📅 ২৬ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ৮:২৩ অপরাহ্ণ এআই প্রযুক্তিতে যাচাই করা সর্বশেষ সঠিক বাংলা সংবাদ।
⚡ শেষ মুহূর্ত

কুলসুমের জীবনগাথা: বাসাবাড়ি কাজ করে মেয়েকে উচ্চমাধ্যমিক পড়িয়ে দেন, বাল্যবিয়ে থেকে রক্ষা করলেন

কুলসুমের জীবনগাথা: বাসাবাড়ি কাজ করে মেয়েকে উচ্চমাধ্যমিক পড়িয়ে দেন, বাল্যবিয়ে থেকে রক্ষা করলেন

📷 ছবি: বিডিনিউজ২৪

📡 নিউজ সোর্সগুলি:
🔗 BDNews24 ↗ ⚠ একক সোর্স
ℹ️ এই প্রতিবেদনটি কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা (AI) দ্বারা একাধিক সংবাদমাধ্যমের তথ্যের ভিত্তিতে পুনর্লিখিত। মূল নিউজ সোর্সগুলি নিচে উল্লেখ করা হয়েছে।

📌 মিরপুরের বাসাবাড়ি কাজ করে নিজের মেয়েকে উচ্চমাধ্যমিক পর্যন্ত পড়িয়ে দিয়েছেন কুলসুম। শৈশবে বাবা ছেড়ে যাওয়ার পর ময়মনসিংহ থেকে ঢাকায় এসে সংসার চালানোর পাশাপাশি মেয়েকে পড়ালেখার সুযোগ দিতে চেয়েছিলেন। কিন্তু নিজের পড়াশোনা থেমে যাওয়ার কারণে ১১ বছর বয়সে বিয়ে দিতে বাধ্য হন। এখন তিনি নিজের সন্তানদের পড়াশোনা নিশ্চিত করতে চান এবং মেয়েকে বাল্যবিয়ে থেকে রক্ষা করেছেন

মিরপুরের একটি বাসাবাড়িতে কাজ করে নিজের মেয়েকে উচ্চ মাধ্যমিক পর্যন্ত পড়িয়ে দিয়েছেন কুলসুম। তার জীবনগাথা শোনলে বোঝা যায়, কীভাবে অভাবের মধ্যে পড়াশোনা চালিয়ে যাওয়া সম্ভব। সে নিজের জীবন দেখে সিদ্ধান্ত নিয়েছেন যে, যেভাবেই হোক সন্তানদের পড়াশোনা করাবেন।

🔴 মূল পয়েন্ট

  • 📌 মিরপুরের বাসাবাড়ি কাজ করে নিজের মেয়েকে উচ্চমাধ্যমিক পর্যন্ত পড়িয়ে দিয়েছেন কুলসুম
  • 📌 শৈশবে বাবা ছেড়ে যাওয়ার পর ময়মনসিংহ থেকে ঢাকায় এসে সংসার চালানোর পাশাপাশি মেয়েকে পড়ালেখার সুযোগ দিতে চেয়েছিলেন
  • 📌 নিজের পড়াশোনা থেমে যাওয়ার কারণে ১১ বছর বয়সে বিয়ে দিতে বাধ্য হন, কিন্তু নিজের মেয়েকে বাল্যবিয়ে থেকে রক্ষা করেছেন
  • 📌 কুলসুমের স্বামী কোনো লেখাপড়াই করেননি, তাই তিনি ইচ্ছে করছেন ছেলেমেয়েদের পড়াশোনা করাবেন

📰 বিস্তারিত

কুলসুমের জীবনযাত্রার শুরু ছিল কঠিন। শৈশবে তার বাবা তাদেরকে ছেড়ে চলে যাওয়ার পর তিনি ও তার মা ময়মনসিংহ থেকে ঢাকায় চলে আসেন। ঢাকায় এসে তারা বাসাবাড়িতে কাজ করে সংসার চালাতেন। কুলসুমের মা মেয়েকে পড়ালেখার সুযোগ দিতে চেয়েছিলেন, কিন্তু অভাবের কারণে কুলসুমের শিক্ষাজীবন থেমে যায়। এরপর ১১ বছর বয়সে তাকে বিয়ে দিয়ে দেওয়া হয়।

কুলসুম বলেন, “আমার পড়ালেখা করার ইচ্ছে ছিল। কিন্তু সুযোগ পাইনি। পড়ালেখার সুযোগ পেলে আমি হয়ত আজ অফিসে চাকরি করতে পারতাম।” তিনি নিজের জীবন দেখে সিদ্ধান্ত নিয়েছেন যে, যেভাবেই হোক সন্তানদের পড়াশোনা করাবেন। তিনি বলেন, “আমি তৃতীয় শ্রেণি পর্যন্ত পড়েছি। বাংলা পড়তে পারি। আমার স্বামী কোনো লেখাপড়াই করেননি। তাই ইচ্ছে আছে ছেলেমেয়েদের পড়াশোনা করাব।”

কুলসুমের মেয়েকে বাল্যবিয়ে থেকে রক্ষা করেছেন তিনি। মেয়ের বিয়ে হয়েছে প্রাপ্ত বয়স্ক হওয়ার পর এবং বর্তমানে চাকরি করছে। কুলসুমের এক ছেলে ও এক মেয়ের মা।

"আমার পড়ালেখা করার ইচ্ছে ছিল। কিন্তু সুযোগ পাইনি। পড়ালেখার সুযোগ পেলে আমি হয়ত আজ অফিসে চাকরি করতে পারতাম।"
"আমি তৃতীয় শ্রেণি পর্যন্ত পড়েছি। বাংলা পড়তে পারি। আমার স্বামী কোনো লেখাপড়াই করেননি। তাই ইচ্ছে আছে ছেলেমেয়েদের পড়াশোনা করাব।"

📊 তথ্যের সারসংক্ষেপ

  • 📍 স্থান: মিরপুর, ঢাকা
  • 👥 খবরের মুখ্য ব্যক্তি: কুলসুম
  • 🔢 গুরুত্বপূর্ণ সংখ্যা: ১১ বছর বয়সে বিয়ে

📡 মূল নিউজ সোর্সসমূহ

এই প্রতিবেদনটি নিচের সংবাদমাধ্যমগুলোর তথ্যের ভিত্তিতে প্রস্তুত করা হয়েছে। মূল সংবাদ পড়তে নিচের লিংকে ক্লিক করুন:

📤 শেয়ার করুন: 📘 Facebook 💬 WhatsApp 𝕏 Twitter 💼 LinkedIn ✈️ Telegram

💬 মন্তব্য (0)

এখনো কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্য করুন!

মন্তব্য অনুমোদনের পর প্রকাশ করা হবে। ইমেইল প্রকাশিত হবে না।
🤖