📌 খুলনা বিশ্ববিদ্যালয়ে দু’দিনব্যাপী স্কলারশিপ ফেস্টিভ্যালে উপাচার্য ড. রেজাউল করিমের নেতৃত্বে আন্তর্জাতিক শিক্ষা ও গবেষণার সুযোগ সম্পর্কে আলোচনা অনুষ্ঠিত হয়। নারায়ণগঞ্জ বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য ড. নাজমুস সাদাতসহ বিশেষ অতিথিরা শিক্ষার্থীদের জন্য স্কলারশিপ প্রাপ্তির কৌশল ও প্রস্তুতি সম্পর্কে বিস্তারিত আলোচনা করেন
খুলনা বিশ্ববিদ্যালয়ের সাংবাদিক লিয়াকত আলী মিলনায়তনে দু’দিনব্যাপী ‘স্কলারশিপ ফেস্টিভ্যাল: সিজন-১’ অনুষ্ঠানের শেষ দিন শনিবার (৫ সেপ্টেম্বর) ফরমাল সেশন অনুষ্ঠিত হয়। এই উদ্যোগে খুলনা বিশ্ববিদ্যালয় রিসার্চ সোসাইটি (কেইউআরএস) নেতৃত্ব দিয়েছে। অনুষ্ঠানে উপাচার্য প্রফেসর ড. মো. রেজাউল করিম প্রধান অতিথি হিসেবে বক্তব্য রাখেন এবং শিক্ষার্থীদের আন্তর্জাতিক শিক্ষা ও গবেষণার প্রস্তুতি নিয়ে গুরুত্বপূর্ণ আলোচনা করেন।
🔴 মূল পয়েন্ট
- 📌 খুলনা বিশ্ববিদ্যালয়ে দু’দিনব্যাপী স্কলারশিপ ফেস্টিভ্যালে শিক্ষার্থীদের জন্য বিদেশে উচ্চশিক্ষা ও গবেষণার সুযোগ সম্পর্কে বিস্তারিত আলোচনা অনুষ্ঠিত হয়।
- 📌 উপাচার্য ড. রেজাউল করিম বলেন, বর্তমান বিশ্বের প্রতিযোগিতায় টিকে থাকতে শিক্ষার্থীদের আন্তর্জাতিক পরিসরে নিজেদের প্রস্তুত করতে হবে এবং স্কলারশিপের মাধ্যমে সেই সুযোগ কাজে লাগাতে হবে।
- 📌 নারায়ণগঞ্জ বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য ড. মো. নাজমুস সাদাত শিক্ষার্থীদের জন্য স্কলারশিপ প্রাপ্তির কৌশল ও প্রস্তুতি সম্পর্কে আলোচনা করেন।
- 📌 অনুষ্ঠানে ‘ডিএএডি স্কলারশিপ’ ও ‘এমইএক্সটি স্কলারশিপ’ আবেদনের নির্দেশিকা ও প্রস্তুতি কৌশল তুলে ধরা হয়।
- 📌 যুক্তরাজ্য, জার্মানি, অস্ট্রেলিয়া, জাপান ও ইউরোপের বিভিন্ন স্কলারশিপের আবেদন প্রক্রিয়া ও প্রয়োজনীয় কৌশল নিয়ে আলোচনা করা হয়।
- 📌 খুলনা বিশ্ববিদ্যালয়ের উপ-উপাচার্য প্রফেসর ড. মো. হারুনর রশীদ খান বলেন, স্কলারশিপ জীবনের জন্য সম্মানের বিষয় এবং তথ্য-প্রযুক্তির উৎকর্ষের কারণে শিক্ষার্থীদের এ সুযোগ কাজে লাগাতে হবে।
📰 বিস্তারিত
খুলনা বিশ্ববিদ্যালয়ের সাংবাদিক লিয়াকত আলী মিলনায়তনে অনুষ্ঠিত ফরমাল সেশনে উপাচার্য প্রফেসর ড. মো. রেজাউল করিম বলেন, বর্তমান বিশ্ব অত্যন্ত প্রতিযোগিতাপূর্ণ। তিনি অস্ট্রেলিয়া ও নেদারল্যান্ডস সফরের অভিজ্ঞতা তুলে ধরেন এবং বলেন, উন্নত দেশগুলোর বিশ্ববিদ্যালয়গুলোতে শিক্ষা ও গবেষণার সুযোগ-সুবিধা শিক্ষার্থীদের জ্ঞানচর্চা ও উদ্ভাবনী সক্ষমতা বিকাশে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখে। তিনি আরও বলেন, খুলনা বিশ্ববিদ্যালয় শিক্ষার্থীদের রিসার্চ পেপার প্রকাশের প্রণোদনা দেয় এবং তা আন্তর্জাতিক স্কলারশিপ অর্জনের ক্ষেত্রেও গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখে।
বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত নারায়ণগঞ্জ বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য ড. মো. নাজমুস সাদাত বলেন, বিশ্ববিদ্যালয়ের মূল কাজ জ্ঞান সৃষ্টি করা। তিনি শিক্ষার্থীদের স্কলারশিপ ফেস্টিভ্যালকে নিজেকে বিশ্ব দরবারে উপস্থাপনের সুযোগ হিসেবে দেখান এবং বলেন, স্কলারশিপ প্রাপ্তির জন্য লক্ষ্য, ক্রিটিক্যাল থিংকিং, ইংরেজি দক্ষতা, রিসার্চ রাইটিং এবং বৈজ্ঞানিক জ্ঞান প্রয়োজন। তিনি আরও বলেন, বিদেশে উচ্চ শিক্ষা শেষে দেশে ফিরে দেশের উন্নয়নে ভূমিকা রাখা উচিত।
উপ-উপাচার্য প্রফেসর ড. মো. হারুনর রশীদ খান বলেন, রিসার্চ একটি লাইফটাইম জার্নি এবং স্কলারশিপ সেই সুযোগের একটি গুরুত্বপূর্ণ মাধ্যম। তিনি বলেন, বর্তমানে তথ্য-প্রযুক্তির উৎকর্ষের কারণে শিক্ষার্থীদের প্রয়োজনীয় তথ্য হাতের মুঠোয় পাওয়ার সুযোগ রয়েছে। তিনি শিক্ষার্থীদের এ সুযোগ কাজে লাগাতে উৎসাহিত করেন।
"বর্তমান বিশ্ব অত্যন্ত প্রতিযোগিতাপূর্ণ। শিক্ষার্থীদের জ্ঞান, দক্ষতা ও যোগ্যতা অর্জনের পাশাপাশি আন্তর্জাতিক পরিসরে নিজেদের প্রস্তুত করতে হবে। আর এ ক্ষেত্রে পরিশ্রমের কোনো বিকল্প নেই।"
📊 তথ্যের সারসংক্ষেপ
- 📍 স্থান: খুলনা বিশ্ববিদ্যালয়, সাংবাদিক লিয়াকত আলী মিলনায়তন
- 👥 খবরের মুখ্য ব্যক্তি: উপাচার্য প্রফেসর ড. মো. রেজাউল করিম, ড. মো. নাজমুস সাদাত, প্রফেসর ড. মো. হারুনর রশীদ খান
- 🔢 গুরুত্বপূর্ণ সংখ্যা: ৫ সেপ্টেম্বর (অনুষ্ঠানের তারিখ), ২ দিন (ফেস্টিভ্যালের দৈর্ঘ্য)
💬 মন্তব্য (0)
এখনো কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্য করুন!