📌 জামালপুর নার্সিং ও মিডওয়াইফারি কলেজে নবনিযুক্ত অধ্যক্ষ মাকসুদা ইয়াসমিন শিক্ষার্থীদের বিক্ষোভের মুখে কলেজে ঢুকতে ব্যর্থ হন। শেরপুর নার্সিং কলেজে দুর্নীতির অভিযোগে পদত্যাগের দাবিতে আন্দোলনকারী শিক্ষার্থীরা তাকে কলেজে প্রবেশ করতে বাধা দেন
জামালপুরের শিক্ষার্থীদের বিক্ষোভের মুখে জামালপুর নার্সিং ও মিডওয়াইফারি কলেজে যোগদান করতে ব্যর্থ হন নবনিযুক্ত অধ্যক্ষ মাকসুদা ইয়াসমিন। বৃহস্পতিবার (১৫ অক্টোবর) কলেজের সামনে শিক্ষার্থীদের আন্দোলনের মুখে তিনি দীর্ঘ সময় আটকে পড়েন এবং শেষ পর্যন্ত কলেজে প্রবেশ করতে পারেননি।
🔴 মূল পয়েন্ট
- 📌 ১৫ অক্টোবর জামালপুর নার্সিং ও মিডওয়াইফারি কলেজে মাকসুদা ইয়াসমিনের যোগদানের প্রচেষ্টা ব্যর্থ হয় শিক্ষার্থীদের বিক্ষোভে
- 📌 শিক্ষার্থীরা মাকসুদা ইয়াসমিনকে 'ভুয়া', 'দুর্নীতিবাজ', 'ফ্যাসিস্ট'সহ বিভিন্ন নামে অভিহিত করে কলেজে প্রবেশ বাধা দেন
- 📌 ১২ অক্টোবর জামালপুর নার্সিং কলেজে মাকসুদা ইয়াসমিনের নিযুক্তির প্রজ্ঞাপন জারি করা হয়, কিন্তু শিক্ষার্থীরা তা বাতিলের দাবি তোলে
- 📌 শেরপুর নার্সিং কলেজে অধ্যক্ষ থাকাকালীন মাকসুদা ইয়াসমিনের বিরুদ্ধে দুর্নীতি ও অগণতান্ত্রিক বিচারের অভিযোগ উঠে
- 📌 জামালপুর সিভিল সার্জন ডা. আজিজুল হক জানান, অধ্যক্ষের বদলির সিদ্ধান্ত বোর্ড নেবে
📰 বিস্তারিত
শেরপুর নার্সিং কলেজের শিক্ষার্থীদের দীর্ঘ ১ মাসের আন্দোলনের পর মাকসুদা ইয়াসমিনকে জামালপুর নার্সিং ও মিডওয়াইফারি কলেজে নিযুক্ত করা হয়। তবে শিক্ষার্থীরা নতুন কলেজেও তার যোগদানের বিরোধিতা শুরু করে। তারা জামালপুর সিভিল সার্জনের কার্যালয় সংলগ্ন কলেজের সামনে অবস্থান করে প্রজ্ঞাপন বাতিল এবং আইনি ব্যবস্থার দাবি তোলে।
১৫ অক্টোবর দুপুর সাড়ে ১১টায় মাকসুদা ইয়াসমিন কলেজে আসেন। কিন্তু শিক্ষার্থীরা তাকে 'ভুয়া', 'দুর্নীতিবাজ', 'লোভী', 'ধান্দাবাজ', 'মিথ্যাবাদী' এবং 'ফ্যাসিস্ট'সহ বিভিন্ন নামে অভিহিত করে কলেজের গেট বন্ধ করে দেন। শিক্ষার্থীদের বাধার মুখে তিনি দীর্ঘ সময় কলেজের সামনে আটকে পড়েন। শেষ পর্যন্ত দুপুর ২টায় তিনি কলেজে প্রবেশ করতে পারেননি এবং গেট থেকে ফিরে যান।
জামালপুর সিভিল সার্জন ডা. আজিজুল হক জানান, শিক্ষার্থীদের আন্দোলন বিষয়ে তিনি সচেতন। তবে অধ্যক্ষের বদলির সিদ্ধান্ত বোর্ড নেবে। তিনি বলেন, এখানে তার কোনো কর্তব্য নেই।
"শিক্ষার্থীরা আন্দোলন করছে বিষয়টি আমি শুনেছি। এখন উনার বদলির বিষয়ে বোর্ড সিদ্ধান্ত নেবে। এখানে আমার কিছু করার বা বলার নেই।"
📊 তথ্যের সারসংক্ষেপ
- 📍 স্থান: জামালপুর নার্সিং ও মিডওয়াইফারি কলেজ, জামালপুর সিভিল সার্জনের কার্যালয়
- 👥 খবরের মুখ্য ব্যক্তি: মাকসুদা ইয়াসমিন (নবনিযুক্ত অধ্যক্ষ), ডা. আজিজুল হক (জামালপুর সিভিল সার্জন)
- 🔢 গুরুত্বপূর্ণ সংখ্যা: ১৫ অক্টোবর, ১ মাস, ১২ অক্টোবর, ১১:৩০ টা, ২:০০ টা
💬 মন্তব্য (0)
এখনো কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্য করুন!