📌 জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয়ে সাংবাদিক আব্দুল মুক্তালী নাবিলকে ভূগোল বিভাগের অধ্যাপক ড. নাহরীন ইসলাম খান হুমকি দেন এবং সংবাদ প্রত্যাহারের চাপ দেন। ছাত্রশক্তি সংগঠন তীব্র প্রতিবাদ জানিয়ে তদন্তের দাবি জানায়
জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয়ে (জাবি) সাংবাদিকদের স্বাধীনতা ও কর্মকাণ্ডে হস্তক্ষেপের ঘটনায় ছাত্রশক্তি সংগঠন তীব্র প্রতিবাদ জানিয়েছে। বিশ্ববিদ্যালয়ের ভূগোল ও পরিবেশ বিভাগের অধ্যাপক ড. নাহরীন ইসলাম খান সাংবাদিক আব্দুল মুক্তালী নাবিলকে হুমকি দেন এবং প্রকাশিত সংবাদ প্রত্যাহারের চাপ দেন। এই ঘটনায় জাবি শাখার ‘জাতীয় ছাত্রশক্তি’ সংগঠন তীব্র নিন্দা ও প্রতিবাদ জানিয়েছে এবং বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসনকে দ্রুত তদন্তের আহ্বান জানিয়েছে।
🔴 মূল পয়েন্ট
- 📌 জাবিতে ‘ঢাকা স্ট্রিম’ প্রতিনিধি সাংবাদিক আব্দুল মুক্তালী নাবিলকে ভূগোল বিভাগের অধ্যাপক ড. নাহরীন ইসলাম খান হুমকি দেন এবং সংবাদ প্রত্যাহারের চাপ দেন
- 📌 ছাত্রশক্তি সংগঠন ‘জাতীয় ছাত্রশক্তি’ জাবি শাখা তীব্র প্রতিবাদ জানিয়ে বলেছে, কোনো শিক্ষক বা কর্মকর্তা সাংবাদিকদের কণ্ঠরোধ করতে পারে না
- 📌 সংগঠনটি বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসনকে অধ্যাপক ড. নাহরীন ইসলাম খানকে ঘিরে ওঠা অভিযোগের দ্রুত, নিরপেক্ষ ও স্বচ্ছ তদন্তের দাবি জানিয়েছে
- 📌 জুলাই গণঅভ্যুত্থানের পর সাংবাদিকদের স্বাধীনতা ও জবাবদিহির প্রত্যাশা সত্ত্বেও পুরনো নিয়ন্ত্রণ সংস্কৃতি ফিরিয়ে আনা যাবে না বলে দাবি করা হয়েছে
📰 বিস্তারিত
শুক্রবার (২৫ সেপ্টেম্বর) ‘জাতীয় ছাত্রশক্তি’, জাবি শাখার দপ্তর সম্পাদক কাজী মেহরাব তুর্য স্বাক্ষরিত একটি প্রেস বিজ্ঞপ্তিতে এই ঘটনায় তীব্র প্রতিবাদ ও নিন্দা প্রকাশ করেছেন। বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়েছে, সাংবাদিক আব্দুল মুক্তালী নাবিলকে হুমকি দেওয়া এবং সংবাদ প্রত্যাহারের চাপ দেওয়া কোনোভাবেই গ্রহণযোগ্য নয়। সংগঠনটি বলেছে, কোনো শিক্ষক, কর্মকর্তা বা রাজনৈতিকভাবে প্রভাবশালী ব্যক্তি সাংবাদিকদের কণ্ঠরোধ করতে পারে না। প্রকাশিত সংবাদ নিয়ে আপত্তি থাকলে আইনি প্রক্রিয়ার মাধ্যমে প্রতিবাদ জানানো যাবে, কিন্তু সাংবাদিককে হুমকি দেওয়া বা গণমাধ্যমকে প্রভাবিত করার চেষ্টা করা যাবে না।
বিজ্ঞপ্তিতে আরও উল্লেখ করা হয়েছে, জুলাই গণঅভ্যুত্থানের পর সাংবাদিকদের স্বাধীনতা ও জবাবদিহির নতুন প্রত্যাশা তৈরি হয়েছে। এই প্রত্যাশায় পুরনো নিয়ন্ত্রণ বা ভয়ভীতির সংস্কৃতি ফিরিয়ে আনা যাবে না। ছাত্রশক্তি সংগঠন বলেছে, ক্ষমতার প্রভাব খাটিয়ে সাংবাদিকদের কাজের পথ রুদ্ধ করার চেষ্টা করা হলে তারা তার বিরুদ্ধে সোচ্চার থাকবে।
সংগঠনটি বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসনকে দাবি জানিয়েছে, ড. নাহরীন ইসলাম খানের বিরুদ্ধে ওঠা অভিযোগের দ্রুত, নিরপেক্ষ ও স্বচ্ছ তদন্ত করা এবং সত্যতা পাওয়া গেলে বিধি অনুযায়ী যথাযথ ব্যবস্থা গ্রহণ করা। এছাড়াও, বিশ্ববিদ্যালয়ে সাংবাদিকদের ভয়-ভীতিহীন পরিবেশে স্বাধীনভাবে কাজ করার নিশ্চয়তা দেওয়ার দাবি জানানো হয়েছে।
"কোনো শিক্ষক, কর্মকর্তা, রাজনৈতিকভাবে প্রভাবশালী ব্যক্তি কিংবা ক্ষমতাতো কোনো পক্ষেরই সাংবাদিকদের কণ্ঠরোধ করার অধিকার নেই। প্রকাশিত সংবাদ নিয়ে আপত্তি থাকলে তথ্য-প্রমাণসহ প্রতিবাদ জানানো, বক্তব্য দেওয়া কিংবা আইনি প্রক্রিয়ার আশ্রয় নেওয়ার সুযোগ রয়েছে। তবে সংবাদ পছন্দ না হওয়ায় সাংবাদিককে হুমকি দেওয়া বা গণমাধ্যমকে প্রভাবিত করার চেষ্টা কোনোভাবেই গ্রহণযোগ্য নয়।"
📊 তথ্যের সারসংক্ষেপ
- 📍 স্থান: জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয় (জাবি), ঢাকা
- 👥 খবরের মুখ্য ব্যক্তি: আব্দুল মুক্তালী নাবিল, কাজী মেহরাব তুর্য, ড. নাহরীন ইসলাম খান
- 🔢 গুরুত্বপূর্ণ সংখ্যা: ২৫ সেপ্টেম্বর
💬 মন্তব্য (0)
এখনো কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্য করুন!