📌 গোপালগঞ্জ-৩ আসনের সংসদ সদস্য এস এম জিলানী বলেছেন, ১৭ বছর ধরে শিক্ষা ব্যবস্থায় ষড়যন্ত্রের মাধ্যমে বাংলাদেশকে মেধাশূন্য করার চেষ্টা করা হয়েছিল। তিনি অভিযোগ করেছেন, পরীক্ষায় শিক্ষার্থীদের পাস করার নির্দেশনা দেওয়া হতো এবং শিক্ষার মান ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছিল
গোপালগঞ্জের কোটালীপাড়া উপজেলায় অনুষ্ঠিত একটি বৃত্তিপ্রাপ্ত শিক্ষার্থীদের সম্মাননা অনুষ্ঠানে গোপালগঞ্জ-৩ আসনের সংসদ সদস্য ও স্বেচ্ছাসেবক দলের কেন্দ্রীয় সভাপতি এস এম জিলানী বলেছেন, ১৭ বছর ধরে শিক্ষা ব্যবস্থায় ষড়যন্ত্রের মাধ্যমে বাংলাদেশকে মেধাশূন্য করার চেষ্টা করা হয়েছিল। তিনি অভিযোগ করেছেন, এই সময়ে শিক্ষার্থীদের পরীক্ষায় কিছু লিখুক বা না লিখুক, তাদের পাস করার নির্দেশনা দেওয়া হতো, যা শিক্ষার প্রকৃত মানকে ক্ষতিগ্রস্ত করেছে।
🔴 মূল পয়েন্ট
- 📌 ১৭ বছরের ষড়যন্ত্র: এস এম জিলানী বলেছেন, এই সময়ে শিক্ষা ব্যবস্থায় ষড়যন্ত্রের মাধ্যমে বাংলাদেশকে মেধাশূন্য করার চেষ্টা করা হয়েছিল।
- 📌 পাস করার নির্দেশনা: শিক্ষার্থীদের পরীক্ষায় লিখুক বা না লিখুক, তাদের পাস করার নির্দেশনা দেওয়া হতো, যা শিক্ষার মানকে ক্ষতিগ্রস্ত করেছে।
- 📌 জিপিএ ও গোল্ডেন জিপিএ: জিপিএ ও গোল্ডেন জিপিএ পাওয়ার প্রবণতা বাড়লেও উচ্চমাধ্যমিক পর্যায়ে শিক্ষার্থীরা প্রত্যাশিত সাফল্য অর্জন করতে পারেনি।
- 📌 শিক্ষকদের সহযোগিতা: তিনি শিক্ষকদের অভিজ্ঞতা ও মতামত কাজে লাগিয়ে বিদ্যালয়গুলোর শিক্ষার পরিবেশ উন্নত করার আহ্বান জানান।
- 📌 শিক্ষার্থীদের উদ্দীপনা: বৃত্তিপ্রাপ্ত শিক্ষার্থীদের উদ্দেশে তিনি বলেন, বইয়ের পাশাপাশি বাস্তব জ্ঞান অর্জন করতে হবে।
📰 বিস্তারিত
শনিবার (১০ অক্টোবর) দুপুরে কোটালীপাড়া পল্লী উন্নয়ন একাডেমির (আরডিএ) হলরুমে অনুষ্ঠিত বৃত্তিপ্রাপ্ত কৃতী শিক্ষার্থীদের সম্মাননা অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে এস এম জিলানী বলেন, “১৭ বছর একটি সরকার এবং একটি রাষ্ট্রের ষড়যন্ত্র ছিল বাংলাদেশ জাতিকে মেধাশূন্য করে দেওয়ার জন্য। এই সময়ে লেখাপড়ার মান উঠিয়ে দেওয়া হয়েছিল।” তিনি শিক্ষকদের উদ্দেশে বলেন, “আমরা এই শিক্ষা পদ্ধতি চাই না।”
১৬০ জন বৃত্তিপ্রাপ্ত শিক্ষার্থীর হাতে স্কুলব্যাগ ও ফুল তুলে দেন তিনি। শিক্ষকদের উদ্দেশে তিনি পরামর্শ দেন, “আমাকে আপনারা পরামর্শ দেন, কীভাবে কোটালীপাড়ার প্রাথমিক বিদ্যালয়ের শিক্ষার মান ও পরিবেশ উন্নত করা যায়।” তিনি শিক্ষকদের অভিজ্ঞতা ও মতামত কাজে লাগিয়ে বিদ্যালয়গুলোর শিক্ষার পরিবেশ উন্নত করার ওপর গুরুত্ব দেন।
শিক্ষার্থীদের উদ্দেশে তিনি বলেন, ‘তোমাদের উদ্দীপ্ত করার জন্য আজকের এই আয়োজনটি আমার ক্ষুদ্র প্রয়াস। লেখাপড়ায় আরও মনোনিবেশ করতে হবে। বইয়ের পাশাপাশি বাস্তব জ্ঞান অর্জন করতে হবে।’ তিনি শিক্ষার্থীদের নিয়মিত পড়াশোনার পাশাপাশি বাস্তব জ্ঞান অর্জন এবং নিজেদের যোগ্য নাগরিক হিসেবে গড়ে তোলার আহ্বান জানান।
প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের শিক্ষা নীতির প্রশংসা করে তিনি বলেন, প্রাথমিক শিক্ষার উন্নয়নে বিভিন্ন পরিকল্পনা নেওয়া হয়েছে। শিক্ষার মানোন্নয়ন, বিদ্যালয়ের পরিবেশ উন্নত করা এবং শিক্ষার্থীদের মেধার বিকাশের মাধ্যমে ভবিষ্যৎ প্রজন্মকে যোগ্য নাগরিক হিসেবে গড়ে তোলার প্রত্যাশা ব্যক্ত করেন তিনি।
"১৭ বছর একটি সরকার এবং একটি রাষ্ট্রের ষড়যন্ত্র ছিল বাংলাদেশ জাতিকে মেধাশূন্য করে দেওয়ার জন্য। এই সময়ে লেখাপড়ার মান উঠিয়ে দেওয়া হয়েছিল।"
"আমরা এই শিক্ষা পদ্ধতি চাই না।"
"আমাকে আপনারা পরামর্শ দেন, কীভাবে কোটালীপাড়ার প্রাথমিক বিদ্যালয়ের শিক্ষার মান ও পরিবেশ উন্নত করা যায়।"
📊 তথ্যের সারসংক্ষেপ
- 📍 স্থান: কোটালীপাড়া পল্লী উন্নয়ন একাডেমি, গোপালগঞ্জ
- 👥 খবরের মুখ্য ব্যক্তি: এস এম জিলানী (গোপালগঞ্জ-৩ আসনের সংসদ সদস্য ও স্বেচ্ছাসেবক দলের কেন্দ্রীয় সভাপতি)
- 🔢 গুরুত্বপূর্ণ সংখ্যা: ১৭ বছর, ১৬০ জন শিক্ষার্থী
💬 মন্তব্য (0)
এখনো কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্য করুন!