📅 ১৩ অক্টোবর ২০২৬, ১১:৪৩ পূর্বাহ্ণ এআই প্রযুক্তিতে যাচাই করা সর্বশেষ সঠিক বাংলা সংবাদ।
⚡ শেষ মুহূর্ত

কলাগাছের সুতা দিয়ে বোনা ‘কলাবতী’ শাড়ি: সরকারি সহযোগিতায় চলে উন্নয়ন

কলাগাছের সুতা দিয়ে বোনা ‘কলাবতী’ শাড়ি: সরকারি সহযোগিতায় চলে উন্নয়ন

📷 ছবি: Ajker Patrika

📡 নিউজ সোর্সগুলি:
🔗 আজকের পত্রিকা ↗ ⚠ একক সোর্স
ℹ️ এই প্রতিবেদনটি কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা (AI) দ্বারা একাধিক সংবাদমাধ্যমের তথ্যের ভিত্তিতে পুনর্লিখিত। মূল নিউজ সোর্সগুলি নিচে উল্লেখ করা হয়েছে।

📌 মৌলভীবাজারের তাঁতশিল্পী রাধাবতী দেবী কলাগাছের সুতা দিয়ে তৈরি ‘কলাবতী’ শাড়ির উদ্যোগ নিয়ে সরকারি-বেসরকারি সহযোগিতায় আশা জাগিয়েছেন। তবে অর্থ ও প্রশিক্ষণের অভাবে এই শিল্পের অগ্রগতি থমকে গেছে

মৌলভীবাজারের কমলগঞ্জের তাঁতশিল্পী রাধাবতী দেবীর উদ্যোগে কলাগাছের সুতা দিয়ে তৈরি ‘কলাবতী’ শাড়ি দেশজুড়ে আলোচনার কেন্দ্রবিন্দুতে এসেছিল। তবে সরকারি ও বেসরকারি পৃষ্ঠপোষকতার অভাবে এই উদ্ভাবনী শিল্পের অগ্রগতি থমকে গেছে। শিল্পী রাধাবতী দেবী বলেছেন, আর্থিক সহায়তা ও প্রশিক্ষণ পেলে আবারও এই শিল্পকে এগিয়ে নিতে চান তিনি।

🔴 মূল পয়েন্ট

  • 📌 **কলাবতী শাড়ি**: কলাগাছের সুতা দিয়ে তৈরি প্রথম শাড়ি, নামকরণ করা হয়েছে শিল্পীর নামানুসারে
  • 📌 **প্রশিক্ষণ কার্যক্রম**: ২০২৩ সালে বান্দরবান জেলা প্রশাসনের সহযোগিতায় ৩০ জন ও ৫০ জনকে প্রশিক্ষণ দেওয়া হয়, মোট ৮টি শাড়ি তৈরি
  • 📌 **অর্থনৈতিক বাধা**: একটি শাড়ি তৈরিতে ৮-১০ হাজার টাকা খরচ হয়, ১৫-২০ দিন সময় লাগে
  • 📌 **সহযোগিতার দাবি**: ৩০-৩৫ লাখ টাকা বিনিয়োগের প্রয়োজন, সরকারি পৃষ্ঠপোষকতা চান রাধাবতী দেবী
  • 📌 **বর্তমান অবস্থা**: বর্তমানে বিছানার চাদর তৈরি করছেন, কলাগাছের সুতা সংগ্রহের জন্য সিলেটের উপর নির্ভরশীল

📰 বিস্তারিত

২০২৩ সালের এপ্রিল মাসে বান্দরবান জেলা প্রশাসনের আমন্ত্রণে রাধাবতী দেবী কলাগাছের সুতা দিয়ে প্রথম ‘কলাবতী’ শাড়ি তৈরি করেন। শিল্পীর নামানুসারে এই শাড়ির নামকরণ করা হয়। শিল্পী বলেছেন, শাড়ি তৈরিতে দীর্ঘ সময় ও পরিশ্রমের প্রয়োজন হয়। তিনি জানান, বান্দরবান জেলার আর্থসামাজিক উন্নয়নের উদ্যোগে কলাগাছের সুতা দিয়ে শাড়ি তৈরির পরিকল্পনা করা হয়েছিল। তবে শুরুতে সংশয় থাকলেও ১৫ দিনের চেষ্টায় তিনি একটি শাড়ি তৈরি করতে সক্ষম হন।

২০২৩ সালের সেপ্টেম্বর মাসে ক্ষুদ্র ও মাঝারি শিল্প (এসএমই) ফাউন্ডেশনের আয়োজনে শ্রীমঙ্গলের ডলুছড়া গ্রামে ২০ দিনব্যাপী প্রশিক্ষণ কার্যক্রমে অংশ নেন রাধাবতী দেবী। সেখানে ৩০ জন নারীকে প্রশিক্ষণ দেওয়া হয় এবং চারটি শাড়ি তৈরি করা হয়। প্রশিক্ষণ পরিচালনার জন্য তাঁকে ৮০ হাজার টাকা দেওয়া হয়। একই বছরের ১৯ সেপ্টেম্বর থেকে ১৮ নভেম্বর পর্যন্ত বান্দরবান জেলা প্রশাসনের সহযোগিতায় বাংলাদেশ ক্ষুদ্র ও কুটির শিল্প সংস্থা ৬০ দিনব্যাপী আরেকটি প্রশিক্ষণ কার্যক্রম পরিচালনা করে। সেখানে ৫০ জন প্রশিক্ষণার্থীকে প্রশিক্ষণ দেওয়া হয় এবং চারটি শাড়ি তৈরি করা হয়। প্রশিক্ষণের খরচ বাদে তাঁকে ৬০ হাজার টাকা দেওয়া হয়েছিল।

রাধাবতী দেবী বলেন, ‘এর পর থেকে এ বিষয়ে আর কেউ আমার সঙ্গে যোগাযোগ করেনি’। তিনি আরও বলেন, কলাগাছের সুতা দিয়ে শাড়ি তৈরির জন্য প্রায় ৩০ থেকে ৩৫ লাখ টাকা বিনিয়োগের প্রয়োজন। তিনি নিজ উদ্যোগে এ কাজ চালিয়ে যেতে পারছেন না। তিনি বলেন, ‘আমরা চাইলে বান্দরবান থেকে কলাগাছের সুতা নিয়ে আসতে পারব, কিন্তু শাড়ি তৈরির প্রশিক্ষণ ও অর্থের অভাব রয়েছে।’

"আমরা চাইলে বান্দরবান থেকে কলাগাছের সুতা নিয়ে আসতে পারব। কিন্তু শাড়ি তৈরির প্রশিক্ষণ ও অর্থের অভাব রয়েছে। শাড়ি তৈরিতে শ্রম ও খরচ দুটোই বেশি। অর্থনৈতিক সমস্যার কারণে আমরা কাজটি চালিয়ে যেতে পারছি না।"

📊 তথ্যের সারসংক্ষেপ

  • 📍 স্থান: মৌলভীবাজার (কমলগঞ্জ), বান্দরবান, শ্রীমঙ্গল (ডলুছড়া গ্রাম)
  • 👥 খবরের মুখ্য ব্যক্তি: রাধাবতী দেবী
  • 🔢 গুরুত্বপূর্ণ সংখ্যা: ৯টি শাড়ি তৈরি, ১৫-২০ দিন সময় লাগে, ৮-১০ হাজার টাকা খরচ, ৩০-৩৫ লাখ টাকা বিনিয়োগের প্রয়োজন

📡 মূল নিউজ সোর্সসমূহ

এই প্রতিবেদনটি নিচের সংবাদমাধ্যমগুলোর তথ্যের ভিত্তিতে প্রস্তুত করা হয়েছে। মূল সংবাদ পড়তে নিচের লিংকে ক্লিক করুন:

📤 শেয়ার করুন: 📘 Facebook 💬 WhatsApp 𝕏 Twitter 💼 LinkedIn ✈️ Telegram

💬 মন্তব্য (0)

এখনো কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্য করুন!

মন্তব্য অনুমোদনের পর প্রকাশ করা হবে। ইমেইল প্রকাশিত হবে না।
🤖