পরিণত হয়। এর পরিপ্রেক্ষিতে কলেজের অ্যাডহক কমিটির সভাপতি আবুল বাশার সরকারের নেতৃত্বে গতকাল রোববার সকাল ১০ টায় ইনচার্জ আবুল কালাম আজাদকে দায়িত্ব থেকে অব্যাহতি দেওয়া হয়।
ভারপ্রাপ্ত অধ্যক্ষ শরিফুল ইসলাম ভূঁইয়া জানান, তিনি ব্যক্তিগতভাবে বিপদে ফেলার উদ্দেশ্যে ইনচার্জ আবুল কালাম আজাদ একক সিদ্ধান্তে বিতর্কিত ফরম ছাপিয়ে বিতরণ করেছিলেন। তিনি দাবি করেন, এই প্রক্রিয়ায় তার কোনো সম্পৃক্ততা নেই। তবে ইনচার্জ আবুল কালাম আজাদ এক লিখিত প্রতিবাদলিপিতে দাবি করেন, ল্যাব সহযোগীদের ভুলে চার-পাঁচটি পুরোনো ফরম শিক্ষার্থীদের মধ্যে বিতরণ করা হয়েছিল। তিনি আরও দাবি করেন, অধ্যক্ষের নির্দেশনায় একটি ভর্তি কমিটি গঠন করা হয়েছিল। তবে সাংবাদিকদের প্রশ্নের মুখে ওই কমিটি গঠনের পক্ষে কোনো লিখিত প্রমাণ বা রেজুলেশন দেখাতে পারেননি তিনি।
উপজেলা মাধ্যমিক শিক্ষা কর্মকর্তা শহীদুল করিম বলেন, ঘটনাটি গভীরভাবে পর্যবেক্ষণ করা হচ্ছে। এ বিষয়ে যথাযথ পদক্ষেপ নিতে কলেজ কর্তৃপক্ষকে প্রয়োজনীয় নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে।
"তাঁকে ব্যক্তিগতভাবে বিপদে ফেলার উদ্দেশ্যেই ইনচার্জ আবুল কালাম আজাদ একক সিদ্ধান্তে বিতর্কিত ভর্তি ফরম ছাপিয়ে বিতরণ করেছিলেন। এই প্রক্রিয়ার সঙ্গে আমার কোনো সম্পৃক্ততা নেই।"
"ল্যাব সহযোগীদের ভুলে চার-পাঁচটি পুরোনো ফরম শিক্ষার্থীদের মধ্যে বিতরণ করা হয়েছিল। অধ্যক্ষের নির্দেশনায় একটি ভর্তি কমিটি গঠন করা হয়েছিল।"
📊 তথ্যের সারসংক্ষেপ
- 📍 স্থান: চান্দলা করিম বক্স হাই স্কুল অ্যান্ড কলেজ, ব্রাহ্মণপাড়া, কুমিল্লা
- 👥 খবরের মুখ্য ব্যক্তি: আবুল কালাম আজাদ (ইনচার্জ), শরিফুল ইসলাম ভূঁইয়া (ভারপ্রাপ্ত অধ্যক্ষ), আবুল বাশার সরকার (অ্যাডহক কমিটির সভাপতি), শহীদুল করিম (উপজেলা মাধ্যমিক শিক্ষা কর্মকর্তা)
- 🔢 গুরুত্বপূর্ণ সংখ্যা: ২১ ও ২২ সেপ্টেম্বর, ১০ টা, ৩৬ বছর (মো. সোহরাব হোসেনের বয়স — অতিরিক্ত তথ্য)
💬 মন্তব্য (0)
এখনো কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্য করুন!