📌 জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয় (জাবি) ২০২৬-২৭ শিক্ষাবর্ষের বিভাগীয় শহরে ভর্তি পরীক্ষা আয়োজন করতে পারছে না। কেন্দ্র ব্যবস্থাপনা ও সময়সূচির জটিলতার কারণে পরীক্ষা মার্চের শেষ বা এপ্রিলে হতে পারে, যা শিক্ষার্থীদের জন্য উদ্বেগের কারণ হয়ে দাঁড়িয়েছে
জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয় (জাবি) ২০২৬-২৭ শিক্ষাবর্ষের বিভাগীয় শহরে ভর্তি পরীক্ষা আয়োজন করতে পারছে না। কেন্দ্র ব্যবস্থাপনা ও অন্যান্য জটিলতার কারণে বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষা বিভাগের কর্মকর্তারা পরীক্ষা মার্চের শেষের দিকে অথবা এপ্রিল মাসে নিতে বাধ্য হতে পারেন। তবে এতে বিভাগীয় পর্যায়ে মানসম্পন্ন শিক্ষার্থী পাওয়ার সম্ভাবনা কমে যাবে বলে উদ্বেগ প্রকাশ করেছেন বিশ্ববিদ্যালয়ের কর্মকর্তারা।
🔴 মূল পয়েন্ট
- 📌 জাবির ২০২৬-২৭ শিক্ষাবর্ষের বিভাগীয় শহরে ভর্তি পরীক্ষা বিলম্বিত হচ্ছে — সম্ভাব্য সময়সূচি: মার্চের শেষ বা এপ্রিল মাস
- 📌 অন্যান্য বিশ্ববিদ্যালয়ের পরীক্ষা শেষ হওয়ার পরেই জাবির পরীক্ষা নিতে হবে, যা কোয়ালিটি শিক্ষার্থী পাওয়ার সম্ভাবনা কমিয়ে দেবে
- 📌 বিভাগীয় পর্যায়ে পরীক্ষা নিতে হলে কেন্দ্র ব্যবহারের জন্য অর্থ পরিশোধ করতে হবে, যা ভর্তি ফি বাড়াতে পারে
- 📌 একাডেমিক কাউন্সিলের পরামর্শের ভিত্তিতে চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত নেওয়া হবে — আগামী জানুয়ারির তৃতীয় সপ্তাহে পরীক্ষা শুরু করার পরিকল্পনা রয়েছে
- 📌 ২০২৫-২৬ শিক্ষাবর্ষে বিভাগীয় শহরে পরীক্ষা আয়োজন করার জন্য প্রশাসন তথ্য সংগ্রহ করছিল, কিন্তু বর্তমান সময়সূচি কারণে তা বাস্তবায়ন সম্ভব নয়
📰 বিস্তারিত
জাবির ভর্তি কমিটির সদস্যসচিব ও ডেপুটি রেজিস্ট্রার (শিক্ষা) সৈয়দ মোহাম্মদ আলী রেজা জানান, বিশ্ববিদ্যালয়ের ভর্তি পরীক্ষায় পদ্ধতিগত পরিবর্তন এনে বিভাগীয় পর্যায়ে পরীক্ষা নেওয়ার বিষয়ে আলোচনা হয়েছে। তবে একাডেমিক কাউন্সিলের পরামর্শ ছাড়া চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত নেওয়া যাবে না। তিনি বলেন, ইতোমধ্যে অন্যান্য বিশ্ববিদ্যালয় তাদের ভর্তি পরীক্ষার সময়সূচি ঘোষণা করেছে। যদি জাবি বিভাগীয় পর্যায়ে পরীক্ষা নেয়, তাহলে মার্চের শেষের দিকে অথবা এপ্রিলে পরীক্ষা নিতে হবে। এতে অন্যান্য বিশ্ববিদ্যালয়ের পরীক্ষা শেষ হওয়ার পরেই জাবির পরীক্ষা নিতে হবে, যা মানসম্পন্ন শিক্ষার্থী পাওয়ার সম্ভাবনা কমিয়ে দেবে।
বিভাগীয় পর্যায়ে পরীক্ষা নিতে কেন্দ্র ব্যবহারের জন্য অর্থ পরিশোধ করতে হবে বলে জানান আলী রেজা। তিনি বলেন, এতে ভর্তি পরীক্ষার আবেদন ফি বেড়ে যেতে পারে। তিনি আরও বলেন, বিভাগীয় পর্যায়ে পরীক্ষা নিতে হলে বিশ্ববিদ্যালয়কে নির্দিষ্ট ডিমান্ড মেটাতে হবে, যা ফর্মের দাম বাড়িয়ে দিতে পারে। সব তথ্য উপস্থাপন করে একাডেমিক কাউন্সিলে যাওয়া হবে এবং তাদের পরামর্শের ভিত্তিতে সিদ্ধান্ত নেওয়া হবে।
বিশ্ববিদ্যালয়ের উপ-উপাচার্য (শিক্ষা) অধ্যাপক ড. মো. শামছুল আলম জানান, বর্তমান সময়সূচির কারণে বিভাগীয় পর্যায়ে ভর্তি পরীক্ষা আয়োজন করা কঠিন হবে। তিনি বলেন, পরীক্ষা শেষে নিতে হলে এপ্রিল-মে-এর আগে সম্ভব নয়। তিনি আরও জানান, আগামী জানুয়ারির তৃতীয় সপ্তাহের মধ্যে ভর্তি পরীক্ষা শুরু করার পরিকল্পনা রয়েছে, তবে পদ্ধতি ও সময়সূচি সম্পর্কে চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত আগামী কাউন্সিল সভার মাধ্যমে নির্ধারণ করা হবে।
২০২৫-২৬ শিক্ষাবর্ষের ভর্তি পরীক্ষা চলাকালে সাংবাদিকদের সঙ্গে আলাপকালে জাবির উপাচার্য অধ্যাপক ড. মোহাম্মদ কামরুল আহসান জানিয়েছিলেন, ২০২৬-২৭ শিক্ষাবর্ষ থেকে বিভাগীয় শহরগুলোতে ভর্তি পরীক্ষা আয়োজনের পরিকল্পনা রয়েছে। সেই পরিকল্পনার অংশ হিসেবে দেশের চার বিভাগীয় শহরের চারটি বিশ্ববিদ্যালয়ে তথ্য সংগ্রহে পৃথক উপ-কমিটি গঠন করা হয়েছিল। প্রশাসন সূত্রে জানা গেছে, বিভাগীয় পর্যায়ে ভর্তি পরীক্ষা আয়োজনের জন্য প্রয়োজনীয় অবকাঠামো, কেন্দ্র ব্যবস্থাপনা, জনবল ও অন্যান্য সুযোগ-সুবিধা সম্পর্কে তথ্য সংগ্রহ করছিল উপ-কমিটিগুলো। সংগৃহীত তথ্য ও সম্ভাব্যতা যাচাইয়ের ফলাফল একাডেমিক কাউন্সিলের সভায় উপস্থাপন করা হবে। একাডেমিক কাউন্সিলের পরামর্শের ভিত্তিতেই ভর্তি পরীক্ষার পদ্ধতি নিয়ে পরবর্তী সিদ্ধান্ত নেওয়া হবে।
"বিভাগীয় পর্যায়ে পরীক্ষা নিতে হলে আমাদের পরীক্ষা মার্চের শেষের দিকে অথবা এপ্রিলে নিতে হবে। এতো পরে অন্যান্য সব বিশ্ববিদ্যালয় পরীক্ষা নেওয়ার পরে কোয়ালিটি স্টুডেন্ট পাওয়া যাবে না।"
📊 তথ্যের সারসংক্ষেপ
- 📍 স্থান: জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয় (জাবি), ঢাকা
- 👥 খবরের মুখ্য ব্যক্তি: ডেপুটি রেজিস্ট্রার (শিক্ষা) সৈয়দ মোহাম্মদ আলী রেজা, উপ-উপাচার্য (শিক্ষা) অধ্যাপক ড. মো. শামছুল আলম, উপাচার্য অধ্যাপক ড. মোহাম্মদ কামরুল আহসান
- 🔢 গুরুত্বপূর্ণ সংখ্যা: ২০২৬-২৭ শিক্ষাবর্ষ, মার্চের শেষ/এপ্রিল মাস
💬 মন্তব্য (0)
এখনো কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্য করুন!